টিউটোরিয়াল / গাইডলাইন অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ ডাউনলোড
Google Play
GET IT ON Google Play
StudyClub - স্মার্ট স্টাডি প্ল্যাটফর্ম
মেনু
Self Tracker
Messenger
Question Bank
Study User Report
Session Report
To do list Report
Study Leaderboard
Screen Time Leaderboard
Public Dashboard
Quiz Creator
Quiz Leaderboard
হোম
Profile
About
Tutorials
থিম নির্বাচন

আপনার পছন্দের থিম বেছে নিন।

মাইটোকন্ড্রিয়াতে কেমিঅসমোসিসের শক্তি আসে কিভাবে?

A. ATP ভ??ঙে
B. আলোক শক্তি থেকে
C. NADH+ + H+ ও FADH অণুর অক্সিডেশনের মাধ্যমে
D. উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তরঃ C. NADH+ + H+ ও FADH অণুর অক্সিডেশনের মাধ্যমে
Explanation: মাইটোকন্ড্রিয়ায় NADH+ + H+ ও FADH অণুর অক্সিডেশনের মাধ্যমে কেমিঅসমোসিস শক্তি আসে। অপশন C সঠিক। A, B, এবং D ভুল কারণ ATP ভাঙা বা আলোক শক্তি সরাসরি ব্যবহার হয় না। নোট: মাইটোকন্ড্রিয়ার কেমিঅসমোসিস শক্তি ATP উৎপন্ন করে।
Another Explanation (5):

মাইটোকন্ড্রিয়াতে কেমিঅসমোসিসের শক্তি উৎপন্নের প্রক্রিয়া

মাইটোকন্ড্রিয়াতে কেমিঅসমোসিস (Electron Transport Chain - ETC) হলো অণুজীবের শক্তি উৎপাদনের প্রধান ধাপ। এই প্রক্রিয়ায়, NADH ও FADH2 অণুগুলি অক্সিডেশন দ্বারা শক্তি উৎপন্ন করে, যা পরবর্তীতে এন্ট্রি হয় ইলেকট্রন ট্রান্সপোর্ট চেইনে।

প্রক্রিয়ার ধাপসমূহ:

  1. NADH ও FADH2 এর অক্সিডেশন: এই অণুগুলি হাইড্রোজেন আইনের (H+) সাথে অক্সিজেনের উপস্থিতিতে বিক্রিয়া করে।
  2. ইলেকট্রন ট্রান্সপোর্ট: এই ইলেকট্রনগুলো ধাপবিহীনভাবে বিভিন্ন এনার্জি প্রাপ্ত মেটাল কোঅ্যাক্টরদের মধ্যে স্থানান্তরিত হয়, যেমন কুইনোন ও সাইক্লিক কোঅ্যাক্টর।
  3. প্রভাব: এই ইলেকট্রন স্থানান্তর প্রক্রিয়ায় শক্তি মুক্ত হয়, যা এফএডিএফএনঅ্যামিনো অ্যাসিড হাইড্রোজেনের প্রেরণ করে এবং প্রোটন (H+) পাম্প করে মাইটোকন্ড্রিয়াল ইন্টারমেমব্রেনের উপর।
  4. প্রোটন গ্রেডিয়েন্ট সৃষ্টি: প্রোটনসমূহ মাইটোকন্ড্রিয়াল ইন্টারমেমব্রেনের এক পাশে জমা হয়, একটি প্রোটন গ্রেডিয়েন্ট তৈরি করে।
  5. অ্যাডেনোসিন ট্রাইফসফেট (ATP) উৎপাদন: এই প্রোটন গ্রেডিয়েন্ট ভাসমান স্পন্দনচালিত এনজাইম, ATP সিনথেজ, দ্বারা ব্যবহার হয় ATP তৈরি করার জন্য।

মূল সূত্র:

অণু প্রক্রিয়া উৎপন্ন শক্তি
NADH + H+ অক্সিডেশন প্রচুর এনার্জি, ATP উৎপাদন
FADH2 অক্সিডেশন প্রচুর এনার্জি, ATP উৎপাদন

