টিউটোরিয়াল / গাইডলাইন অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ ডাউনলোড
Google Play
GET IT ON Google Play
StudyClub - স্মার্ট স্টাডি প্ল্যাটফর্ম - Study Tracker - App Blocker - Reading Room
মেনু
Self Tracker
Messenger
Question Bank
Study User Report
Session Report
To do list Report
Study Leaderboard
Screen Time Leaderboard
Public Dashboard
Quiz Creator
Quiz Leaderboard
হোম
Profile
About
Tutorials
থিম নির্বাচন

আপনার পছন্দের থিম বেছে নিন।

শুক্রাণুর অ্যাক্রোসোম তৈরী করে কোনটি?

A. লাইসোসোম
B. মাইটোকন্ড্রিয়া
C. গলগি বডি
D. কোষপ্রাচীর
সঠিক উত্তরঃ C. গলগি বডি
Explanation:

প্রশ্ন বিশ্লেষণ:

প্রশ্ন: শুক্রাণু অ্যাক্রোসোম তৈরী করে কোনটি? এই প্রশ্নের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদেরকে জানতে চাওয়া হয়েছে যে, শুক্রাণুতে অ্যাক্রোসোম গঠনকারী অঙ্গাণুটি কী। অ্যাক্রোসোম হলো একটি ক্যাপ-আকৃতির গঠন, যা শুক্রাণুর মাথার অংশে থাকে এবং ডিম্বাণুর বাহ্যিক স্তর ভেদ করতে সাহায্য করে।

অপশন বিশ্লেষণ:

  1. লাইসোসোম লাইসোসোম হলো কোষের মধ্যে উপস্থিত একটি অঙ্গাণু, যা বর্জ্য পদার্থ এবং অপ্রয়োজনীয় অণুগুলোকে ভেঙে ফেলে। যদিও অ্যাক্রোসোমের সাথে কিছুটা সম্পর্ক রয়েছে, কিন্তু এটি সরাসরি অ্যাক্রোসোম গঠন করে না।
  2. মাইটোকন্ড্রিয়া মাইটোকন্ড্রিয়া হলো কোষের শক্তি উৎপাদনকারী অঙ্গাণু। এটি কোষের শ্বসন প্রক্রিয়ায় অংশগ্রহণ করে এবং অ্যাক্রোসোম তৈরিতে সরাসরি কোনো ভূমিকা রাখে না।
  3. গলজি বডি গলজি বডি হলো একটি অঙ্গাণু, যা প্রোটিন এবং লিপিডের প্রক্রিয়াকরণ এবং প্যাকেজিংয়ের জন্য দায়ী। এটি অ্যাক্রোসোম গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। অ্যাক্রোসোমের এনজাইমগুলি গলজি বডির মাধ্যমে প্রসেস হয় এবং প্যাকেজ হয়ে শুক্রাণুর মাথায় যায়।
  4. কোষপ্রাচীর কোষপ্রাচীর হলো উদ্ভিদ কোষের একটি কাঠামো যা কোষকে শক্তি এবং স্থিতিশীলতা প্রদান করে। এটি অ্যাক্রোসোম গঠনের সাথে কোনোভাবেই সম্পর্কিত নয়।

নোট:

অ্যাক্রোসোম গঠন মূলত গলজি বডির মাধ্যমে ঘটে, যা প্রোটিন এবং লিপিড প্রক্রিয়াকরণ ও প্যাকেজিংয়ের জন্য দায়ী। অ্যাক্রোসোমের এনজাইমগুলি গলজি বডির মাধ্যমে তৈরি এবং প্যাকেজ হয়ে শুক্রাণুর মাথার অংশে অবস্থান করে, যা ডিম্বাণুর বহির্মুখ ভেদ করতে সহায়ক।  

গলগি বডির কাজঃ

১. এটি এনজাইম ও হরমোন নিঃসরনে সহয়তা করে। ২. লিপিড সংশ্লেষন ও প্রোটিন ক্ষরন করে। ৩. কোষঝিল্লি নবায়ন ও কোষ প্রাচীর গঠনের মাধ্যমে কোষ বিভাজনে সাহায্য করে। ৪. শুক্রানু গঠনে ও বিপাকীয় কাজে সহয়তা করে। ৫. মাইটোকন্ড্রিয়াকে ATP উৎপাদনে উদ্বুদ্ধ করে। ৬. লাইসোসোম তৈরি করে ও কোষস্থ পানি বের করে দেয়। ৭. বিভিন্ন পলিস্যাকারাইড সংশ্লেষন ও পরিবহনে অংশ নেয়।