টিউটোরিয়াল / গাইডলাইন অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ ডাউনলোড
Google Play
GET IT ON Google Play
StudyClub - স্মার্ট স্টাডি প্ল্যাটফর্ম
মেনু
Self Tracker
Messenger
Question Bank
Study User Report
Session Report
To do list Report
Study Leaderboard
Screen Time Leaderboard
Public Dashboard
Quiz Creator
Quiz Leaderboard
হোম
Profile
About
Tutorials
থিম নির্বাচন

আপনার পছন্দের থিম বেছে নিন।

সাইটোপ্লাজম পৃথকীকরণের মাধ্যমে দুটি কোষ সৃষ্টির প্রক্রিয়াকে কী বলে?

A. সাইটোকাইনেসিস
B. ক্যারিওকাইনে???িস
C. অ্যামাইটোসিস
D. গ্যামিটোজেনেসিস
সঠিক উত্তরঃ A. সাইটোকাইনেসিস
Explanation:

Another Explanation (5):

সাইটোকাইনেসিস: কোষ বিভাজনের শেষ ধাপ 🧬

সাইটোকাইনেসিস হলো কোষ বিভ??জনের (Cell division) একটি অত্যাবশ্যকীয় প্রক্রিয়া। এটি মূলত ইউক্যারিওটিক কোষ বিভাজনের (Eukaryotic cell division) শেষ পর্যায়ে ঘটে। এই প্রক্রিয়ার মাধ্যমে একটি মাতৃকোষের (Mother cell) সাইটোপ্লাজম (Cytoplasm) দুটি অপত্য কোষে (Daughter cells) বিভক্ত হয়ে যায়। মাইটোসিস (Mitosis) বা মিয়োসিসের (Meiosis) পর সাইটোকাইনেসিস সংঘটিত হয় এবং দুটি জেনেটিকভাবে অভিন্ন অথবা ভিন্ন কোষ তৈরি হয়।

সাইটোকাইনেসিসের মূল বৈশিষ্ট্যসমূহ 🎯:

  • শারীরিক বিভাজন: সাইটোকাইনেসিসের প্রধান কাজ হলো মাতৃকোষের সাইটোপ্লাজমকে দুটি স্বতন্ত্র কোষে ভাগ করা।
  • সময়কাল: এটি সাধারণত মাইটোসিস বা মিয়োসিসের একেবারে শেষ পর্যায়ে শুরু হয়।
  • পদ্ধতি ভিন্নতা: সাইটোকাইনেসিসের পদ্ধতি উদ্ভিদকোষ (Plant cell) ও প্রাণীকোষে (Animal cell) ভিন্ন ভিন্ন হয়ে থাকে।
  • গুরুত্ব: সঠিক সাইটোকাইনেসিস কোষ বিভাজনের জন্য অত্যন্ত জরুরি। ত্রুটিপূর্ণ সাইটোকাইনেসিসের কারণে কোষে ক্রোমোসোমের (Chromosome) সংখ্যা ভুল হতে পারে, যা ক্যান্সার (Cancer) সহ বিভিন্ন রোগের কারণ হতে পারে।

উদ্ভিদকোষ ও প্রাণীকোষে সাইটোকাইনেসিসের পার্থক্য 🌿 🐾 :

বৈশিষ্ট্য উদ্ভিদকোষ (Plant Cell) প্রাণীকোষ (Animal Cell)
বিভাজন পদ্ধতি কোষ প্লেট (Cell plate) তৈরির মাধ্যমে ভেতরের দিক থেকে বাইরের দিকে বিভাজন ঘটে। 🧱 ক্লিভেজ ফারো (Cleavage furrow) বা খাঁজ সৃষ্টির মাধ্যমে বাইরের দিক থেকে ভেতরের দিকে বিভাজন ঘটে। 🔪
কোষ প্রাচীর কোষ প্লেট পরবর্তীতে কোষ প্রাচীর (Cell wall) গঠন করে। 🌳 কোষ প্রাচীর গঠিত হয় না। ঝিল্লি সংকুচিত হয়ে দুটি কোষ তৈরি করে। 🧬
অংশগ্রহণকারী অঙ্গাণু গলগি বডি (Golgi body), এন্ডোপ্লাজমিক রেটিকুলাম (Endoplasmic reticulum) ইত্যাদি। 📦 অ্যাক্টিন (Actin) ও মায়োসিন (Myosin) ফিলামেন্ট। 💪

সাইটোকাইনেসিসের ধাপ 👣:

  1. সংকোচন বলয় গঠন (Formation of Contractile Ring): প্রাণীকোষে অ্যাক্টিন ও মায়োসিন ফিলামেন্ট কোষের বিষুবরেখা বরাবর একটি বলয় তৈরি করে।
  2. কোষ প্লেট গঠন (Cell Plate Formation): উদ্ভিদকোষে গলগি বডি থেকে আসা ছোট ছোট ভেসিকল (Vesicle) কোষের কেন্দ্রে জমা হয়ে কোষ প্লেট তৈরি করে।
  3. সাইটোপ্লাজমের বিভাজন (Cytoplasmic Division): সংকোচন বলয় ধীরে ধীরে সংকুচিত হয়ে কোষটিকে দুটি ভাগে ভাগ করে দেয়। উদ্ভিদকোষে কোষ প্লেট ধীরে ধীরে বড় হয়ে কোষ প্রাচীর গঠন করে এবং কোষ দুটি আলাদা হয়ে যায়।
  4. নতুন কোষের সৃষ্টি (Formation of New Cells): অবশেষে দুটি অপত্য কোষ তৈরি হয়, যাদের নিজস্ব সাইটোপ্লাজম, অঙ্গাণু (Organelle) এবং জেনেটিক উপাদান থাকে। 🎉

সাইটোকাইনেসিসের গুরুত্ব 🌟:

  • কোষের সঠিক সংখ্যা নিশ্চিত করে।
  • বহুকোষী জীবের বৃদ্ধি ও বিকাশে সাহায্য করে।
  • ক্ষতিগ্রস্ত কোষ প্রতিস্থাপনে সাহায্য করে।
  • প্রজনন (Reproduction) প্রক্রিয়ায় অপরিহার্য।

সাইটোকাইনেসিস কোষ বিভাজনের একটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ। এই প্রক্রিয়ার মাধ্যমেই একটি কোষ থেকে দুটি নতুন কোষের সৃষ্টি হয়। সুতরাং, জীবজগতের ধারাবাহিকতা রক্ষার জন্য সাইটোকাইনেসিসের গুরুত্ব অপরিহার্য। 👍