টিউটোরিয়াল / গাইডলাইন অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ ডাউনলোড
Google Play
GET IT ON Google Play
StudyClub - স্মার্ট স্টাডি প্ল্যাটফর্ম - Study Tracker - App Blocker - Reading Room
মেনু
Self Tracker
Messenger
Question Bank
Study User Report
Session Report
To do list Report
Study Leaderboard
Screen Time Leaderboard
Public Dashboard
Quiz Creator
Quiz Leaderboard
হোম
Profile
About
Tutorials
থিম নির্বাচন

আপনার পছন্দের থিম বেছে নিন।

কোন প্রক্রিয়াটি কঠিন যৌগ্যের বিশোধনের জন্য ব্যবহার করা হয় না?

A. সমস্ফুটন পাতন
B. পরিস্রাবণ
C. ঊর্ধ্বপাতন
D. কেলাসন
সঠিক উত্তরঃ A. সমস্ফুটন পাতন
Explanation: প্রশ্ন বিশ্লেষণ: কঠিন যৌগের বিশোধনে কোন পদ্ধতি ব্যবহার করা হয় না তা চিহ্নিত করতে হবে। সমস্ফুটন পাতন সাধারণত তরলের ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়। অপশন বিশ্লেষণ: A. সমস্ফুটন পাতন: সঠিক, কারণ এটি কঠিন বিশোধনের জন্য ব্যবহৃত হয় না। B. পরিস্রাবণ: ভুল, কারণ এটি কঠিন বিশোধনের জন্য ব্যবহৃত হয়। C. ঊর্ধ্বপাতন: ভুল, এটি কঠিন বিশোধনের উপযোগী। D. কেলাসন: ভুল, কারণ এটি কঠিন যৌগ বিশোধনের জন্য ব্যবহৃত হয়। নোট: কঠিন যৌগ বিশোধনে বিশেষ প্রক্রিয়া ব্যবহার করা হয়।
Another Explanation (5):

কঠিন যৌগের বিশোধন প্রক্রিয়া 🧪

কঠিন যৌগের বিশোধনের জন্য বিভিন্ন প্রক্রিয়া ব্যবহার করা হয়। এই প্রক্রিয়াগুলোর মধ্যে গলনাঙ্ক নির্ণয়, স্ফটিকীকরণ, ঊর্ধ্বপাতন, ক্রোমাটোগ্রাফি ইত্যাদি উল্লেখযোগ্য। কিন্তু "সমস্ফুটন পাতন" কঠিন যৌগের বিশোধনের জন্য প্রযোজ্য নয়, কারণ এটি মূলত তরল মিশ্রণের উপাদানগুলোকে আলাদা করার জন্য ব্যবহৃত হয়। নিচে কয়েকটি বহুল ব্যবহৃত বিশোধন প্রক্রিয়া এবং তাদের ব্যবহার সম্পর্কে আলোচনা করা হলো:

বিভিন্ন বিশোধন প্রক্রিয়া:

  • স্ফটিকীকরণ (Crystallization): কঠিন পদার্থকে উপযুক্ত দ্রাবকে দ্রবীভূত করে দ্রবণটিকে ধীরে ধীরে ঠান্ডা করলে বিশুদ্ধ কঠিন পদার্থটি কেলাস আকারে আলাদা হয়ে যায়। ইম্পিউরিটি দ্রবণ এ থেকে যায়।💎
  • ঊর্ধ্বপাতন (Sublimation): কঠিন পদার্থকে তাপ দিলে যদি তা সরাসরি গ্যাসীয় অবস্থায় রূপান্তরিত হয় এবং পরে ঠান্ডা করলে কঠিন অবস্থায় ফিরে আসে, তবে এই প্রক্রিয়া ব্যবহার করে অশুদ্ধি দূর করা যায়। কর্পূর এর উৎকৃষ্ট উদাহরণ।💨
  • দ্রাবক নিষ্কাশন (Solvent Extraction): উপযুক্ত দ্রাবক ব্যবহার করে মিশ্রণ থেকে কাঙ্ক্ষিত উপাদানকে আলাদা করা যায়।🧪
  • বর্ণালী লিখন (Chromatography): এটি একটি জটিল প্রক্রিয়া, যা মিশ্রণের উপাদানগুলোকে তাদের বিভিন্ন ভৌত ও রাসায়নিক ধর্মের ওপর ভিত্তি করে পৃথক করে।🧪➡️⚗️
  • গলনাঙ্ক নির্ণয় (Melting Point Determination): কঠিন পদার্থের বিশুদ্ধতা পরীক্ষার জন্য এটি ব্যবহার করা হয়। বিশুদ্ধ পদার্থের গলনাঙ্ক নির্দিষ্ট থাকে।🔥

"সমস্ফুটন পাতন" কেন নয়? 🤔

সমস্ফুটন পাতন (Azeotropic Distillation) মূলত তরল মিশ্রণের উপাদানগুলোকে আলাদা করার জন্য ব্যবহৃত হয়। এই পদ্ধতিতে একটি তৃতীয় উপাদান যোগ করা হয়, যা মূল মিশ্রণের সাথে অ্যাজিওট্রপ (azeotrope) গঠন করে এবং পাতন প্রক্রিয়ায় উপাদানগুলো পৃথক হয়ে যায়। যেহেতু কঠিন যৌগের বিশোধনের ক্ষেত্রে উপাদানগুলো তরল নয়, তাই এই প্রক্রিয়া এখানে প্রযোজ্য নয়।💧➡️💨

বিভিন্ন প্রক্রিয়ার তুলনামূলক আলোচনা :

বিশোধনের প্রক্রিয়া ব্যবহার সুবিধা অসুবিধা
স্ফটিকীকরণ অধিকাংশ কঠিন যৌগের বিশোধনে ব্যবহার করা হয়। সহজ এবং সাশ্রয়ী। কিছু ক্ষেত্রে দ্রাবক নির্বাচন কঠিন হতে পারে।
ঊর্ধ্বপাতন যেসব কঠিন পদার্থ ঊর্ধ্বপাতিত হয়, তাদের বিশোধনে ব্যবহার করা হয়। দ্রাবকের প্রয়োজন হয় না। সব কঠিন পদার্থের জন্য প্রযোজ্য নয়।
বর্ণালী লিখন জটিল মিশ্রণ থেকে উপাদান পৃথক করার জন্য ব্যবহার করা হয়। খুব অল্প পরিমাণে উপাদানও পৃথক করা যায়। সময়সাপেক্ষ এবং ব্যয়বহুল।
সমস্ফুটন পাতন দুটি তরলের মিশ্রণ যাদের স্ফুটনাঙ্ক খুব কাছাকাছি তাদের পৃথক করতে ব্যবহৃত হয়। কাছাকাছি স্ফুটনাঙ্কের তরল পৃথক করা যায়। কঠিন যৌগের জন্য প্রযোজ্য নয়।

সুতরাং, সঠিক উত্তর হলো সমস্ফুটন পাতন। 🎉