টিউটোরিয়াল / গাইডলাইন অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ ডাউনলোড
Google Play
GET IT ON Google Play
StudyClub - স্মার্ট স্টাডি প্ল্যাটফর্ম - Study Tracker - App Blocker - Reading Room
মেনু
Self Tracker
Messenger
Question Bank
Study User Report
Session Report
To do list Report
Study Leaderboard
Screen Time Leaderboard
Public Dashboard
Quiz Creator
Quiz Leaderboard
হোম
Profile
About
Tutorials
থিম নির্বাচন

আপনার পছন্দের থিম বেছে নিন।

ব্যুরেটের অভ্যন্তরে গ্রিজ বা তৈলাক্ত পদার্থ করার জন্য কী ব্যবহার করা হয়? 

A. K2Cr2O7 ও H2SO4
B. K2Cr2O7 ও গাঢ় H2SO4
C. গাঢ় K2Cr2O7 ও H2SO4
D. গাঢ় K2Cr2O7 ও গাঢ় H2SO4
সঠিক উত্তরঃ B. K2Cr2O7 ও গাঢ় H2SO4
Explanation:

Another Explanation (5):

ব্যুরেটের অভ্যন্তর পরিষ্কারকরণ: K2Cr2O7 ও গাঢ় H2SO4 এর ব্যবহার 🧪

ব্যুরেট একটি সূক্ষ্ম কাঁচের নল যা পরীক্ষাগারে তরল পদার্থের সঠিক পরিমাণ নির্দ্ধারণের জন্য ব্যবহৃত হয়। এর সঠিক পাঠ নিশ্চিত করার জন্য, ভেতরের দেয়াল গ্রিজ বা তৈলাক্ত পদার্থমুক্ত রাখা জরুরি। K2Cr2O7 (পটাশিয়াম ডাইক্রোমেট) ও গাঢ় H2SO4 (সালফিউরিক অ্যাসিড)-এর মিশ্রণ এক্ষেত্রে বহুল ব্যবহৃত একটি শক্তিশালী পরিষ্কারক দ্রবণ।

এই মিশ্রণ ব্যবহারের কারণ 🤔:

  • তীব্র জারক (Strong Oxidizing Agent): K2Cr2O7 একটি শক্তিশালী জারক পদার্থ। এটি জৈব যৌগ (যেমন: গ্রিজ, তেল) গুলোকে জারিত করে দ্রবণীয় করে তোলে।
  • ডিহাইড্রেশন (Dehydration): গাঢ় H2SO4 একটি শক্তিশালী ডিহাইড্রেটিং এজেন্ট। এটি পানি শোষণ করে এবং জৈব পদার্থের কার্বনাইজেশনে সাহায্য করে, যা K2Cr2O7-এর জারণ ক্ষমতা বাড়ায়।💧
  • দ্রবণীয়তা বৃদ্ধি (Solubility Enhancement): জারনের ফলে সৃষ্ট যৌগগুলো সালফিউরিক অ্যাসিডের দ্রবণে সহজে দ্রবীভূত হয়ে যায়, যা দেয়াল থেকে অপসারিত হতে সাহায্য করে।

কার্যপ্রণালী ⚙️:

  1. মিশ্রণ তৈরি: প্রথমে K2Cr2O7 এবং গাঢ় H2SO4 ধীরে ধীরে মেশাতে হয়। এটি একটি তাপমোচী প্রক্রিয়া (Exothermic process), তাই ধীরে ধীরে এবং ঠান্ডা অবস্থায় মেশানো উচিত।🔥
  2. ব্যুরেটে প্রবেশ করানো: মিশ্রণটি ধীরে ধীরে ব্যুরেটের মধ্যে ঢালা হয় এবং পুরো ভেতরের দেয়াল ভালোভাবে ভিজিয়ে দিতে হয়।
  3. সময়: তৈলাক্ততার মাত্রার উপর নির্ভর করে কয়েক মিনিট থেকে কয়েক ঘণ্টা পর্যন্ত মিশ্রণটি ব্যুরেটের মধ্যে রাখতে হয়।⏳
  4. ধৌতকরণ: পরিষ্কারক দ্রবণটি সরিয়ে নিয়ে ব্যুরেটকে প্রথমে কলের জল দিয়ে এবং পরে ডিস্টিল্ড ওয়াটার দিয়ে খুব ভালোভাবে ধুয়ে নিতে হয়, যতক্ষণ না অ্যাসিডের সমস্ত চিহ্ন দূর হয়।🚿

সতর্কতা ⚠️:

  • K2Cr2O7 এবং গাঢ় H2SO4 উভয়ই ক্ষতিকর এবং এদের সংস্পর্শে ত্বক ও চোখের মারাত্মক ক্ষতি হতে পারে।
  • কাজ করার সময় অবশ্যই নিরাপত্তা চশমা, হ্যান্ড গ্লাভস এবং ল্যাব কোট পরিধান করতে হবে। 🥽🧤
  • মিশ্রণ তৈরির সময় ধীরে ধীরে অ্যাসিড যোগ করুন এবং তাপ উৎপন্ন হলে ঠান্ডা করুন।
  • ভালো ভেন্টিলেশন আছে এমন স্থানে কাজ করুন, কারণ এই মিশ্রণ থেকে ক্ষতিকর গ্যাস নির্গত হতে পারে।💨
  • ব্যবহারের পর অবशिष्ट দ্রবণ নিরাপদে নিষ্কাশন করুন।

বিকল্প পরিষ্কারক দ্রবণ 🧪:

K2Cr2O7 ও গাঢ় H2SO4 এর পরিবর্তে অন্যান্য বিকল্প পরিষ্কারক দ্রবণ ব্যবহার করা যেতে পারে, যা তুলনামূলকভাবে কম ক্ষতিকর:

  • সোডিয়াম হাইড্রোক্সাইড দ্রবণ (NaOH)
  • ডিওনাইজড ওয়াটার ও বিশেষ ডিটারজেন্ট

সংক্ষিপ্তসার 📝:

বৈশিষ্ট্য K2Cr2O7 ও গাঢ় H2SO4 মিশ্রণ
কার্যকারিতা উচ্চ (grimes/ তৈলাক্ত পদার্থ অপসারণে অত্যন্ত কার্যকরী) ✅
ঝুঁকি উচ্চ (ক্ষতিকর এবং পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর) ❌
ব্যবহারের সতর্কতা প্রয়োজনীয় (সুরক্ষার সরঞ্জাম এবং সঠিক পদ্ধতি অনুসরণ করতে হয়) ❗