টিউটোরিয়াল / গাইডলাইন অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ ডাউনলোড
Google Play
GET IT ON Google Play
StudyClub - স্মার্ট স্টাডি প্ল্যাটফর্ম - Study Tracker - App Blocker - Reading Room
মেনু
Self Tracker
Messenger
Question Bank
Study User Report
Session Report
To do list Report
Study Leaderboard
Screen Time Leaderboard
Public Dashboard
Quiz Creator
Quiz Leaderboard
হোম
Profile
About
Tutorials
থিম নির্বাচন

আপনার পছন্দের থিম বেছে নিন।

শীর্ষ ভাজক কলায় যে কোষ বিভাজন হয় তার নাম কি?

A. অ্যামাইটোসিস
B. মাইটোসিস
C. মেয়োসিস-১
D. মেয়োসিস-২
E. ডায়াকাইনেসিস
সঠিক উত্তরঃ B. মাইটোসিস
Explanation:

Another Explanation (5):

শীর্ষ ভাজক কলায় কোষ বিভাজন: মাইটোসিস 🔬

শীর্ষ ভাজক কলা উদ্ভিদের বর্ধনশীল অঞ্চলের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। এই কলার কোষগুলো অনবরত বিভাজিত হয়ে উদ্ভিদের বৃদ্ধি ঘটায়। এখানে যে কোষ বিভাজনটি ঘটে, সেটি হলো মাইটোসিস।

মাইটোসিস কেন গুরুত্বপূর্ণ? 🤔

  • বৃদ্ধি: মাইটোসিস উদ্ভিদের দৈর্ঘ্য এবং পরিধি বৃদ্ধি করে। 🌱
  • ক্ষয়পূরণ: ক্ষতিগ্রস্ত কোষের প্রতিস্থাপন এবং ক্ষত নিরাময়ে সাহায্য করে। 🩹
  • অঙ্গ সৃষ্টি: নতুন পাতা, ফুল এবং অন্যান্য অঙ্গ তৈরিতে ভূমিকা রাখে। 🌷
  • বংশবৃদ্ধি নয়: এটি অযৌন জনন প্রক্রিয়ায় বংশবৃদ্ধিতে সরাসরি জড়িত নয়।

মাইটোসিস: পর্যায়সমূহ ➿

মাইটোসিস একটি ধারাবাহিক প্রক্রিয়া, যা প্রধানত কয়েকটি পর্যায়ে বিভক্ত:

  1. প্রোফেজ: ক্রোমোসোম দৃশ্যমান হয় এবং নিউক্লিয়ার ঝিল্লি ভেঙে যায়।
  2. মেটাফেজ: ক্রোমোসোমগুলো কোষের কেন্দ্রে সারিবদ্ধ হয়।
  3. অ্যানাফেজ: ক্রোমাটিডগুলো আলাদা হয়ে কোষের দুই প্রান্তে চলে যায়।
  4. টেলোফেজ: নতুন নিউক্লিয়ার ঝিল্লি গঠিত হয় এবং কোষ দুটি ভাগে বিভক্ত হতে শুরু করে।
  5. সাইটোকিনেসিস: এটি কোষ বিভাজনের শেষ পর্যায়, যেখানে সাইটোপ্লাজম দুটি অংশে বিভক্ত হয়ে দুটি নতুন কোষ সৃষ্টি করে।

মাইটোসিস বনাম মিয়োসিস 🆚

বৈশিষ্ট্য মাইটোসিস মিয়োসিস
উদ্দেশ্য বৃদ্ধি এবং ক্ষয়পূরণ গ্যামেট উৎপাদন (জনন কোষ)
কোষ বিভাজন ১ বার ২ বার
ক্রোমোসোম সংখ্যা অপরিবর্তিত থাকে অর্ধেক হয়ে যায়
নতুন কোষ ২ টি ৪ টি

মাইটোসিস একটি অত্যাবশ্যকীয় প্রক্রিয়া যা উদ্ভিদের জীবনচক্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। ✨

