লগইন করুন
আমাদের ওয়েবসাইটের সকল সুবিধা পেতে লগইন করুন
আপনার পছন্দের থিম বেছে নিন।
কোনটি পদার্থের সাধারণ ধর্ম?
স্থিতিস্থাপকতা

পদার্থের সাধারণ ধর্ম বলতে বোঝায় সেইসব বৈশিষ্ট্য যা সাধারণভাবে সকল পদার্থের মধ্যেই বিদ্যমান থাকে। স্থিতিস্থাপকতা (Elasticity) তেমনই একটি গুরুত্বপূর্ণ ধর্ম। এটি পদার্থের বাহ্যিক বল প্রয়োগের ফলে বিকৃত হওয়ার এবং বল অপসারণের পর পুনরায় পূর্বের অবস্থায় ফিরে আসার ক্ষমতাকে নির্দেশ করে।
সহজ ভাষায়, স্থিতিস্থাপকতা হলো:
স্থিতিস্থাপকতা বিভিন্ন ধরণের হতে পারে, যা বস্তুর প্রকৃতির উপর নির্ভর করে:
| বৈশিষ্ট্য | বর্ণনা | উদাহরণ |
|---|---|---|
| স্থিতিস্থাপক সীমা | সর্বোচ্চ যে পরিমাণ বল প্রয়োগ করলে বস্তু স্থায়ীভাবে বিকৃত হয় না। | স্প্রিং-এর ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট মাত্রার বেশি টানলে সেটি স্থায়ীভাবে লম্বা হয়ে যায়। |
| পীড়ন (Stress) | বস্তুর উপর প্রযুক্ত বাহ্যিক বলের পরিমাণ। | কোনো তারের উপর ওজন ঝুলিয়ে দিলে তারটিতে পীড়ন সৃষ্টি হয়। |
| বিকৃতি (Strain) | বস্তুর আকারের পরিবর্তন। | তারের উপর ওজন ঝোলালে তারের দৈর্ঘ্যে পরিবর্তন হওয়া। |
স্থিতিস্থাপকতার ধারণা আমাদের দৈনন্দিন জীবনে অনেক কাজে লাগে:
স্থিতিস্থাপকতা পদার্থের একটি মৌলিক ধর্ম। এই ধর্ম না থাকলে কোনো বস্তুই বল প্রয়োগের পরে তার আসল রূপে ফিরে আসতে পারত না। আমাদের চারপাশের সবকিছু যেমন - হাঁটা, দৌড়ানো, লাফালাফি করা সবকিছুই কোনো না কোনোভাবে স্থিতিস্থাপকতার ওপর নির্ভরশীল।
আরও জানতে: পদার্থবিজ্ঞান বই পড়ুন অথবা অনলাইন রিসোর্স দেখুন। 📚💻
😊🙏