টিউটোরিয়াল / গাইডলাইন অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ ডাউনলোড
Google Play
GET IT ON Google Play
StudyClub - স্মার্ট স্টাডি প্ল্যাটফর্ম - Study Tracker - App Blocker - Reading Room
মেনু
Self Tracker
Messenger
Question Bank
Study User Report
Session Report
To do list Report
Study Leaderboard
Screen Time Leaderboard
Public Dashboard
Quiz Creator
Quiz Leaderboard
হোম
Profile
About
Tutorials
থিম নির্বাচন

আপনার পছন্দের থিম বেছে নিন।

শারীরবিদ্যার জনক কে?

A. জর্জেস ক্যুভিয়ে
B. অ্যান্টনি ভ্যান লেভেনহুক
C. উইলিয়াম হার্ভে
D. থিওডোর সোয়ান
সঠিক উত্তরঃ C. উইলিয়াম হার্ভে
Explanation: শারীরবিদ্যার জনক উইলিয়াম হার্ভে (Option C)। অন্য ব্যক্তিরা (A: জর্জেস ক্যুভিয়ে, B: অ্যান্টনি লেভেনহুক, D: থিওডোর সোয়ান) অন্য ক্ষেত্রে বিশেষজ্ঞ।
Another Explanation (5): ```html

শারীরবিদ্যার জনক: উইলিয়াম হার্ভে

উইলিয়াম হার্ভে (১৫৭৮-১৬৫৭) একজন ইংরেজ চিকিৎসক ছিলেন। রক্ত সংবহন তন্ত্রের (Blood circulatory system) ওপর তার কাজের জন্য তিনি শারীরবিদ্যার (Physiology) ইতিহাসে চিরস্মরণীয় হয়ে আছেন। তাকে শারীরবিদ্যার জনক হিসেবে অভিহিত করা হয়। 👨‍⚕️

উইলিয়াম হার্ভের অবদান:

  • রক্ত সংবহন তন্ত্রের আবিষ্কার: হার্ভে প্রথম প্রমাণ করেন যে রক্ত হৃদপিণ্ড থেকে ধমনীর মাধ্যমে সারা শরীরে যায় এবং শিরার মাধ্যমে হৃদপিণ্ডে ফিরে আসে।🩸
  • প্রাচীন ধারণার অবসান: এর আগে মনে করা হত, লিভার রক্ত তৈরি করে এবং তা সারা শরীরে শোষিত হয়। হার্ভে এই ভুল ধারণা ভেঙে দেন।
  • পরীক্ষামূলক পদ্ধতির প্রবর্তন: তিনি বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষার মাধ্যমে তার তত্ত্ব প্রমাণ করেন, যা শারীরবিদ্যা গবেষণায় নতুন দিগন্ত উন্মোচন করে।🔬

উইলিয়াম হার্ভের গুরুত্বপূর্ণ কাজ:

  1. De Motu Cordis et Sanguinis in Animalibus (১৬২৮): এটি তার সবচেয়ে বিখ্যাত কাজ, যেখানে তিনি রক্ত সংবহন তন্ত্রের বিস্তারিত ব্যাখ্যা দেন।

শারীরবিদ্যায় উইলিয়াম হার্ভের প্রভাব:

উইলিয়াম হার্ভের কাজ শারীরবিদ্যা এবং চিকিৎসা বিজ্ঞানের অগ্রগতিতে বিশাল ভূমিকা রাখে। তার আবিষ্কারের পর থেকে রোগ নির্ণয় এবং চিকিৎসার পদ্ধতি অনেক উন্নত হয়েছে। 👍

সংক্ষিপ্ত জীবনী:

