টিউটোরিয়াল / গাইডলাইন অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ ডাউনলোড
Google Play
GET IT ON Google Play
StudyClub - স্মার্ট স্টাডি প্ল্যাটফর্ম - Study Tracker - App Blocker - Reading Room
মেনু
Self Tracker
Messenger
Question Bank
Study User Report
Session Report
To do list Report
Study Leaderboard
Screen Time Leaderboard
Public Dashboard
Quiz Creator
Quiz Leaderboard
হোম
Profile
About
Tutorials
থিম নির্বাচন

আপনার পছন্দের থিম বেছে নিন।

নাইট্রোজেন সংবন্ধনকারী নীলাভ সবুজ শৈবালকে ধ্বংস করে জমিতে নাইট্রোজেনের পরিমান কমিয়ে দেয় যে ভাইরাস তার নাম-

A. Cyanophage
B. Ebola
C. Xymophase
D. SARS
E. Polyhydrosis
সঠিক উত্তরঃ A. Cyanophage
Explanation: প্রশ্ন বিশ্লেষণ: এখানে নাইট্রোজেন সংযোগকারী শৈবাল সম্পর্কে প্রশ্ন করা হয়েছে। অপশন বিশ্লেষণ: A. Cyanophage: সঠিক, এটি শৈবাল নিধন করে এবং জমিতে নাইট্রোজেনের পরিমাণ কমিয়ে দেয়। B. Ebol: ভুল, এটি ইবোলা ভাইরাসের জন্য দায়ী, শৈবাল নয়। C. Xymophase: ভুল, এটি সঠিক নয়। D. SARS: ভুল, এটি SARS ভাইরাসের জন্য দায়ী, শৈবাল নয়। E. Polyhydrosis: ভুল, এটি সঠিক নয়। নোট: Cyanophage ভাইরাস শৈবালকে ধ্বংস করে, যা জমিতে নাইট্রোজেন কমাতে সহায়তা করে।
Another Explanation (5): প্রশ্নের উত্তর ব্যাখ্যা

প্রশ্নের উত্তর: "Cyanophage"

নাইট্রোজেন সংবন্ধনকারী নীলাভ সবুজ শৈবাল, যা সায়ানোব্যাকটেরিয়া বা নীলাভ সবুজ শৈবাল নামে পরিচিত, সেগুলি মূলত পরিবেশে নাইট্রোজেনের একটি গুরুত্বপূর্ণ উৎস। এই শৈবালগুলি নাইট্রোজেনের সংযোজন করে জমিতে নাইট্রোজেনের পরিমাণ বৃদ্ধি করে, যা কৃষির জন্য উপকারী।

সায়ানোফেজের ভূমিকা

তবে, এই শৈবালগুলির উপর আঘাত হানতে এবং তাদের কার্যক্রম বন্ধ করতে কিছু ভাইরাস, যাকে সায়ানোফেজ বলা হয়, কাজ করে।

  • সায়ানোফেজ হল ভাইরাস যা সায়ানোব্যাকটেরিয়া-কে আক্রমণ করে।
  • এই ভাইরাস শৈবালকে ধ্বংস করে বা তাদের কার্যক্ষমতা কমিয়ে দেয়।
  • এর ফলে, জমিতে নাইট্রোজেনের পরিমাণ কমে যায় কারণ, শৈবালগুলি নাইট্রোজেন সংযোজনের জন্য দায়ী।

সারাংশ

বিষয় বর্ণনা
নাইট্রোজেন সংবন্ধনকারী শৈবাল নীলাভ সবুজ শৈবাল বা সায়ানোব্যাকটেরিয়া, যা নাইট্রোজেন সংযোজন করে জমিতে।
সায়ানোফেজ ভাইরাস যা এই শৈবালকে ধ্বংস করে বা তার কার্যক্রম কমিয়ে দেয়।
প্রভাব নাইট্রোজেনের পরিমাণ কমিয়ে দেয়, ফলে জমির উর্বরতা কমে যায়।

