লগইন করুন
আমাদের ওয়েবসাইটের সকল সুবিধা পেতে লগইন করুন
আপনার পছন্দের থিম বেছে নিন।
ল্যামার্ক বাদের মূল বিষয়বস্তু কোনটি?
অর্জিত সকল বৈশিষ্ট্যই বংশানুসরণযোগ্য

ল্যামার্কবাদ, যা "অর্জিত বৈশিষ্ট্যের বংশানুসরণ" নামে পরিচিত, উনিশ শতকের প্রথম দিকে জীববিজ্ঞানী জ্যাঁ-বাপ্তিস্ত লামার্ক প্রস্তাবিত বিবর্তন তত্ত্ব। এই তত্ত্বের মূল বিষয়বস্তু হলো জীব তার জীবনকালে অর্জিত বৈশিষ্ট্য পরবর্তী প্রজন্মে স্থানান্তরিত করতে পারে।
লামার্কের বিখ্যাত উদাহরণ হলো জিরাফের গলা। তার মতে, জিরাফ আগে ছোট গলার ছিল। উঁচু গাছের পাতা খাওয়ার চেষ্টায় ক্রমাগত গলা ব্যবহার করার ফলে ধীরে ধীরে তাদের গলা লম্বা হয়েছে এবং এই অর্জিত বৈশিষ্ট্য বংশানুক্রমে জিরাফের বংশধরেরা পেয়েছে।
আধুনিক বিজ্ঞান ল্যামার্কবাদের মূল ধারণাকে ভুল প্রমাণ করেছে। অর্জিত বৈশিষ্ট্য বংশানুসরণ করে না। বংশগতির মূল ভিত্তি হলো জিন এবং শুধুমাত্র জননকোষের (Reproductive cell) জিনের পরিবর্তনই বংশ পরম্পরায় স্থানান্তরিত হতে পারে। দৈহিক কোষের (Somatic cell) পরিবর্তন নয়।
ভাইসম্যানের পরীক্ষা (Weismann's experiment) ল্যামার্কবাদের বিপক্ষে যায়। তিনি ইঁদুরের লেজ কেটে কয়েক প্রজন্ম ধরে প্রজনন করান, কিন্তু কোনো ইঁদুরই লেজবিহীন জন্ম নেয়নি।
| বিষয় | বর্ণনা |
|---|---|
| মূল ধারণা | অর্জিত বৈশিষ্ট্য বংশানুসরণযোগ্য। |
| গুরুত্বপূর্ণ দিক | ব্যবহার ও অব্যবহারের প্রভাব। |
| আধুনিক বিজ্ঞান | ভুল প্রমাণিত। জিনগত পরিবর্তনই বংশগতির ভিত্তি। |
যদিও ল্যামার্কবাদ বর্তমানে পরিত্যক্ত, তবে বিবর্তন তত্ত্বের প্রাথমিক বিকাশে এর অবদান অনস্বীকার্য। 👍
আরও জানতে ভিজিট করুন: উইকিপিডিয়া 📚
আশা করি, ল্যামার্কবাদ সম্পর্কে একটি স্পষ্ট ধারণা পেয়েছেন। 😊