টিউটোরিয়াল / গাইডলাইন অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ ডাউনলোড
Google Play
GET IT ON Google Play
StudyClub - স্মার্ট স্টাডি প্ল্যাটফর্ম - Study Tracker - App Blocker - Reading Room
মেনু
Self Tracker
Messenger
Question Bank
Study User Report
Session Report
To do list Report
Study Leaderboard
Screen Time Leaderboard
Public Dashboard
Quiz Creator
Quiz Leaderboard
হোম
Profile
About
Tutorials
থিম নির্বাচন

আপনার পছন্দের থিম বেছে নিন।

নিচের কোনটি কেবল বাংলাদেশে পাওয়া যায়?

A. Knema bengalensis
B. Tactaria chattagramica
C. Artocarpus heterophyllus
D. Ficus benghalensis
সঠিক উত্তরঃ A. Knema bengalensis
Explanation: প্রশ্ন বিশ্লেষণ: বাংলাদেশে কিছু উদ্ভিদ স্???ানীয়ভাবে পাওয়া যায় যা অন্য কোথাও পাওয়া যায় না। অপশন বিশ্লেষণ: A. Knema bengalensis: সঠিক, এটি শুধুমাত্র বাংলাদেশে পাওয়া যায়। B. Tactaria chattagramica: ভুল, এটি নির্দিষ্ট কোনো স্থানভেদে পাওয়া যায় না। C. Artocarpus heterophyllus: ভুল, এটি দক্ষিণ এশিয়ার বিভিন্ন দেশে পাওয়া যায়। D. Ficus benghalensis: ভুল, এটি বাংলাদেশ ছাড়াও বিভিন্ন দেশে জন্মে। নোট: Knema bengalensis বাংলাদেশের স্থানীয় উদ্ভিদের মধ্যে অন্যতম।
Another Explanation (5):

প্রশ্ন: নিচের কোনটি কেবল বাংলাদেশে পাওয়া যায়?

উত্তর: "Knema bengalensis"

বিশ্লেষণ:

নিচে উল্লেখিত তথ্য অনুযায়ী, "Knema bengalensis" একটি উদ্ভিদ বা প্রজাতি যা শুধুমাত্র বাংলাদেশে পাওয়া যায়। এটি মূলত জৈব বৈচিত্র্য এবং প্রাকৃতিক পরিবেশে বিশেষভাবে স্থানীয়।

বিশ্লেষণাত্মক পয়েন্টস:

  • একই প্রজাতি অন্যান্য দেশে পাওয়া যায় কি না, তা বিভিন্ন বৈজ্ঞানিক রিসার্চ দ্বারা নিশ্চিত হয়েছে।
  • বাংলাদেশের পরিবেশে এই প্রজাতির উপস্থিতি নিশ্চিতকরণ করা হয়েছে বিভিন্ন গবেষণায়।
  • "Knema bengalensis" এর অবস্থান শুধুমাত্র বাংলাদেশে নির্দিষ্ট, যা এটিকে অনন্য করে তোলে।

তালিকা: বাংলাদেশে পাওয়া যায় এমন কিছু প্রাণী ও উদ্ভিদ

  1. বেঙ্গল টাইগার 🐅
  2. রেউঁ নদীর জলজ প্রজাতি 💧
  3. Knema bengalensis 🌳

অর্থনৈতিক ও পরিবেশগত গুরুত্ব

প্রজাতি অবস্থান বিশেষত্ব
Knema bengalensis কেবল বাংলাদেশ প্রাকৃতিক পরিবেশে অনন্য
বেঙ্গল টাইগার বাংলাদেশের বনাঞ্চল প্রাণীজগতের গুরুত্বপূর্ণ অংশ

সারসংক্ষেপে, "Knema bengalensis" শুধুমাত্র বাংলাদেশের জন্য বৈশিষ্ট্যপূর্ণ একটি প্রজাতি, যা দেশের জৈব বৈচিত্র্যকে সমৃদ্ধ করে।

Option A Explanation:
  • নাম: Knema bengalensis
  • পারিবারিক শ্রেণীবিভাগ: জেনাস Knema এর অন্তর্গত, যা Myristicaceae পরিবারের অংশ।
  • প্রকার: এটি একটি গাছের প্রজাতি।
  • প্রধান বৈশিষ্ট্য: ছোট থেকে মাঝারি আকারের গাছ, সাধারণত ভারতের পশ্চিমবঙ্গ, আসাম ও অন্যত্র পাওয়া যায়।
  • ব্যবহার: এর কাঠ ও ঔষধি গুণাগুণের জন্য ব্যবহৃত হয়।
  • অন্য তথ্য: এর পাতা ও ফলের বৈশিষ্ট্য অনুযায়ী এটি চিহ্নিত করা হয়।
Option B Explanation: ব্যাখ্যা: Tactaria chattagramica

ব্যাখ্যা: Tactaria chattagramica

  • প্রজাতির নাম: Tactaria chattagramica
  • অবস্থান: মূলত চট্টগ্রাম অঞ্চলে পাওয়া যায়।
  • অঞ্চল: বাংলাদেশে বিশেষ করে চট্টগ্রাম বিভাগে এটি দেখা যায়।
  • বিশেষ বৈশিষ্ট্য: এই প্রজাতিটি স্থানীয় পরিবেশের জন্য বিশেষভাবে উপযোগী এবং স্থানীয় জীববৈচিত্র্যের অংশ।
  • উপযোগিতা: স্থানীয় বাস্তুতন্ত্রে এর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে, তবে এটি আন্তর্জাতিক পর্যায়ে খুব কম পরিচিত।
Option C Explanation: ```html
  • অর্থ: Artocarpus heterophyllus (Jackfruit) এর মজ্জা বিনষ্ট হয়ে গহ্বর সৃষ্টি করে।
  • প্রক্রিয়া: এই উদ্ভিদের গাছে বিভিন্ন রোগের কারণে বা পোকামাকড়ের আক্রমণে মজ্জা নষ্ট হতে পারে।
  • ফলাফল: মজ্জা ক্ষতিগ্রস্ত হলে গাছের ভিতরে গহ্বর বা খাঁজ সৃষ্টি হয়, যা গাছের স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর।
  • কারণ: সাধারণত ফুপ্রাক বা অন্য কোন কাঠের ক্ষতিকারক জীবের আক্রমণে এই গহ্বরের সৃষ্টি হয়।
  • প্রভাব: গাছের স্থায়িত্ব কমে যায় এবং ফলনের উপর প্রভাব পড়ে।
```
Option D Explanation:
  • বৈশিষ্ট্য: Ficus benghalensis, সাধারণত বটগাছ বা অশ্বত্থ নামে পরিচিত, এটি একটি বৃহৎ বৃক্ষ যা মূলত উপমহাদেশে পাওয়া যায়।
  • প্রজাতি: এটি Ficus genus এর অন্তর্ভুক্ত, যার মধ্যে বেশ কয়েকটি প্রজাতি অন্তর্ভুক্ত।
  • অবস্থান: এটি প্রধানত বাংলাদেশের পাশাপাশি ভারতের বিভিন্ন অংশে পাওয়া যায়।
  • উদ্ভিদ প্রকার: এটি একটি বৃক্ষ, যা দীর্ঘজীবী এবং বৃহৎ ছাল ও ছত্রাকযুক্ত বৃক্ষ।
  • উপযোগিতা: এর শাখা-প্রশাখা ও পাতা পরিবেশের জন্য উপকারী, এছাড়াও এর গুঁড়ি ও পাতার ঔষধি ব্যবহার রয়েছে।