বিষয় তথ্য
জন্ম এপ্রিল ১, ১৫৭৮
মৃত্যু জুন ৩, ১৬৫৭
জাতীয়তা ইংলিশ
পেশা চিকিৎসক

আরও জানতে ভিজিট করুন: উইকিপিডিয়া 🌐

উইলিয়াম হার্ভের প্রতি শ্রদ্ধাঞ্জলি 🙏।

আরও কিছু তথ্য

হার্ভে কেমব্রিজের গনভিল এবং কায়েস কলেজে পড়াশোনা করেন এবং ১৬০২ সালে পাডুয়া বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এমডি ডিগ্রি অর্জন করেন। 🎓

```
Option A Explanation:
  • জর্জেস ক্যুভিয়ে ১৫২۳ সালে জন্মগ্রহণ করেন এবং তিনি একজন ফরাসি চিকিৎসক ও অ্যানাটমিস্ট ছিলেন।
  • তিনি মূলত জীববিজ্ঞান ও শারীরবিদ্যার উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন।
  • তার কাজের মাধ্যমে তিনি জৈবপ্রক্রিয়া ও অঙ্গপ্রত্যঙ্গের গঠন ও কার্যপ্রণালী সম্পর্কে গভীর জ্ঞান অর্জন করেন।
  • জীববিজ্ঞানে তার গবেষণাগুলি আধুনিক শারীরবিদ্যার ভিত্তি রচনা করে, যা পরবর্তী গবেষকদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ ছিল।
  • তিনি বিভিন্ন অঙ্গপ্রত্যঙ্গের গঠন ও কার্যপ্রণালী নিরীক্ষণ ও বিশ্লেষণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন।
Option B Explanation:
  • নাম: অ্যান্টনি ভ্যান লেভেনহুক
  • জন্ম: ১৬৩২ সালে
  • মৃত্যু: ১৭২৩ সালে
  • পেশা: বিজ্ঞানী ও অ্যানাটমিস্ট
  • প্রসিদ্ধতা: জীবাণু ও রক্তের বিভিন্ন ধরণের আবিষ্কার করেন
  • অবদান: প্রথমবারের মতো জীবাণুর দৃশ্যমান ছবি তোলেন ও সেগুলির বিশ্লেষণ করেন
  • উপলব্ধি: শারীরবৃত্তীয় প্রক্রিয়া ও অঙ্গের কার্যপ্রণালী বোঝার জন্য গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখেন
Option C Explanation:
  • উইলিয়াম হার্ভে (William Harvey) একজন ইংরেজ চিকিৎসক ও বৈজ্ঞানিক ছিলেন, যিনি ১৬১৮ সালে রক্ত সঞ্চালন প্রক্রিয়া প্রমাণ করেছিলেন।
  • তাঁর গবেষণায় তিনি দেখিয়েছিলেন যে, হৃদয় রক্ত পাম্পের মাধ্যমে শরীরের বিভিন্ন অংশে রক্ত সরবরাহ করে।
  • এই গবেষণা আধুনিক জৈববিজ্ঞানের ভিত্তি স্থাপন করে এবং মানবদেহের শারীরবৃত্তীয় কার্যাবলীর বিশ্লেষণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
  • তাঁর কাজের জন্য তাঁকে মানবদেহের কার্যপ্রণালী বোঝার জন্য একজন গুরুত্বপূর্ণ বৈজ্ঞানিক হিসেবে বিবেচনা করা হয়।
Option D Explanation:

থিওডোর সোয়ান

  • একজন আমেরিকান বিজ্ঞানী ও গবেষক ছিলেন।
  • তিনি মানুষের রক্তের শ্রেণি বিন্যাসের বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ গবেষণা করেন।
  • সোয়ান তার গবেষণার মাধ্যমে রক্তের বিভিন্ন শ্রেণি (A, B, AB, O) নির্ধারণের পদ্ধতি প্রবর্তন করেন।
  • তার কাজের জন্য তিনি "রক্ত গ্রুপ" বিষয়ক বৈজ্ঞানিক ভিত্তি স্থাপন করেন।
  • উল্লেখযোগ্যভাবে, সোয়ান এর গবেষণার ফলে চিকিৎসা ও ট্রান্সফিউশন প্রক্রিয়ায় গুরুত্বপূর্ণ উন্নতি সাধিত হয়।