লগইন করুন
আমাদের ওয়েবসাইটের সকল সুবিধা পেতে লগইন করুন
আপনার পছন্দের থিম বেছে নিন।

কাজী নজরুল ইসলাম বিংশ শতাব্দীর বাংলা সাহিত্যের এক উজ্জ্বল নক্ষত্র। তিনি একাধারে কবি, সঙ্গীতজ্ঞ, ঔপন্যাসিক, গল্পকার, নাট্যকার, প্রাবন্ধিক, সাংবাদিক, চলচ্চিত্রকার, সঙ্গীত পরিচালক ও অভিনেতা। তাঁর সাহিত্যকর্মে বিদ্রোহী চেতনা, মানবতাবাদ এবং দেশপ্রেমের বলিষ্ঠ প্রকাশ ঘটেছে। 'বিষের বাঁশী' কাজী নজরুল ইসলামের একটি উল্লেখযোগ্য কাব্যগ্রন্থ।
১৯২২ খ্রিষ্টাব্দে নজরুল কারাবন্দী থাকাকালীন এই কাব্যগ্রন্থের কবিতাগুলো রচনা করেন। ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক শাসনের বিরুদ্ধে কবির তীব্র ঘৃণা এবং দেশের মানুষের মুক্তির আকাঙ্ক্ষা এই গ্রন্থের মূল সুর।
"লাথি মার, ভাঙরে তালা!
যত সব বন্দীশালা-আগুন জ্বালা, আগুন জ্বালা!"
| বৈশিষ্ট্য | ব্যাখ্যা |
|---|---|
| ভাষা ও ছন্দ | কাজী নজরুল ইসলাম তাঁর কবিতায় নিজস্ব একটি ভাষা ও ছন্দ ব্যবহার করেছেন, যা সহজেই পাঠকের মন জয় করে। ✍️ |
| অলংকার | উপমা, উৎপ্রেক্ষা, রূপকসহ বিভিন্ন অলংকারের ব্যবহার কাব্যটিকে আরও আকর্ষণীয় করে তুলেছে।✨ |
| বিষয়বস্তু | সময়োপযোগী এবং গণমানুষের কথা বলা হয়েছে।🗣️ |
‘বিষের বাঁশী’ কাব্যগ্রন্থটি তৎকালীন সময়ে ভারতীয় যুবকদের মধ্যে দেশপ্রেমের চেতনা জাগাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। এই গ্রন্থটি ব্রিটিশ শাসকদের ভিত কাঁপিয়ে দিয়েছিল।
‘বিষের বাঁশী’ কাজী নজরুল ইসলামের এক অমর সৃষ্টি। এই কাব্যগ্রন্থটি শুধুমাত্র একটি সাহিত্যকর্ম নয়, এটি পরাধীনতার বিরুদ্ধে এক বলিষ্ঠ প্রতিবাদ।🔥 এটি আজও সকল যুগে শোষিত ও বঞ্চিত মানুষের মুক্তির অনুপ্রেরণা। 💪
তথ্যসূত্র:
আরও জানতে: কাজী নজরুল ইসলাম (উইকিপিডিয়া)