টিউটোরিয়াল / গাইডলাইন অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ ডাউনলোড
Google Play
GET IT ON Google Play
StudyClub - স্মার্ট স্টাডি প্ল্যাটফর্ম - Study Tracker - App Blocker - Reading Room
মেনু
Self Tracker
Messenger
Question Bank
Study User Report
Session Report
To do list Report
Study Leaderboard
Screen Time Leaderboard
Public Dashboard
Quiz Creator
Quiz Leaderboard
হোম
Profile
About
Tutorials
থিম নির্বাচন

আপনার পছন্দের থিম বেছে নিন।

বাংলাদেশ WTO-এর সদস্য পদ লাভ করে কত সালে?

A. 1992
B. 1993
C. 1994
D. 1995
সঠিক উত্তরঃ D. 1995
Explanation:

Another Explanation (5):

বাংলাদেশ ও বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থা (WTO)

বাংলাদেশ ১৯৯৫ সালে বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার (World Trade Organization - WTO) সদস্যপদ লাভ করে। 🥳 এই সদস্যপদ বাংলাদেশের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলে।

WTO সদস্যপদের পটভূমি

  • WTO একটি আন্তর্জাতিক সংস্থা যা বিভিন্ন দেশের মধ্যে বাণিজ্যের নিয়মাবলী তৈরি করে। 🤝
  • এটি মূলত General Agreement on Tariffs and Trade (GATT)-এর উত্তরসূরি।
  • বাংলাদেশের মতো উন্নয়নশীল দেশগুলোর জন্য WTO একটি গুরুত্বপূর্ণ প্ল্যাটফর্ম, যেখানে তারা উন্নত দেশগুলোর সাথে বাণিজ্য আলোচনা করতে পারে। 🗣️

সদস্যপদ লাভের প্রক্রিয়া

  1. বাংলাদেশ ১৯৯৪ সালে WTO-এর সদস্য হওয়ার জন্য আবেদন করে।
  2. এরপর WTO-এর বিভিন্ন কমিটি বাংলাদেশের অর্থনীতি ও বাণিজ্য নীতি পর্যালোচনা করে। 🤔
  3. চূড়ান্ত অনুমোদনের পর বাংলাদেশ ১ জানুয়ারি, ১৯৯৫ সালে WTO-এর সদস্যপদ লাভ করে। 🎉

WTO সদস্যপদের সুবিধা

  • বিভিন্ন দেশে বাণিজ্য করার সুযোগ বৃদ্ধি। 📈
  • বৈদেশিক বিনিয়োগ আকর্ষণ করা সহজ হয়। 💰
  • আন্তর্জাতিক বাণিজ্য আইন অনুযায়ী সুরক্ষা পাওয়া যায়। 🛡️
  • উন্নত দেশগুলোর বাজারে শুল্কমুক্ত প্রবেশাধিকার পাওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়। 🤩
  • dispute settlement mechanism এর মাধ্যমে বাণিজ্যিক বিরোধ নিষ্পত্তি করা যায়।⚖️

WTO সদস্যপদের অসুবিধা

  • দেশীয় শিল্পের উপর বিদেশী প্রতিযোগিতার চাপ বাড়ে। 😥
  • অনেক সময় উন্নয়নশীল দেশগুলোর জন্য উন্নত দেশগুলোর সাথে সমান তালে প্রতিযোগিতা করা কঠিন হয়ে পড়ে। 😓
  • মেধাস্বত্ব (intellectual property rights) সংক্রান্ত বিষয়ে কিছু বাধ্যবাধকতা থাকে। 🧐

বাংলাদেশের অর্থনীতিতে WTO-এর প্রভাব

WTO-এর সদস্য হওয়ার পর থেকে বাংলাদেশের অর্থনীতিতে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন এসেছে। তৈরি পোশাক শিল্প, কৃষি এবং অন্যান্য শিল্পখাতে এর প্রভাব লক্ষ্য করা যায়। 🥰

খাত ইতিবাচক প্রভাব কিছু চ্যালেঞ্জ
তৈরি পোশাক শিল্প রপ্তানি বৃদ্ধি, নতুন বাজার সৃষ্টি। 👚 শ্রমিক অধিকার, কম মজুরি। 😔
কৃষি নতুন প্রযুক্তি ব্যবহারের সুযোগ, উৎপাদন বৃদ্ধি। 🌾 ভর্তুকি হ্রাস, আন্তর্জাতিক বাজারের সাথে প্রতিযোগিতা। 🚜
অন্যান্য শিল্প বৈদেশিক বিনিয়োগ, আধুনিকীকরণ। 🏭 দেশীয় শিল্পের সুরক্ষা, প্রতিযোগিতা সক্ষমতা বৃদ্ধি। 💪

গুরুত্বপূর্ণ বিষয়

  • স্বল্পোন্নত দেশ হিসেবে বাংলাদেশ WTO থেকে কিছু বিশেষ সুবিধা পেয়ে থাকে। 🎁
  • বাণিজ্য আলোচনা এবং দর কষাকষির মাধ্যমে নিজেদের স্বার্থ রক্ষা করতে হয়। 🤝
  • বাংলাদেশের উচিত WTO-এর নিয়ম-কানুন সম্পর্কে ভালোভাবে জানা এবং সেই অনুযায়ী নিজেদের বাণিজ্য নীতি তৈরি করা। 🤓

আশা করি এই তথ্যগুলো আপনার কাজে লাগবে। 👍