টিউটোরিয়াল / গাইডলাইন অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ ডাউনলোড
Google Play
GET IT ON Google Play
StudyClub - স্মার্ট স্টাডি প্ল্যাটফর্ম - Study Tracker - App Blocker - Reading Room
মেনু
Self Tracker
Messenger
Question Bank
Study User Report
Session Report
To do list Report
Study Leaderboard
Screen Time Leaderboard
Public Dashboard
Quiz Creator
Quiz Leaderboard
হোম
Profile
About
Tutorials
থিম নির্বাচন

আপনার পছন্দের থিম বেছে নিন।

ভ্রুনথলি গঠন ছাড়াই ডিম্বক ত্বক বা নিউসেলাসের কোষ হতে ভ্রুন সৃষ্টির প্রক্রিয়াকে কি বলে?

A. অ্যাড্রোজেনেসিস
B. এডভেনটিভ এমব্রায়োনি
C. এপোস্পোরি
D. এপোগ্যামি
সঠিক উত্তরঃ B. এডভেনটিভ এমব্রায়োনি
Explanation: ভ্রুনথলি গঠন ছাড়াই ডিম্বক ত্বক বা নিউসেলাসের কোষ হতে ভ্রূণ সৃষ্টির প্রক্রিয়া হলো এডভেনটিভ এমব্রায়োনি। Option A: অ্যাড্রোজেনেসিস ভুল, কারণ এটি পুরুষ গ্যামেট থেকে ভ্রূণ সৃষ্টি। Option C: এপোস্পোরি ভুল, কারণ এটি অ্যাপোমিক্সিসের প্রকার। Option D: এপোগ্যামি ভুল, কারণ এটি ডিম্বাণুর বিকল্প পদ্ধতি। নোট: এডভেনটিভ এমব্রায়োনি উদ্ভিদের অ্যাপোমিক্সিসের অংশ।
Another Explanation (5):

প্রশ্নের উত্তর: ভ্রুনথলি গঠন ছাড়াই ডিম্বক ত্বক বা নিউসেলাসের কোষ থেকে ভ্রুন সৃষ্টির প্রক্রিয়া

এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ জৈবপ্রক্রিয়া, যেখানে ভ্রুণের গঠন ভ্রুণথলি বা অ্যামনিওটিক ব্যাগের প্রয়োজন ছাড়াই সম্পন্ন হয়। এই প্রক্রিয়াটিকে এডভেনটিভ এমব্রায়োনি বলা হয়।

এডভেনটিভ এমব্রায়োনির বৈশিষ্ট্যসমূহ:

  • এই প্রক্রিয়ায় ভ্রুণের গঠন ভ্রুণথলি বা অ্যামনিওটিক ব্যাগের সাহায্য ছাড়াই হয়।
  • প্রক্রিয়াটি সাধারণত অ্যামনিওটিক ব্যাগের বা ভ্রুণথলির সৃষ্টি ছাড়াই ঘটে।
  • এটি মূলত কিছু নির্দিষ্ট প্রজাতির মধ্যে দেখা যায়।
  • প্রক্রিয়াটিতে ডিম্বানু বা ডিম্বাণুর অভ্যন্তরীণ অংশের পরিবর্তে ডিম্বক ত্বক বা নিউসেলাসের কোষ থেকে ভ্রুণের গঠন সম্পন্ন হয়।

সাধারণতঃ এই প্রক্রিয়ার ধাপসমূহ:

ধাপ বর্ণনা চিত্র
১. কোষের বিভাজন নিউসেলাস বা ত্বকের কোষের বিভাজন হয়। 🧬
২. ভ্রুণের গঠন কোষাগুলির সমন্বয়ে ভ্রুণের গঠন সৃষ্টি হয়, তবে ভ্রুণথলি গঠিত হয় না। 👶
৩. ডিম্বক ত্বকের অংশ থেকে অগ্রগতি ডিম্বক ত্বক বা নিউসেলাসের কোষ থেকে সরাসরি ভ্রুণের গঠন হয়। 🧪

উপসংহার:

এই প্রক্রিয়াটি মূলত এডভেনটিভ এমব্রায়োনি নামে পরিচিত, যেখানে ভ্রুণের গঠন ভ্রুণথলি বা অ্যামনিওটিক ব্যাগের অভাবে সরাসরি নিউসেলাস বা ত্বক কোষ থেকে ঘটে। এটি জীববিজ্ঞানের এক গুরুত্বপূর্ণ প্রক্রিয়া এবং কিছু নির্দিষ্ট জীবের মধ্যে দেখা যায়।

