লগইন করুন
আমাদের ওয়েবসাইটের সকল সুবিধা পেতে লগইন করুন
আপনার পছন্দের থিম বেছে নিন।

জার্মান পদার্থবিদ গুস্টাভ রবার্ট কার্শফ ১৮৪২ সালে তড়িৎ বর্তনী সংক্রান্ত দুটি গুরুত্বপূর্ণ সূত্র প্রদান করেন। এর মধ্যে প্রথম সূত্রটি কোনো সংযোগ বিন্দুতে মিলিত প্রবাহগুলোর বীজগাণিতিক সমষ্টি শূন্য হওয়া নিয়ে আলোচনা করে। সূত্রটি কার্শফের প্রথম সূত্র বা নোডাল সূত্র নামে পরিচিত।
বর্তনীর কোনো সংযোগ বিন্দুতে (node) প্রবেশ করা তড়িৎ প্রবাহকে ধনাত্মক (+) এবং ওই বিন্দু থেকে নির্গত হওয়া তড়িৎ প্রবাহকে ঋণাত্মক (-) ধরলে, তাদের সকলের বীজগাণিতিক যোগফল শূন্য হবে।
মনে করি, একটি সংযোগ বিন্দুতে I1, I2, I3, I4 এবং I5 প্রবাহ মিলিত হয়েছে। এর মধ্যে I1, I2 এবং I3 প্রবেশ করছে এবং I4 ও I5 নির্গত হচ্ছে। তাহলে কার্শফের প্রথম সূত্র অনুসারে:
I1 + I2 + I3 - I4 - I5 = 0
অথবা,
I1 + I2 + I3 = I4 + I5
অর্থাৎ, সংযোগ বিন্দুতে প্রবেশ করা প্রবাহ = সংযোগ বিন্দু থেকে নির্গত হওয়া প্রবাহ।
নিচের টেবিলের মাধ্যমে একটি বর্তনীর সংযোগ বিন্দুতে প্রবাহের হিসাব দেখানো হলো:
| প্রবাহ | মান (অ্যাম্পিয়ার) | দিক |
|---|---|---|
| I1 | 2 | প্রবেশ করছে |
| I2 | 3 | প্রবেশ করছে |
| I3 | 1 | নির্গমণ হচ্ছে |
| I4 | ? | নির্গমণ হচ্ছে |
কার্শফের সূত্র অনুযায়ী:
2 + 3 - 1 - I4 = 0
সুতরাং, I4 = 4 অ্যাম্পিয়ার।
আশা করি, কার্শফের প্রথম সূত্রটি তোমরা বুঝতে পেরেছ! 👍😊
```