টিউটোরিয়াল / গাইডলাইন অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ ডাউনলোড
Google Play
GET IT ON Google Play
StudyClub - স্মার্ট স্টাডি প্ল্যাটফর্ম
মেনু
Self Tracker
Messenger
Question Bank
Study User Report
Session Report
To do list Report
Study Leaderboard
Screen Time Leaderboard
Public Dashboard
Quiz Creator
Quiz Leaderboard
হোম
Profile
About
Tutorials
থিম নির্বাচন

আপনার পছন্দের থিম বেছে নিন।

নিমাটোসিস্টের ভেতরে যে বিষাক্ত তরল তার নাম কী?

A. হিমোসায়ানিন
B. টক্সিন
C. হিমোজয়িন
D. হিপনোটক্সিন
সঠিক উত্তরঃ D. হিপনোটক্সিন
Explanation:

Another Explanation (3):

প্রশ্ন: নিমাটোডের ভেতরে যে বিষাক্ত তরল তার নাম কী?

বিকল্পসমূহ:

  • A. হিমোসায়ানিন (Incorrect)

  • B. টক্সিন (Incorrect)

  • C. হিমোজয়িন (Incorrect)

  • D. হিপনোটক্সিন (Correct)

সঠিক উত্তর: D. হিপনোটক্সিন

ব্যাখ্যা:

নিমাটোড (Nematode) বা সুতীব্রকৃমি হলো একপ্রকার পরজীবী কৃমি, যা বিভিন্ন উদ্ভিদ ও প্রাণীর শরীরে বাস করে। এই কৃমিরা তাদের শিকারকে পক্ষাঘাতগ্রস্ত করতে এবং সহজে শিকার ধরতে বিষাক্ত তরল নির্গত করে, যা হিপনোটক্সিন নামে পরিচিত। এই বিষাক্ত তরল শিকারীর স্নায়ুতন্ত্রকে প্রভাবিত করে, ফলে শিকার পক্ষাঘাতগ্রস্ত হয়ে পড়ে এবং নিমাটোডের জন্য সহজ শিকারে পরিণত হয়।

বিকল্পগুলোর বিশ???লেষণ:

  1. A. হিমোসায়ানিন:

    • হিমোসায়ানিন হলো একটি রঞ্জক প্রোটিন, যা কিছু প্রাণীর রক্তে অক্সিজেন পরিবহনে সহায়তা করে। নিমাটোডের বিষাক্ত তরলের সাথে এর কোনো সম্পর্ক নেই।

  2. B. টক্সিন:

    • টক্সিন সাধারণত কোনো জীবাণু বা পরজীবীর দ্বারা উৎপন্ন বিষাক্ত পদার্থকে বোঝায়। যদিও নিমাটোডের বিষাক্ত তরল একটি টক্সিন, তবে এর নির্দিষ্ট নাম হিপনোটক্সিন।

  3. C. হিমোজয়িন:

    • হিমোজয়িন সম্পর্কে কোনো পরিচিত তথ্য পাওয়া যায়নি। এটি সম্ভবত একটি ভুল বিকল্প।

  4. D. হিপনোটক্সিন:

    • সঠিক উত্তর। নিমাটোডের বিষাক্ত তরলের নাম হিপনোটক্সিন, যা শিকারীর স্নায়ুতন্ত্রকে প্রভাবিত করে পক্ষাঘাত সৃষ্টি করে।

সারাংশ:

নিমাটোড তাদের শিকারকে পক্ষাঘাতগ্রস্ত করতে হিপনোটক্সিন নামক বিষাক্ত তরল নির্গত করে, যা শিকারীর স্নায়ুতন্ত্রকে প্রভাবিত করে। অতএব, সঠিক উত্তর হলো বিকল্প D: হিপনোটক্সিন।

Another Explanation (5):