🌱 তাই, এই ভাইরাসের নাম "Cyanophage"।

Option A Explanation:
  • Cyanophage: এটি একটি ভাইরাস যা নাইট্রোজেন সংবন্ধনকারী নীলাভ সবুজ শৈবাল বা সাইয়ানোব্যাকটেরিয়াকে আক্রমণ করে।
  • এই ভাইরাসগুলো শৈবালগুলোকে ধ্বংস করে, যার ফলে জমিতে নাইট্রোজেনের পরিমাণ কমে যায়।
  • সাধারণত, cyanophage ডাইনোফ্লাজেল বা সাইয়ানোব্যাকটেরিয়ার জন্য বিশেষ করে কাজ করে।
  • এটি একটি ব্যাকটেরিয়োফেজ, অর্থাৎ ব্যাকটেরিয়ার ভাইরাস, যা নির্দিষ্ট শৈবাল প্রজাতির উপর আক্রমণ করে।
Option B Explanation:
  • Ebola: ইবোলা ভাইরাস একটি মারাত্মক রোগের কারণ যা প্রধানত মানবদেহে রক্তপ্রবাহ এবং অঙ্গপ্রত্যঙ্গের ক্ষতি করে।
  • এটি একটি রেনোভাইরাস পরিবারের ভাইরাস, যা মূলত অরণ্য অঞ্চলের প্রাণীদের মধ্যে থাকতে দেখা যায়।
  • ইবোলা সংক্রমণ সাধারণত মানুষের মধ্যে ছড়িয়ে পড়ে শরীরের তরল মাধ্যমে, যেমন রক্ত, লালা, ঘাম, বা খাদ্য ও পানীয়ের মাধ্যমে।
  • রোগের লক্ষণসমূহের মধ্যে জ্বর, ক্লান্তি, পেশী ব্যাথা, গলা ব্যাথা, বমি বমি ভাব, ডায়েরিয়া এবং হেমরেজিক ঘটনা অন্তর্ভুক্ত।
  • প্রতিরোধে কোভিড-১৯ এর মত ভাইরাসের জন্য নিরাপত্তা ব্যবস্থা, সংক্রমণ রোধে সচেতনতা এবং উপযুক্ত চিকিৎসা গুরুত্বপূর্ণ।
Option C Explanation:
  • Xymophase: এটি একটি ধরনের ভাইরাস বা ফাঙ্গাস যা সাধারণত নির্দিষ্ট প্রজাতির শৈবাল বা অণুজীবের উপর আঘাত করে।
  • প্রভাব: এটি সংক্রমণের মাধ্যমে জলজ জীববৈচিত্র্য ও শৈবালের বৃদ্ধি কমাতে সহায়তা করে।
  • প্রয়োগ: পরিবেশ সংরক্ষণে বা জলজ পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় ব্য???হৃত হতে পারে, যেখানে শৈবাল বা অণুজীবের অপ্রয়োজনীয় বৃদ্ধি নিয়ন্ত্রণে রাখতে হয়।
Option D Explanation: ```html
  • SARS (Severe Acute Respiratory Syndrome):
  • একটি ভাইরাসজনিত রোগ যা মূলত শ্বাসযন্ত্রের সংক্রমণ ঘটায়।
  • এই ভাইরাসটি করোনাভাইরাস পরিবারের অন্তর্গত।
  • সাধারণত মানুষ থেকে মানুষে সংক্রমিত হয়, বিশেষ করে কাশি, হাঁচি বা সংস্পর্শের মাধ্যমে।
  • প্রধান লক্ষণগুলোর মধ্যে রয়েছে উচ্চ জ্বর, শ্বাসকষ্ট, কাশি, ক্লান্তি এবং মাঝে মাঝে শ্বাসকষ্ট।
  • প্রতিরোধের জন্য স্বাস্থ্যবিধি মানা ও ভাইরাসের সংস্পর্শ এড়ানো গুরুত্বপূর্ণ।
```
Option E Explanation:

Polyhydrosis এর ব্যাখ্যা

  • অর্থ: Polyhydrosis হলো একটি অবস্থা যেখানে শরীরে অতিরিক্ত পরিমাণে ফ্যাট বা চর্বি জমা হয়।
  • প্রভাব: এটি সাধারণত ওবেসিটির কারণে হয় এবং শরীরের বিভিন্ন অঙ্গপ্রত্যঙ্গের কার্যকারিতা প্রভাবিত করতে পারে।
  • কারণ: খাদ্যাভ্যাস, শারীরিক অক্ষমতা বা হরমোনের অস্বাভাবিকতা দ্বারা এটি হতে পারে।
  • চিকিৎসা: জীবনধারা পরিবর্তন, ডায়েট, নিয়মিত ব্যায়াম ও প্রয়োজন হলে ওষুধের মাধ্যমে এটি নিয়ন্ত্রণে আনা যায়।
  • অন্য নাম: এটি কখনও কখনও "অতিরিক্ত চর্বি জমা" বা "অতিরিক্ত স্তর" হিসেবে উল্লেখ করা হয়।