উপসংহার: 🔍

সারসংক্ষেপে, NADH ও FADH2 অণুর অক্সিডেশনের মাধ্যমে শক্তি আসে। এই প্রক্রিয়ায় ইলেকট্রন ট্রান্সপোর্ট চেইন শক্তি মুক্ত করে ATP উৎপাদন করে, যা আমাদের জীবনীশক্তির মূল উৎস।

Option A Explanation:
  • ATP (অ্যাডেনোসিন ট্রাইফসফেট) হলো জীবের মূল শক্তি সংরক্ষণ ও ট্রান্সমিশনের মাধ্যম।
  • মাইটোকন্ড্রিয়া কেমিঅসমোসিসের মাধ্যমে ATP তৈরি করে, যা জীবের বিভিন্ন ক্রিয়াকলাপের জন্য প্রয়োজনীয়।
  • প্রক্রিয়াটিতে, খাদ্য থেকে প্রাপ্ত শক্তি রূপান্তরিত হয়ে ATP আকারে সংরক্ষিত হয়।
  • এই ATP শক্তি বিভিন্ন কোষের কার্যক্রমে ব্যবহৃত হয়, যেমন নিউক্লিয়াস, পেশী সংকোচন, স্নায়ুতন্ত্রের কার্যক্রম ইত্যাদি।
  • অতএব, কেমিঅসমোসিসের শক্তি সরবরাহের মূল উৎস হলো ATP এর উৎপাদন।
Option B Explanation:

আলোক শক্তি থেকে কেমিঅসমোসিসের শক্তি উৎপন্নের ব্যাখ্যা:

  • প্রাথমিক পর্যায়ে, আলোক শক্তি সূর্য থেকে আসে।
  • প্রাণী বা উদ্ভিদ, বিশেষ করে উদ্ভিদ, এই আলোক শক্তিকে শোষণ করে ক্লোরোপ্লাস্টের মধ্যে ক্লোরোফিলের মাধ্যমে।
  • আলোক শক্তি রাসায়নিক শক্তিতে রূপান্তরিত হয়, যা মূলত গ্লুকোজ বা অন্য কার্বোহাইড্রেটের ফটোসিনথেসিসের মাধ্যমে হয়।
  • এটি পরে কেমিঅসমোসিসের প্রক্রিয়ায় শক্তি উৎপন্নের জন্য ব্যবহৃত হয়।
Option C Explanation:
  • NADH+ ও FADH অণুর অক্সিডেশন: এই প্রক্রিয়ায়, NADH এবং FADH2 নামক সংশ্লিষ্ট হাইড্রোজেন বহনকারী অণুগুলি মাইটোকন্ড্রিয়াল ইন্টারমেমব্রেনের ইলেকট্রন ট্রান্সপোর্ট চেইন (Electron Transport Chain) এ প্রবেশ করে।
  • ইলেকট্রন ট্রান্সপোর্ট চেইন: এই চেইনে, ইলেকট্রনগুলো ধাপে ধাপে ট্রান্সফার হয়, যার ফলে প্রোটন (H+) মাইটোকন্ড্রিয়াল ম্যাট্রিক্স থেকে ইন্টারমেমব্রেন স্পেসে চলে যায়।
  • প্রোটন গ্রেডিয়েন্ট সৃষ্টি: ইলেকট্রন ট্রান্সপোর্টের মাধ্যমে প্রোটন ঘনীভূত হয়, যা একটি আণবিক শক্তির প্রাথমিক উৎস তৈরি করে।
  • অ্যাডেনোসিন ট্রাইফসফোর্স (ATP) উৎপাদন: এই প্রোটন গ্রেডিয়েন্টের শক্তি ব্যবহার করে ATP সিন্থেজ নামে পরিচিত এনার্জি ট্রান্সফার চালানো হয়, যা জীবজন্তুর কোষে শক্তি হিসেবে ব্যবহৃত হয়।