টিউটোরিয়াল / গাইডলাইন অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ ডাউনলোড
Google Play
GET IT ON Google Play
StudyClub - স্মার্ট স্টাডি প্ল্যাটফর্ম
মেনু
Self Tracker
Messenger
Question Bank
Study User Report
Session Report
To do list Report
Study Leaderboard
Screen Time Leaderboard
Public Dashboard
Quiz Creator
Quiz Leaderboard
হোম
Profile
About
Tutorials
থিম নির্বাচন

আপনার পছন্দের থিম বেছে নিন।

নিচের কোনটির রক্ত আমিষ নয়-

A. অ্যালবুমিন
B. গ্লোবিউলিন
C. ফিব্রিনোজেন
D. জ্যানাথিন
সঠিক উত্তরঃ D. জ্যানাথিন
Another Explanation (5): প্রশ্নের উত্তরে বলা হয়েছে, "নিচের কোনটির রক্ত আমিষ নয়" এবং উত্তর দেওয়া হয়েছে **"জ্যানাথিন"**। এখন এর উপযুক্ত ব্যাখ্যা নিচে দেওয়া হলো: **জ্যানাথিন** একটি প্রাকৃতিক প্রোটিন বা অ্যানিমাল originating substance নয়। এটি মূলতঃ একটি স্লোগান বা শব্দ, যা কোনও রক্ত বা রক্ত আমিষের অংশ নয়। অন্যদিকে, অনেকগুলি রক্ত আমিষ যেমন **হিমোগ্লোবিন**, **ইরিথ্রোপ্রোইন**, **ফেরিটিন** এগুলি প্রকৃতপক্ষে রক্তের মধ্যে উপস্থিত থাকে এবং রক্ত আমিষ হিসেবে বিবেচিত হয়। অতএব, **"জ্যানাথিন"** এর ক্ষেত্রে: - এটি কোনও প্রকৃত রক্ত আমিষ নয়। - এটি সম্ভবতঃ একটি কল্পিত বা অপ্রকাশ্য শব্দ বা নাম, যা রক্তের উপাদান হিসেবে বিবেচিত নয়। **সারসংক্ষেপ:** | নাম | রক্ত আমিষ? | বিস্তারিত | |--------------|--------------|--------------------------------------------| | জ্যানাথিন | নয় | এটি কোনও প্রকৃত রক্ত আমিষ নয়, বরং সম্ভবত: একটি অপ্রকাশ্য বা কাল্পনিক নাম। | | হিমোগ্লোবিন | হ্যাঁ | রক্তের মূল আমিষ, অক্সিজেন পরিবহণ করে। | | ফেরিটিন | হ্যাঁ | শরীরে আয়রনের সংরক্ষণকারী রক্ত আমিষ। | **উপসংহার:** অতএব, **"জ্যানাথিন"** রক্ত আমিষ নয় বলে বিবেচিত হয়।
Option A Explanation: অ্যালবুমিনের ব্যাখ্যা

অ্যালবুমিনের ব্যাখ্যা

  • প্রকার: সরল প্রোটিন
  • উৎপত্তি: প্রধানত লোহিত রক্তের প্লাজমা এবং অন্যান্য শরীরের তরলে পাওয়া যায়।
  • গঠন: সাধারণত একক অণু গঠিত, যার মধ্যে কোনও জটিল যৌগ বা কার্বোহাইড্রেটের সংযোজন নেই।
  • গুণ: জলবিহীন, জল দ্রবণীয় এবং শরীরের জলবায়ু নিয়ন্ত্রণে সহায়ক।
  • উপকারিতা: অ্যালবুমিন শরীরের পানির মাত্রা বজায় রাখতে সাহায্য করে এবং বিভিন্ন পুষ্টি লঙ্ঘন নির্ণয়ে গুরুত্বপূর্ণ।
Option B Explanation:
  • গ্লোবিউলিন: গ্লোবিউলিন হলো একটি প্রোটিনের শ্রেণী যা রক্তে পাওয়া যায়। এটি প্রধানত ইমিউন সিস্টেমে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
  • ইমিউন সিস্টেমে ভূমিকা: গ্লোবিউলিন বিশেষ করে অ্যান্টিবডি বা এন্টিবডির একটি বৃহৎ অংশ, যা শরীরের রোগপ্রতিরোধে কাজ করে। এটি ব্যাকটেরিয়া, ভাইরাস এবং অন্যান্য অজানা উপাদানের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোলে।
  • প্রকারভেদ: গ্লোবিউলিন বিভিন্ন ধরনের হয়ে থাকে, যেমন অ্যালফা, বিটা, এবং গ্যামা গ্লোবিউলিন। গ্যামা গ্লোবিউলিনই মূলত ইমিউন সিস্টেমের প্রধান অংশ।
  • গ্লোবিউলিনের উপকারিতা: এটি শরীরের প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়, অ্যান্টিজেনের সাথে লড়াই করে, এবং শরীরের সুস্থ্যতা রক্ষা করে।
Option C Explanation:
  • ফিব্রিনোজেন: এটি একটি প্রোটিন যা রক্তের জমাট বাঁধার প্রক্রিয়ায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এটি লিভার দ্বারা উৎপন্ন হয় এবং রক্তের মধ্যে অপ্রতিবন্ধক অবস্থায় থাকে। যখন রক্ত জমাট বাঁধার প্রয়োজন হয়, তখন ফিব্রিনোজেন ফিব্রিনে রূপান্তরিত হয়, যা রক্তের জমাট তৈরি করতে সাহায্য করে।
Option D Explanation:
  1. জ্যানাথিন: এটি একটি প্রোটিন নয়, বরং একটি রাসায়নিক পদার্থ যা সাধারণত জৈবিক প্রক্রিয়ায় ব্যবহৃত হয়। এটি মূলত অণু বা প্রোটিনের অংশ নয়, তাই এটি রক্তে আমিষ হিসেবে গণ্য হয় না।