লগইন করুন
আমাদের ওয়েবসাইটের সকল সুবিধা পেতে লগইন করুন
আপনার পছন্দের থিম বেছে নিন।
মৃত্যুপর্ব শুরুর মুহুর্তে যদি কোনো তারকার ভর 1.4M0 এর বেশি থাকে, তবে কোনোভাবেই এটি শ্বেত বামন হতে পারবে না। ভরের এই সীমাকে বলা হয় --
চন্দ্রশেখর সীমা

কোনো তারার জীবনচক্রের শেষ পরিণতি কী হবে, তা নির্ভর করে তার ভরের উপর। যদি নক্ষত্রের ভর 1.4M☉ (সৌর ভর)-এর বেশি হয়, তাহলে সেটি শ্বেত বামন (White Dwarf) হতে পারে না। এই ভরের সর্বোচ্চ সীমাকেই চন্দ্রশেখর সীমা বলা হয়।
চন্দ্রশেখর সীমা হলো সেই সর্বোচ্চ ভর, যা কোনো শ্বেত বামন তারা তার নিজস্ব মাধ্যাকর্ষণ বলের বিরুদ্ধে ধরে রাখতে পারে। এই সীমা ভারতীয় বংশোদ্ভূত মার্কিন জ্যোতির্পদার্থবিদ সুব্রাহ্মণ্যন চন্দ্রশেখর আবিষ্কার করেন।
এই সীমা গুরুত্বপূর্ণ, কারণ এটি নির্ধারণ করে দেয় একটি নক্ষত্রের ভবিষ্যৎ পরিণতি।
শ্বেত বামন তারাদের মধ্যে ইলেকট্রন ডি generacy pressure কাজ করে, যা তারাকে চুপসে যাওয়া থেকে বাঁচায়। কিন্তু যখন ভর চন্দ্রশেখর সীমা অতিক্রম করে, তখন এই চাপ আর মাধ্যাকর্ষণ বলের সাথে পেরে ওঠে না।
| ভর (সৌর ভরের সাপেক্ষে) | সম্ভাব্য পরিণতি | বৈশিষ্ট্য |
|---|---|---|
| < 1.44 M☉ | শ্বেত বামন (White Dwarf) | ছোট, ঘন এবং ধীরে ধীরে শীতল হতে থাকে 🧊 |
| 1.44 - 3 M☉ | নিউট্রন তারা (Neutron Star) | অত্যন্ত ঘন, দ্রুত ঘূর্ণায়মান এবং শক্তিশালী চৌম্বক ক্ষেত্রযুক্ত 🧲 |
| > 3 M☉ | কৃষ্ণগহ্বর (Black Hole) | মহাকর্ষীয় টান এত বেশি যে আলোও পালাতে পারে না ⚫ |
সুব্রাহ্মণ্যন চন্দ্রশেখর ছিলেন একজন প্রতিভাবান জ্যোতির্পদার্থবিদ। এই গুরুত্বপূর্ণ আবিষ্কারের জন্য ১৯৮৩ সালে তিনি পদার্থবিদ্যায় নোবেল পুরস্কার পান।
তিনি প্রমাণ করেন যে, কোনো নক্ষত্রের ভর ১.৪৪ সৌর ভরের বেশি হলে তা আর শ্বেত বামন থাকতে পারে না। এটি হয় নিউট্রন তারা অথবা কৃষ্ণগহ্বরে পরিণত হবে।
আশা করি চন্দ্রশেখর সীমা সম্পর্কে আপনার ধারণা স্পষ্ট হয়েছে! 😊
```