লগইন করুন
আমাদের ওয়েবসাইটের সকল সুবিধা পেতে লগইন করুন
আপনার পছন্দের থিম বেছে নিন।
হিপনোটক্সিন নামক বিষাক্ত পদার্থটি মূলত নিডোসাইট (cnidocyte) নামক বিশেষ ধরনের কোষ দ্বারা নিঃসৃত হয়। এই কোষগুলো নিডারিয়া (Cnidaria) পর্বের অন্তর্ভুক্ত প্রাণীদের মধ্যে দেখা যায়। যেমন: জেলিফিশ 🐠, প্রবাল 🦀, সি অ্যানিমোন 🐡 ইত্যাদি।
নিডোসাইট একটি জটিল গঠনযুক্ত কোষ যা একটি নিডোসিস্ট (cnidocyst) নামক অঙ্গাণু ধারণ করে। এই নিডোসিস্টের ভিতরে হিপনোটক্সিন নামক বিষাক্ত তরল পদার্থটি জমা থাকে। যখন কোনো শিকার বা বিপদ সংকেত পায়, তখন নিডোসাইট স্বয়ংক্রিয়ভাবে নিডোসিস্টকে বাইরে নিক্ষেপ করে।
হিপনোটক্সিন একটি শক্তিশালী নিউরোটক্সিন। এটি শিকারের স্নায়ুতন্ত্রের উপর আক্রমণ করে তাকে অসাড় করে দেয় অথবা মেরে ফেলে। জেলিফিশ বা অন্যান্য নিডারিয়ান প্রাণীরা এই বিষ ব্যবহার করে শিকার ধরে এবং আত্মরক্ষা করে।
| প্রাণীর নাম | শ্রেণী | বৈশিষ্ট্য | ছবি |
|---|---|---|---|
| জেলিফিশ | সাইফোজোয়া (Scyphozoa) | ছাতা আকৃতির শরীর, হিপনোটক্সিন ব্যবহার করে শিকার ধরে। | |
| প্রবাল | অ্যান্থোজোয়া (Anthozoa) | কলোনি তৈরি করে, পাথরের মতো গঠন তৈরি করে। | |
| সি অ্যানিমোন | অ্যান্থোজোয়া (Anthozoa) | নলাকার শরীর, মুখে চারপাশে tentacle থাকে। |
জেলিফিশ বা এই ধরনের প্রাণীর সংস্পর্শে আসা থেকে নিজেকে বাঁচানো উচিত। এদের হিপনোটক্সিন মানুষের জন্য খুবই ক্ষতিকর হতে পারে। কোনো কারণে আক্রান্ত হলে দ্রুত ডাক্তারের পরামর্শ নেওয়া উচিত। 👨⚕️
আশা করি হিপনোটক্সিন এবং নিডোসাইট সম্পর্কে একটি স্পষ্ট ধারণা দিতে পেরেছি। ধন্যবাদ! 🙏
```