লগইন করুন
আমাদের ওয়েবসাইটের সকল সুবিধা পেতে লগইন করুন
আপনার পছন্দের থিম বেছে নিন।
কঠিন যৌগের বিশোধনের জন্য বিভিন্ন প্রক্রিয়া ব্যবহার করা হয়। এই প্রক্রিয়াগুলোর মধ্যে গলনাঙ্ক নির্ণয়, স্ফটিকীকরণ, ঊর্ধ্বপাতন, ক্রোমাটোগ্রাফি ইত্যাদি উল্লেখযোগ্য। কিন্তু "সমস্ফুটন পাতন" কঠিন যৌগের বিশোধনের জন্য প্রযোজ্য নয়, কারণ এটি মূলত তরল মিশ্রণের উপাদানগুলোকে আলাদা করার জন্য ব্যবহৃত হয়। নিচে কয়েকটি বহুল ব্যবহৃত বিশোধন প্রক্রিয়া এবং তাদের ব্যবহার সম্পর্কে আলোচনা করা হলো:
সমস্ফুটন পাতন (Azeotropic Distillation) মূলত তরল মিশ্রণের উপাদানগুলোকে আলাদা করার জন্য ব্যবহৃত হয়। এই পদ্ধতিতে একটি তৃতীয় উপাদান যোগ করা হয়, যা মূল মিশ্রণের সাথে অ্যাজিওট্রপ (azeotrope) গঠন করে এবং পাতন প্রক্রিয়ায় উপাদানগুলো পৃথক হয়ে যায়। যেহেতু কঠিন যৌগের বিশোধনের ক্ষেত্রে উপাদানগুলো তরল নয়, তাই এই প্রক্রিয়া এখানে প্রযোজ্য নয়।💧➡️💨
| বিশোধনের প্রক্রিয়া | ব্যবহার | সুবিধা | অসুবিধা |
|---|---|---|---|
| স্ফটিকীকরণ | অধিকাংশ কঠিন যৌগের বিশোধনে ব্যবহার করা হয়। | সহজ এবং সাশ্রয়ী। | কিছু ক্ষেত্রে দ্রাবক নির্বাচন কঠিন হতে পারে। |
| ঊর্ধ্বপাতন | যেসব কঠিন পদার্থ ঊর্ধ্বপাতিত হয়, তাদের বিশোধনে ব্যবহার করা হয়। | দ্রাবকের প্রয়োজন হয় না। | সব কঠিন পদার্থের জন্য প্রযোজ্য নয়। |
| বর্ণালী লিখন | জটিল মিশ্রণ থেকে উপাদান পৃথক করার জন্য ব্যবহার করা হয়। | খুব অল্প পরিমাণে উপাদানও পৃথক করা যায়। | সময়সাপেক্ষ এবং ব্যয়বহুল। |
| সমস্ফুটন পাতন | দুটি তরলের মিশ্রণ যাদের স্ফুটনাঙ্ক খুব কাছাকাছি তাদের পৃথক করতে ব্যবহৃত হয়। | কাছাকাছি স্ফুটনাঙ্কের তরল পৃথক করা যায়। | কঠিন যৌগের জন্য প্রযোজ্য নয়। |
সুতরাং, সঠিক উত্তর হলো সমস্ফুটন পাতন। 🎉