টিউটোরিয়াল / গাইডলাইন অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ ডাউনলোড
Google Play
GET IT ON Google Play
StudyClub - স্মার্ট স্টাডি প্ল্যাটফর্ম - Study Tracker - App Blocker - Reading Room
মেনু
Self Tracker
Messenger
Question Bank
Study User Report
Session Report
To do list Report
Study Leaderboard
Screen Time Leaderboard
Public Dashboard
Quiz Creator
Quiz Leaderboard
হোম
Profile
About
Tutorials
থিম নির্বাচন

আপনার পছন্দের থিম বেছে নিন।

দেহে এলার্জি সৃষ্টির জন্য কোন কোষ দায়ী?

A. নিউট্রোফিল
B. মাস্ট কোষ
C. বেসোফিল
D. কুফার কোষ
সঠিক উত্তরঃ B. মাস্ট কোষ
Explanation: দেহে এলার্জি সৃষ্টির জন্য মাস্ট কোষ দায়ী, কারণ এটি হিস্টামিন এবং অন্যান্য রাসায়নিক নিঃসরণ করে। Option A (নিউট্রোফিল) ব্যাকটেরিয়া সংক্রমণ প্রতিরোধে, Option C (বেসোফিল) এলার্জি প্রতিক্রিয়ার সহায়ক, এবং Option D (কুফার কোষ) যকৃতের প্রতিরক্ষা সিস্টেমে কাজ করে। নোট: মাস্ট কোষ এলার্জি প্রতিক্রিয়ার মূল কেন্দ্র।
Another Explanation (5):

দেহে এলার্জি সৃষ্টিতে মাস্ট কোষের ভূমিকা 🤧

এলার্জি একটি বহুল পরিচিত সমস্যা। আমাদের শরীরে যখন কোনো বহিরাগত উপাদান (যেমন: পরাগ রেণু, ধুলো, কোনো খাবার) প্রবেশ করে এবং শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা সেটিকে ক্ষতিকর মনে করে প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করে, তখন তাকে এলার্জি বলা হয়। এই এলার্জি সৃষ্টির পেছনে মাস্ট কোষের (Mast cell) গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে।

মাস্ট কোষ কী? 🤔

মাস্ট কোষ হলো এক ধরনের শ্বেত রক্ত কণিকা (White blood cell) যা আমাদের শরীরের বিভিন্ন টিস্যুতে, বিশেষ করে ত্বক, ফুসফুস ও পরিপাকতন্ত্রের আশেপাশে পাওয়া যায়। এরা মূলত ইমিউন সিস্টেমের অংশ এবং শরীরকে বিভিন্ন রোগ থেকে রক্ষা করে।

এলার্জি প্রক্রিয়ায় মাস্ট কোষের ভূমিকা 役割:

  1. সেন্সিটাইজেশন (Sensitization): প্রথমবার কোনো এলার্জেন (Allergen) শরীরে প্রবেশ করলে, মাস্ট কোষের IgE রিসেপ্টরগুলোর (IgE receptors) সাথে যুক্ত হয়। এই প্রক্রিয়াকে সেন্সিটাইজেশন বলে।🛡️
  2. অ্যাক্টিভেশন (Activation): পরবর্তীতে যখন ঐ একই এলার্জেন আবার শরীরে প্রবেশ করে, তখন সেটি মাস্ট কোষের IgE অ্যান্টিবডির সাথে আবদ্ধ হয়। এর ফলে মাস্ট কোষগুলো সক্রিয় হয়ে যায়। 💥
  3. ডিগ্রানুলেশন (Degranulation): মাস্ট কোষগুলো সক্রিয় হওয়ার পর ডিগ্রানুলেশন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে হিস্টামিন (Histamine), লিউকোট্রিন (Leukotrienes) এবং অন্যান্য রাসায়নিক পদার্থ নিঃসরণ করে। 🧪
  4. প্রতিক্রিয়া (Reaction): নিঃসৃত হওয়া রাসায়নিক পদার্থগুলো রক্তনালীকে প্রসারিত করে, শ্বাসনালীকে সংকুচিত করে এবং প্রদাহ সৃষ্টি করে। এর ফলস্বরূপ এলার্জির লক্ষণগুলো যেমন - চুলকানি, লাল হয়ে যাওয়া, শ্বাসকষ্ট ইত্যাদি দেখা যায়। 😥

মাস্ট কোষের কারণে সৃষ্ট এলার্জিজনিত লক্ষণসমূহ 症状:

  • ত্বকে ফুসকুড়ি ও চুলকানি 痒み
  • চোখ লাল হওয়া ও পানি পড়া 💧
  • নাক দিয়ে পানি পড়া ও হাঁচি 🤧
  • শ্বাসকষ্ট ও কাশি 🫁
  • পেট খারাপ ও বমি বমি ভাব 🤢

মাস্ট কোষ কিভাবে কাজ করে তার একটি টেবিল 📝:

