লগইন করুন
আমাদের ওয়েবসাইটের সকল সুবিধা পেতে লগইন করুন
আপনার পছন্দের থিম বেছে নিন।
এলার্জি একটি বহুল পরিচিত সমস্যা। আমাদের শরীরে যখন কোনো বহিরাগত উপাদান (যেমন: পরাগ রেণু, ধুলো, কোনো খাবার) প্রবেশ করে এবং শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা সেটিকে ক্ষতিকর মনে করে প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করে, তখন তাকে এলার্জি বলা হয়। এই এলার্জি সৃষ্টির পেছনে মাস্ট কোষের (Mast cell) গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে।
মাস্ট কোষ হলো এক ধরনের শ্বেত রক্ত কণিকা (White blood cell) যা আমাদের শরীরের বিভিন্ন টিস্যুতে, বিশেষ করে ত্বক, ফুসফুস ও পরিপাকতন্ত্রের আশেপাশে পাওয়া যায়। এরা মূলত ইমিউন সিস্টেমের অংশ এবং শরীরকে বিভিন্ন রোগ থেকে রক্ষা করে।
| পর্যায় | বর্ণনা | ফলাফল |
|---|---|---|
| সেন্সিটাইজেশন | এলার্জেন প্রবেশ করে এবং মাস্ট কোষের IgE রিসেপ্টরের সাথে যুক্ত হয়। | মাস্ট কোষ এলার্জেনের জন্য প্রস্তুত হয়। |
| অ্যাক্টিভেশন | পুনরায় এলার্জেনের সংস্পর্শে আসা এবং মাস্ট কোষ সক্রিয় হওয়া। | মাস্ট কোষ থেকে রাসায়নিক পদার্থ নিঃসরণের সংকেত দেয়। |
| ডিগ্রানুলেশন | মাস্ট কোষ থেকে হিস্টামিন ও অন্যান্য রাসায়নিক পদার্থ নির্গত হওয়া। | এলার্জির লক্ষণগুলো প্রকাশ পায়। |
| প্রতিক্রিয়া | হিস্টামিন ও অন্যান্য রাসায়নিক পদার্থের কারণে শরীরে বিভিন্ন প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হওয়া। | চুলকানি, শ্বাসকষ্ট, ইত্যাদি লক্ষণ দেখা যায়। |
সুতরাং, মাস্ট কোষ দেহে এলার্জি সৃষ্টির জন্য দায়ী এবং এদের কার্যকলাপের মাধ্যমেই এলার্জির বিভিন্ন লক্ষণগুলো প্রকাশ পায়। 🩺