টিউটোরিয়াল / গাইডলাইন অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ ডাউনলোড
Google Play
GET IT ON Google Play
StudyClub - স্মার্ট স্টাডি প্ল্যাটফর্ম - Study Tracker - App Blocker - Reading Room
মেনু
Self Tracker
Messenger
Question Bank
Study User Report
Session Report
To do list Report
Study Leaderboard
Screen Time Leaderboard
Public Dashboard
Quiz Creator
Quiz Leaderboard
হোম
Profile
About
Tutorials
থিম নির্বাচন

আপনার পছন্দের থিম বেছে নিন।

হিপনােটক্সিন কোন ধরনের কোষে দেখা যায়?

A. সংবেদী কোষ
B. গ্রন্থি কোষ
C. নিডোসাইট
D. ক্ষণপদীয় কোষ
সঠিক উত্তরঃ C. নিডোসাইট
Explanation: প্রশ্ন বিশ্লেষণ: হিপনোটক্সিন কোন ধরনের কোষে দেখা যায় তা জানতে চাওয়া হয়েছে। হিপনোটক্সিন হলো একটি ব???ষাক্ত পদার্থ, যা নির্দিষ্ট কোষে পাওয়া যায়। অপশন বিশ্লেষণ: A. সংবেদী কোষ: ভুল, এই কোষে হিপনোটক্সিন থাকে না। B. গ্রন্থি কোষ: ভুল, এই কোষে হিপনোটক্সিন থাকে না। C. নিডোসাইট: সঠিক, এই কোষে হিপনোটক্সিন পাওয়া যায়। D. ক্ষণপদীয় কোষ: ভুল, এই কোষে হিপনোটক্সিন থাকে না। নোট: নিডোসাইট হলো নিডারিয়া পর্বের প্রাণীদের একটি বিশেষ কোষ, যা নেমাটোসিস্ট ধারণ করে এবং এতে হিপনোটক্সিন নামক বিষাক্ত পদার্থ থাকে, যা শিকার ধরতে এবং আত্মরক্ষায় ব্যবহৃত হয়।
Another Explanation (5): ```html

হিপনোটক্সিন এবং নিডোসাইট: একটি বিস্তারিত আলোচনা 🌊

হিপনোটক্সিন নামক বিষাক্ত পদার্থটি মূলত নিডোসাইট (cnidocyte) নামক বিশেষ ধরনের কোষ দ্বারা নিঃসৃত হয়। এই কোষগুলো নিডারিয়া (Cnidaria) পর্বের অন্তর্ভুক্ত প্রাণীদের মধ্যে দেখা যায়। যেমন: জেলিফিশ 🐠, প্রবাল 🦀, সি অ্যানিমোন 🐡 ইত্যাদি।

নিডোসাইট কোষের গঠন এবং কাজ 🔬

নিডোসাইট একটি জটিল গঠনযুক্ত কোষ যা একটি নিডোসিস্ট (cnidocyst) নামক অঙ্গাণু ধারণ করে। এই নিডোসিস্টের ভিতরে হিপনোটক্সিন নামক বিষাক্ত তরল পদার্থটি জমা থাকে। যখন কোনো শিকার বা বিপদ সংকেত পায়, তখন নিডোসাইট স্বয়ংক্রিয়ভাবে নিডোসিস্টকে বাইরে নিক্ষেপ করে।

নিডোসাইটের গুরুত্বপূর্ণ অংশসমূহ:

  • নিডোসিস্ট (Cnidocyst): বিষাক্ত তরল (হিপনোটক্সিন) ধারণকারী থলি।
  • অপারকুলাম (Operculum): নিডোসিস্টের ঢাকনা, যা খোলার মাধ্যমে হিপনোটক্সিন নির্গত হয়।
  • নিডোসিল (Cnidocil): ট্রিগার সংবেদী অঙ্গ, যা স্পর্শের মাধ্যমে নিডোসিস্টকে সক্রিয় করে।

হিপনোটক্সিনের কার্যকারিতা 😵‍💫

হিপনোটক্সিন একটি শক্তিশালী নিউরোটক্সিন। এটি শিকারের স্নায়ুতন্ত্রের উপর আক্রমণ করে তাকে অসাড় করে দেয় অথবা মেরে ফেলে। জেলিফিশ বা অন্যান্য নিডারিয়ান প্রাণীরা এই বিষ ব্যবহার করে শিকার ধরে এবং আত্মরক্ষা করে।

হিপনোটক্সিনের প্রভাব:

  1. পেশি অবশ করা: শিকারের পেশিগুলোকে দ্রুত অবশ করে ফেলে।
  2. শ্বাস-প্রশ্বাস বন্ধ করা: কিছু ক্ষেত্রে শ্বাস-প্রশ্বাস প্রক্রিয়া বন্ধ করে দেয়।
  3. হার্ট অ্যাটাক: মারাত্মক ক্ষেত্রে হৃদরোগের কারণ হতে পারে। 💔

নিডারিয়া পর্বের কিছু উদাহরণ 🐙

প্রাণীর নাম শ্রেণী বৈশিষ্ট্য ছবি
জেলিফিশ সাইফোজোয়া (Scyphozoa) ছাতা আকৃতির শরীর, হিপনোটক্সিন ব্যবহার করে শিকার ধরে। জেলিফিশ
প্রবাল অ্যান্থোজোয়া (Anthozoa) কলোনি তৈরি করে, পাথরের মতো গঠন তৈরি করে। প্রবাল
সি অ্যানিমোন অ্যান্থোজোয়া (Anthozoa) নলাকার শরীর, মুখে চারপাশে tentacle থাকে। সি অ্যানিমোন

সতর্কতা ⚠️

জেলিফিশ বা এই ধরনের প্রাণীর সংস্পর্শে আসা থেকে নিজেকে বাঁচানো উচিত। এদের হিপনোটক্সিন মানুষের জন্য খুবই ক্ষতিকর হতে পারে। কোনো কারণে আক্রান্ত হলে দ্রুত ডাক্তারের পরামর্শ নেওয়া উচিত। 👨‍⚕️

আশা করি হিপনোটক্সিন এবং নিডোসাইট সম্পর্কে একটি স্পষ্ট ধারণা দিতে পেরেছি। ধন্যবাদ! 🙏

```