পর্যায় বর্ণনা ফলাফল
সেন্সিটাইজেশন এলার্জেন প্রবেশ করে এবং মাস্ট কোষের IgE রিসেপ্টরের সাথে যুক্ত হয়। মাস্ট কোষ এলার্জেনের জন্য প্রস্তুত হয়।
অ্যাক্টিভেশন পুনরায় এলার্জেনের সংস্পর্শে আসা এবং মাস্ট কোষ সক্রিয় হওয়া। মাস্ট কোষ থেকে রাসায়নিক পদার্থ নিঃসরণের সংকেত দেয়।
ডিগ্রানুলেশন মাস্ট কোষ থেকে হিস্টামিন ও অন্যান্য রাসায়নিক পদার্থ নির্গত হওয়া। এলার্জির লক্ষণগুলো প্রকাশ পায়।
প্রতিক্রিয়া হিস্টামিন ও অন্যান্য রাসায়নিক পদার্থের কারণে শরীরে বিভিন্ন প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হওয়া। চুলকানি, শ্বাসকষ্ট, ইত্যাদি লক্ষণ দেখা যায়।

সুতরাং, মাস্ট কোষ দেহে এলার্জি সৃষ্টির জন্য দায়ী এবং এদের কার্যকলাপের মাধ্যমেই এলার্জির বিভিন্ন লক্ষণগুলো প্রকাশ পায়। 🩺

Option A Explanation:
  • নিউট্রোফিল: নিউট্রোফিল হলো একটি ধরণের শ্বেত রক্তকণিকা যা মূলত ব্যাকটেরিয়া, ফাঙ্গাস, ও অন্যান্য ক্ষতিকর জীবাণু ধ্বংস করার জন্য দায়ী।
  • এটি ফ্যাগোসাইটোসিস প্রক্রিয়ায় অংশগ্রহণ করে, যেখানে এটি ক্ষতিকর জীবাণু বা মৃত কোষগুলোকে শোষণ করে এবং ধ্বংস করে।
  • নিউট্রোফিলের এই কার্যকলাপ ইমিউন সিস্টেমের গুরুত্বপূর্ণ অংশ, যা সংক্রমণের বিরুদ্ধে লড়াই করে।
Option B Explanation:
  • মাস্ট কোষ:
    • প্রধানত দেহের বিভিন্ন টিস্যুতে পাওয়া যায় এবং শরীরের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
    • এরা মূলত এলার্জির প্রতিক্রিয়ায় সক্রিয় হয়ে থাকে।
    • মাস্ট কোষের মধ্যে হিস্টামিন নামক রসায়ন পদার্থ থাকে, যা অ্যালার্জি প্রতিক্রিয়ার সময় মুক্ত হয়।
    • হিস্টামিনের মুক্তি শরীরের বিভিন্ন অঙ্গের কোষের উপর প্রভাব ফেলে, যেমন রক্তনালী প্রশস্ত করে, যা অ্যালার্জির লক্ষণ সৃষ্টি করে।
    • দেহে এলার্জির জন্য মূলত এই কোষগুলোই দায়ী।
Option C Explanation:

বেসোফিলের ব্যাখ্যা

  • প্রকার: এক ধরনের শ্বেত রক্তকণিকা (White Blood Cell)
  • মূল কাজ: অ্যালার্জি প্রতিরোধ, প্রদাহ নিয়ন্ত্রণ এবং ব্যাকটেরিয়া সংক্রমণের বিরুদ্ধে লড়াই
  • অন্তঃকোষীয় উপাদান: হিস্টামিন, হেপারিন, এবং অন্যান্য প্রদাহজনক উপাদান নিঃসরণ করে
  • ফ্যাগোসাইটোসিস: সাধারণত এই কণিকা ফ্যাগোসাইটোসিস করে না, তবে প্রদাহের সময় তারা অন্যান্য শ্বেত রক্তকণিকার কার্যকলাপে সহায়তা করে
Option D Explanation:
  • কুফার কোষ: কুফার কোষ বা কুফার গ্লোমাস হল বৃক্কের (ব্লাড প্রসেসিং অঙ্গ) বিশেষ ধরণের কোষ।
  • এটি বৃক্কের গ্রানুলার সিস্টেমের অংশ, যা রক্তের রূপান্তরিত উপাদান (যেমন, ইউরোক্রোম, ক্রিয়েটিনিন) সনাক্ত করে এবং শরীর থেকে বিষাক্ত উপাদান অপসারণে সহায়তা করে।
  • কুফার কোষগুলি বৃক্কের প্রোএক্সিমাল টিউবুলের উপরের অংশে অবস্থিত থাকে এবং রক্তপ্রবাহ থেকে উপাদান শোষণ ও পরিশোধন করে।
  • এটি প্রাথমিকভাবে রক্তের চাপ নিয়ন্ত্রণে সহায়ক, কারণ তারা রেনিন হরমোন নিঃসরণ করে, যা রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে গুরুত্বপূর্ণ।