আরও জানতে বিভিন্ন শিক্ষামূলক ওয়েবসাইট ও জীববিজ্ঞান বইয়ের সাহায্য নিতে পারো। 📚

Option A Explanation:
  • অ্যামাইটোসিস হলো একটি কোষের বিভাজনের প্রক্রিয়া যেখানে নিউক্লিয়াসের বিভাজন ঘটে, কিন্তু সেলুলার অঙ্গপ্রত্যঙ্গের বিভাজন হয় না।
  • এটি মূলতঃ কোষের নিউক্লিয়াসের ডিএনএ কপি করে নতুন নিউক্লিয়াস গঠন করে, যা সাধারণতঃ কোষের বৃদ্ধি, মেরামত বা পুনঃপ্রজননের জন্য হয়।
  • অ্যামাইটোসিসের ফলে দুটি identical নিউক্লিয়াস সৃষ্টি হয়, যা মূল কোষের জিনগত তথ্যের অখণ্ডতা বজায় রাখে।
  • এই প্রক্রিয়াটি সাধারণতঃ সহজ, দ্রুত এবং কম জটিল, এবং এটি বিশেষ করে নিউক্লিয়াসের বিভাজনের জন্য গুরুত্বপূর্ণ।
Option B Explanation:
  • মাইটোসিস: এটি একটি কোষের বিভাজনের প্রক্রিয়া, যেখানে একটি মূল কোষ থেকে দুটি ডিএনএ সমানভাবে বিভক্ত হয়ে দুইটি নতুন কোষ তৈরি হয়।
  • প্রক্রিয়াটির ধাপসমূহ অন্তর্ভুক্ত: প্রোফেজ, মেটাফেজ, অ্যানাফেজ, টেলোফেজ, এবং সাইটোকাইনেসিস।
  • মাইটোসিস সাধারণত শরীরের কোষের বৃদ্ধির জন্য এবং ক্ষত সারানোর জন্য ঘটে।
  • এই প্রক্রিয়ার মাধ্যমে জেনেটিক উপাদান বা ডিএনএ সমানভাবে বিতরণ হয়, যাতে নতুন কোষগুলো মূল কোষের মতো একই জেনেটিক বৈশিষ্ট্য ধারণ করে।
Option C Explanation:
  • মেয়োসিস-১ হলো কোষ বিভাজনের প্রথম ধাপ যেখানে ডিপ্লোয়েড কক্ষ (২n) হাফ-ডিপ্লোয়েড কক্ষে (n) রূপান্তরিত হয়।
  • এই ধাপে মূলত ক্রোমোসোমের রূপান্তর ঘটে, যেখানে homologous ক্রোমোসোমের জোড়া আলাদা হয়ে যায়।
  • প্রথমে, প্রোফেজ-১-এ homologous ক্রোমোসোমের জোড়া সঙ্গম করে, যা ক্রসওভারের মাধ্যমে জেনেটিক বৈচিত্র্য বৃদ্ধি করে।
  • এটি মূলত জেনেটিক বৈচিত্র্য বৃদ্ধির জন্য গুরুত্বপূর্ণ, কারণ এটি ক্রসওভারের মাধ্যমে জেনেটিক উপাদানের বিনিময় ঘটায়।
  • মেয়োসিস-১ এর ফলে, দুটি ডিপ্লোয়েড কক্ষ তৈরি হয়, যেখানে প্রত্যেকটি কক্ষে homologous ক্রোমোসোমের জোড়া আলাদা হয়ে যায়।
Option D Explanation:
  • মেয়োসিস-২: এটি একটি কোষ বিভাজনের দ্বিতীয় ধাপ যা ডিপ্লোয়েড কক্ষ থেকে হ্যাপ্লোয়েড কক্ষ তৈরি করে।
  • প্রথম ধাপের (মেয়োসিস-১) শেষে, দুইটি হাফ-নিয়ন্ত্রিত কোষ তৈরি হয়।
  • মেয়োসিস-২-এ, এই হাফ-নিয়ন্ত্রিত কোষগুলো বিভাজিত হয়ে চারটি আলাদা হ্যাপ্লোয়েড কোষ তৈরি করে।
  • এটি মূলত গ্যামেট (অভ্যন্তরীণ যৌন কোষ) উৎপাদনের জন্য গুরুত্বপূর্ণ, যেমন শুক্রাণু ও ডিম্বাণু।
  • এই বিভাজন প্রক্রিয়াটি জেনেটিক বৈচিত্র্য বৃদ্ধি করে, কারণ ক্রসওভার এবং অ্যান্ডোডাক্সের মাধ্যমে জেনেটিক রূপান্তর ঘটে।
Option E Explanation:
  • ডায়াকাইনেসিস হলো মাইটোসিসের শেষ ধাপ, যেখানে ক্রোমাটিডগুলো সম্পূর্ণ আলাদা হয়ে যায় এবং নিউক্লিয়াসের চারপাশে গঠন হয় নতুন নিউক্লিয়ার ঝিল্লি।
  • এটি সাধারণত বিভাজনের শেষ পর্যায়ে ঘটে এবং কোষের দুটি নতুন কণিকা তৈরি হয়।
  • ডায়াকাইনেসিসে ক্রোমাটিডগুলো কেন্দ্রীয় অক্ষের চারপাশে সরে আসে এবং নিউক্লিয়ার ঝিল্লি পুনরায় গঠিত হয়।