টিউটোরিয়াল / গাইডলাইন অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ ডাউনলোড
Google Play
GET IT ON Google Play
StudyClub - স্মার্ট স্টাডি প্ল্যাটফর্ম - Study Tracker - App Blocker - Reading Room
মেনু
Self Tracker
Messenger
Question Bank
Study User Report
Session Report
To do list Report
Study Leaderboard
Screen Time Leaderboard
Public Dashboard
Quiz Creator
Quiz Leaderboard
হোম
Profile
About
Tutorials
থিম নির্বাচন

আপনার পছন্দের থিম বেছে নিন।

‘কিয়োটো প্রটোকল' কোন বিষয়ের সাথে সম্পর্কিত? (Which of the following aspects is related to 'Kyoto Protocol'?

A. শান্তি (Peace)
B. কৃষি (Agriculture)
C. বাণিজ্য (Commerce
D. পরিবেশ (Environment)
সঠিক উত্তরঃ D. পরিবেশ (Environment)
Another Explanation (5):

কিয়োটো প্রোটোকল: পরিবেশ সুরক্ষায় একটি ঐতিহাসিক পদক্ষেপ 🌍

কিয়োটো প্রোটোকল একটি আন্তর্জাতিক চুক্তি যা ১৯৯৭ সালে জাপানের কিয়োটো শহরে গৃহীত হয়েছিল। এটি জাতিসংঘের ফ্রেমওয়ার্ক কনভেনশন অন ক্লাইমেট চেঞ্জ (UNFCCC)-এর সাথে সম্পর্কিত। এর প্রধান লক্ষ্য ছিল গ্রিনহাউস গ্যাস নিঃসরণ কমানো এবং জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবেলা করা। 🌡️

কিয়োটো প্রোটোকলের মূল বিষয়সমূহ:

  • লক্ষ্য: শিল্পোন্নত দেশগুলোর জন্য গ্রিনহাউস গ্যাস নির্গমন হ্রাস করার বাধ্যবাধকতা নির্ধারণ। 🎯
  • সময়কাল: প্রথম কমিটমেন্ট পিরিয়ড ছিল ২০০৮-২০১২ সাল এবং দ্বিতীয়টি ২০১৩-২০২০ সাল পর্যন্ত। ⏳
  • আচ্ছাদিত গ্যাসসমূহ: কার্বন ডাই অক্সাইড (CO2), মিথেন (CH4), নাইট্রাস অক্সাইড (N2O), হাইড্রোফ্লুরোকার্বন (HFCs), পারফ্লুরোকার্বন (PFCs), এবং সালফার হেক্সাফ্লুরাইড (SF6) সহ ৬টি প্রধান গ্রিনহাউস গ্যাস। 💨
  • কার্যকারিতা: এই প্রোটোকল ২০০৫ সালে কার্যকর হয়, যখন পর্যাপ্ত সংখ্যক দেশ এটি অনুমোদন করে। ✅

কিয়োটো প্রোটোকলের কাঠামো:

বৈশিষ্ট্য বর্ণনা
উদ্দেশ্য গ্রিনহাউস গ্যাস নির্গমন কমিয়ে আনা এবং জলবায়ু পরিবর্তন রোধ করা। 🌿
অংশগ্রহণকারী দেশ জাতিসংঘের সদস্য দেশসমূহ (কিছু ব্যতিক্রম আছে)। 🤝
বাস্তবায়ন কৌশল দেশগুলোকে নিজস্ব নির্গমন কমানোর লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ এবং তা অর্জন করতে সহায়তা করা। 📉
সাফল্য কিছু ক্ষেত্রে গ্রিনহাউস গ্যাস নির্গমন কমাতে সাহায্য করেছে, তবে সামগ্রিক প্রভাব সীমিত ছিল। 👍/👎

কিয়োটো প্রোটোকলের সুবিধা এবং অসুবিধা:

সুবিধা:

  1. বৈশ্বিক জলব???য়ু সমস্যা মোকাবেলায় আন্তর্জাতিক সহযোগিতার সূচনা। 🌍🤝
  2. পরিবেশ বান্ধব প্রযুক্তি ব্যবহারে উৎসাহ প্রদান। ♻️
  3. উন্নত দেশগুলোর মধ্যে নির্গমন কমানোর আইনি বাধ্যবাধকতা তৈরি। ⚖️

অসুবিধা:

  1. যুক্তরাষ্ট্রের মতো বড় নির্গমনকারী দেশের অংশগ্রহণ না করা। 🇺🇸❌
  2. উন্নয়নশীল দেশগুলোর জন্য বাধ্যবাধকতা না থাকা। 👶
  3. লক্ষ্যমাত্রা পূরণে দুর্বলতা। 🎯😓

কিয়োটো প্রোটোকল জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবেলায় একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ ছিল। যদিও এর কিছু সীমাবদ্ধতা ছিল, তবুও এটি ভবিষ্যৎ আন্তর্জাতিক চুক্তিগুলোর জন্য একটি ভিত্তি স্থাপন করেছে। ➡️ প্যারিস চুক্তি। 👍

আরও জানতে ভিজিট করুন: UNFCCC official website 🌐

আশা করি এই ব্যাখ্যাটি আপনার কাজে লাগবে! 😊