লগইন করুন
আমাদের ওয়েবসাইটের সকল সুবিধা পেতে লগইন করুন
আপনার পছন্দের থিম বেছে নিন।

আলো এক প্রকার তড়িৎচুম্বকীয় তরঙ্গ। এই তরঙ্গের একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য হলো তরঙ্গদৈর্ঘ্য (Wavelength)। আলোর রঙ মূলত তার তরঙ্গদৈর্ঘ্যের উপর নির্ভর করে। দৃশ্যমান আলোকরশ্মির মধ্যে বিভিন্ন রঙের আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্য ভিন্ন ভিন্ন হয়ে থাকে।
দৃশ্যমান আলোকরশ্মির তরঙ্গদৈর্ঘ্য সাধারণত 400 ন্যানোমিটার (nm) থেকে 700 ন্যানোমিটার পর্যন্ত হয়ে থাকে। নিচে বিভিন্ন রঙের আলোর appx তরঙ্গদৈর্ঘ্য দেওয়া হলো:
উপরের তালিকা থেকে স্পষ্টতই দেখা যাচ্ছে যে, বেগুনী আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্য (380-450 nm) অন্যান্য রঙের আলোর তুলনায় কম। লাল আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্য সবচেয়ে বেশি। যেহেতু প্রশ্নটিতে জানতে চাওয়া হয়েছে কোন আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্য অপেক্ষাকৃত কম, তাই উত্তর হবে "বেগুনী"।
আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্য যত কম, তার শক্তি তত বেশি। বেগুনী আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্য কম হওয়ার কারণে এর শক্তি লাল আলোর চেয়ে বেশি। এই কারণে অতিবেগুনী রশ্মি (Ultraviolet ray) আমাদের ত্বকের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে।
| আলোর রঙ | তরঙ্গদৈর্ঘ্য (ন্যানোমিটার) | বৈশিষ্ট্য |
|---|---|---|
| বেগুনী 💜 | 380-450 | সবচেয়ে কম তরঙ্গদৈর্ঘ্য, উচ্চ শক্তি সম্পন্ন |
| লাল ❤️ | 620-750 | সবচেয়ে বেশি তরঙ্গদৈর্ঘ্য, কম শক্তি সম্পন্ন |
আশা করি, এই ব্যাখ্যা থেকে আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্য এবং বেগুনী আলোর বৈশিষ্ট্য সম্পর্কে একটি স্পষ্ট ধারণা পাওয়া গেছে। 💡
আরও জানতে ভিজিট করুন: উইকিপিডিয়া
ধন্যবাদ! 🙏