Option A Explanation:

অ্যাড্রোজেনেসিস

  • অর্থ: অ্যাড্রোজেনেসিস হলো এমন এক প্রক্রিয়া যেখানে ভ্রুণের গঠন ছাড়াই ভ্রুণের অংশ বা টিস্যু বিকাশ ঘটে।
  • বিশেষ বৈশিষ্ট্য: এটি সাধারণত অপ্রত্যাশিত বা ব্যতিক্রমী পরিস্থিতিতে ঘটে, যেখানে কোনও ভ্রুণের গঠন হয় না, তবে টিস্যু বা অঙ্গ গঠিত হয়।
  • উদাহরণ: কিছু অঙ্গ বা টিস্যু বা অঙ্গের অপ্রত্যাশিত বিকাশ অ্যাড্রোজেনেসিসের মাধ্যমে হতে পারে।
  • প্রসঙ্গ: এই প্রক্রিয়াটি সাধারণত স্বাভাবিক বিকাশের সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত নয়, বরং কিছু ব্যতিক্রমী পরিস্থিতিতে দেখা যায়।
Option B Explanation:
  • এডভেনটিভ এমব্রায়োনি হলো একটি প্রক্রিয়া যেখানে ভ্রুণের গঠনের সময় ভ্রুনথল??? বা ভ্রুণের আস্তরণ সৃষ্টি ছাড়াই সরাসরি ভ্রুণের মূল অংশ বা অঙ্কুরের গঠন হয়।
  • এটি সাধারণত অঙ্কুরের বিকাশের একটি স্বতন্ত্র প্রক্রিয়া, যেখানে ভ্রুণের ভ্রুণথলি বা ভ্রুণের আবরণ গঠনের প্রয়োজন হয় না।
  • প্রক্রিয়াটি বিভিন্ন জীবের মধ্যে বিভিন্ন রকম হতে পারে, যেখানে সরাসরি মূল অঙ্কুরের বিকাশ ঘটে।
Option C Explanation:
  • এপোস্পোরি হলো এক ধরণের সেল বা স্পোরের উৎপন্ন প্রক্রিয়া যা মূলত কিছু শেওলা, অ্যালগি ও কিছু ফাংগাসে দেখা যায়।
  • এটি সাধারণত জলজ বা আর্দ্র পরিবেশে ঘটে এবং স্পোরের মাধ্যমে প্রজনন হয়।
  • এপোস্পোরি প্রক্রিয়ায় কোনো ভ্রুণথলি বা ভ্রুণের গঠন হয় না, বরং সরাসরি স্পোর সৃষ্টি হয়।
  • এই প্রক্রিয়ায় উৎপন্ন স্পোরগুলি নতুন উদ্ভিদ বা অঙ্গের জন্ম দিতে সক্ষম।
  • এটি একটি অজনন বা অগভীর প্রজনন প্রক্রিয়া হিসেবে বিবেচিত হয়।
Option D Explanation:

এপোগ্যামি (Eogamy)

  • এপোগ্যামি হলো এক ধরনের জৈবপ্রক্রিয়া যেখানে ভ্রুণ বা নতুন জীবের গঠন ভ্রুনথলি বা অন্য কোনো গঠন ছাড়াই হয়।
  • এটি সাধারণত এমন প্রক্রিয়া যেখানে কোষ বা টিস্যু সরাসরি পুণর্জন্ম বা নতুন জীবের রূপান্তর ঘটায়।
  • এপোগ্যামির ফলে সাধারণত অ্যাম্ব্রিয়ন বা ভ্রুণের গঠন হয় না, বরং সরাসরি নতুন জীবের সৃষ্টি হয়।
  • এই প্রক্রিয়ায় সাধারণত ডিম্বক বা অন্যান্য কোষের মাধ্যমে জীবের উৎপত্তি ঘটে, যেখানে কোনও অঙ্গ বা ভ্রুণের গঠন ছাড়াই জীবন শুরু হয়।
  • এটি প্রাকৃতিক বা কৃত্রিম উভয়ভাবেই হতে পারে, বিশেষ করে গবেষণায় বা অঙ্গপ্রত্যঙ্গের পুনঃসংযোজনের ক্ষেত্রে।