নিমাটোসিস্ট এবং হিপনোটক্সিন: একটি বিষাক্ত রহস্য

নিমাটোসিস্ট হলো নিডারিয়া পর্বের (যেমন: জেলিফিশ, প্রবাল) প্রাণীদের একটি বৈশিষ্ট্যপূর্ণ অঙ্গাণু। এটি মূলত শিকার ধরা এবং আত্মরক্ষার কাজে ব্যবহৃত হয়। নিমাটোসিস্টের ভেতরে একটি কুণ্ডলী পাকানো সুতার মতো অংশ থাকে, যা শিকারের সংস্পর্শে আসা মাত্রই তীব্র বেগে বাইরে নিক্ষিপ্ত হয়। এই সুতার মধ্যে থাকা বিষাক্ত তরল শিকারকে কাবু করে ফেলে।

হিপনোটক্সিন: নিমাটোসিস্টের বিষ

নিমাটোসিস্টের ভেতরে থাকা বিষাক্ত তরলটির নাম হলো হিপনোটক্সিন (Hypnotoxin)। এটি জটিল রাসায়নিক মিশ্রণ। এর প্রধান উপাদানগুলো নিচে উল্লেখ করা হলো:

  • প্রোটিন: বিভিন্ন ধরনের এনজাইম এবং পলিপেপটাইড থাকে যা কোষের ক্ষতি করে।
  • বিষাক্ত অ্যামিনো অ্যাসিড: প্যারালাইজিং উপাদান বিদ্যমান।
  • অন্যান্য উপাদান: কিছু ক্ষেত্রে হিস্টামিন এবং অন্যান্য রাসায়নিক পদার্থও পাওয়া যায়।

হিপনোটক্সিনের মূল কাজ হলো শিকারকে দ্রুত অবশ করে ফেলা। এটি শিকারের স্নায়ুতন্ত্রের উপর আক্রমণ করে, যার ফলে শিকার নড়াচড়া করার ক্ষমতা হারিয়ে ফেলে। জেলিফিশের ক্ষেত্রে, হিপনোটক্সিন এতটাই শক্তিশালী হতে পারে যে এটি মানুষের ত্বকেও মারাত্মক যন্ত্রণা সৃষ্টি করতে পারে। 😵‍💫

হিপনোটক্সিনের কার্যকারিতা:

কার্যকারিতা ফলাফল
স্নায়ুতন্ত্রের উপর প্রভাব 🧠 প্যারালাইসিস বা অবশ করে দেওয়া।
কোষের ক্ষতি 🤕 ত্বকে জ্বালা, ফোস্কা এবং প্রদাহ সৃষ্টি।
শ্বাসতন্ত্রের উপর প্রভাব 🫁 শ্বাসকষ্ট (গুরুতর ক্ষেত্রে)।
হৃদযন্ত্রের উপর প্রভাব 💔 হৃদস্পন্দন अनियमित হওয়া (বিরল)।

জেলিফিশের হুল ফুটানো: চিকিৎসা 🩹

জেলিফিশের হুল ফুটানোর কারণে সৃষ্ট যন্ত্রণা কমাতে কিছু প্রাথমিক চিকিৎসা গ্রহণ করা যেতে পারে:

  1. আক্রান্ত স্থানটি পরিষ্কার পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।🌊
  2. ভিনেগার (Vinegar) ব্যবহার করুন (যদি পাওয়া যায়)।
  3. বরফ ব্যবহার করে ফোলা কমানো যায়।🧊
  4. প্রয়োজনে ডাক্তারের পরামর্শ নিন। 👨‍⚕️

হিপনোটক্সিন একটি শক্তিশালী বিষাক্ত তরল। নিডারিয়া পর্বের প্রাণীরা শিকার ধরা এবং নিজেদের রক্ষার জন্য এটি ব্যবহার করে। এই বিষাক্ত তরলের উপাদান এবং কার্যকারিতা সম্পর্কে আরও জানার জন্য গবেষণা চলছে। 🔬

আরও কিছু তথ্য

কিছু প্রজাতির জেলিফিশের হিপনোটক্সিন মানুষের জন্য মারাত্মক হতে পারে, এমনকি মৃত্যুও ঘটাতে পারে। ☠️ বক্স জেলিফিশ (Box Jellyfish) এর বিষ এক্ষেত্রে বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য।

Disclaimer: এই তথ্য শুধুমাত্র শিক্ষামূলক উদ্দেশ্যে সরবরাহ করা হয়েছে। কোনো স্বাস্থ্য বিষয়ক সমস্যা হলে অবশ্যই বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।