টিউটোরিয়াল / গাইডলাইন অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ ডাউনলোড
Google Play
GET IT ON Google Play
StudyClub - স্মার্ট স্টাডি প্ল্যাটফর্ম - Study Tracker - App Blocker - Reading Room
মেনু
Self Tracker
Messenger
Question Bank
Study User Report
Session Report
To do list Report
Study Leaderboard
Screen Time Leaderboard
Public Dashboard
Quiz Creator
Quiz Leaderboard
হোম
Profile
About
Tutorials
থিম নির্বাচন

আপনার পছন্দের থিম বেছে নিন।

নিচের কোনটি কোয়ার্টান ম্যালেরিয়া বহন করে?

A.

Plasmodium vivax

B.

Plasmodium malariae

C.

Plasmodium ovale

D.

Plasmodium falciparum

সঠিক উত্তরঃ B.

Plasmodium malariae

Explanation:

Another Explanation (5): ```html

কোয়ার্টান ম্যালেরিয়া এবং Plasmodium malariae🦠

কোয়ার্টান ম্যালেরিয়া একটি ম্যালেরিয়া রোগ যা Plasmodium malariae নামক পরজীবীর মাধ্যমে ছড়ায়। এটি ম্যালেরিয়ার চারটি প্রধান প্রকারের মধ্যে একটি। নিচে এই রোগ এবং এর কারণ সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করা হলো:

কোয়ার্টান ম্যালেরিয়া কী? 🤔

কোয়ার্টান ম্যালেরিয়া হলো Plasmodium malariae নামক একককোষী পরজীবী দ্বারা সৃষ্ট একটি রোগ। এই ম্যালেরিয়ার প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো জ্বরের পুনরাবৃত্তি, যা প্রতি ৭২ ঘণ্টা পর পর দেখা যায়। এর কারণে এ??ে "কোয়ার্টান" ম্যালেরিয়া বলা হয়, কারণ ল্যাটিন ভাষায় "কোয়ার্টান" মানে "চতুর্থ"।

Plasmodium malariae: মূল অপরাধী 👿

Plasmodium malariae একটি প্রোটোজোয়া (protozoa) যা অ্যানোফিলিস মশার মাধ্যমে মানুষের শরীরে প্রবেশ করে। এই পরজীবী লোহিত রক্তকণিকাকে (red blood cells) আক্রমণ করে এবং বংশবৃদ্ধি করে।

জীবনচক্র ♻️

  1. মশার কামড়: সংক্রমিত অ্যানোফিলিস মশা মানুষকে কামড়ানোর সময় স্পোরোজয়েট (sporozoites) প্রবেশ করায়।
  2. লিভারের সংক্রমণ: স্পোরোজয়েটগুলো লিভারে প্রবেশ করে এবং সেখানে বংশবৃদ্ধি করে।
  3. রক্তে প্রবেশ: লিভার থেকে মেরোজয়েট (merozoites) রক্তে প্রবেশ করে এবং লোহিত রক্তকণিকাকে আক্রমণ করে।
  4. পুনরাবৃত্তি: লোহিত রক্তকণিকাগুলো ফেটে যায়, মেরোজয়েটগুলো নতুন রক্তকণিকাকে সংক্রমিত করে এবং এই চক্র চলতে থাকে। এর ফলে জ্বর আসে।
  5. গ্যামেটোসাইট তৈরি: কিছু মেরোজয়েট গ্যামেটোসাইটে (gametocytes) পরিণত হয়, যা মশা পুনরায় কামড়ানোর সময় মশার দেহে প্রবেশ করে।

কোয়ার্টান ম্যালেরিয়ার লক্ষণ 🤒

  • জ্বর (প্রতি ৭২ ঘণ্টা পর পর)
  • মাথাব্যথা 🤕
  • শরীর ব্যথা 😫
  • ক্লান্তি 😴
  • বমি বমি ভাব 🤢
  • অ্যানিমিয়া (রক্তশূন্যতা)

রোগ নির্ণয় 🔬

কোয়ার্টান ম্যালেরিয়া রোগ নির্ণয়ের জন্য সাধারণত রক্তের নমুনা পরীক্ষা করা হয়। মাইক্রোস্কোপের নিচে রক্তের ফিল্ম দেখে Plasmodium malariae এর উপস্থিতি নিশ্চিত করা হয়।

চিকিৎসা 💊

কোয়ার্টান ম্যালেরিয়ার চিকিৎসায় সাধারণত ক্লোরোকুইন (chloroquine) অথবা আর্টেমিসিনিন-ভিত্তিক কম্বিনেশন থেরাপি (ACT) ব্যবহার করা হয়।

প্রতিরোধ 🛡️

কোয়ার্টান ম্যালেরিয়া প্রতিরোধের জন্য নিম্নলিখিত পদক্ষেপগুলো নেওয়া যেতে পারে:

  • মশার কামড় থেকে বাঁচতে মশা তাড়ানোর স্প্রে ব্যবহার করা 🦟
  • লম্বা হাতাযুক্ত জামাকাপড় পরা 👕
  • মশারী ব্যবহার করা 🛌
  • বাড়ির আশেপাশে জল জমতে না দেওয়া 💧

তুলনামূলক তালিকা 📊

বৈশিষ্ট্য Plasmodium malariae
রোগ কোয়ার্টান ম্যালেরিয়া
জ্বরের সময়কাল প্রতি ৭২ ঘণ্টা পর পর
চিকিৎসা ক্লোরোকুইন, ACT
ভেক্টর (বহনকারী) অ্যানোফিলিস মশা

আশা করি এই ব্যাখ্যাটি কোয়ার্টান ম্যালেরিয়া এবং Plasmodium malariae সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা দিতে সাহায্য করবে। সুস্থ থাকুন! 😊

```
Option A Explanation:
  1. প্রকার: প্লাজমোডিয়াম জীবাণুর একটি প্রকার, যা মালেরিয়া (অ্যাকিউট বা ক্রনিক) রোগের কারণ।
  2. উদ্ভবস্থান: সাধারণত উষ্ণ ও আর্দ্র পরিবেশে পাওয়া যায়, যেখানে জলাশয় ও উন্মুক্ত জলাশয় বেশি থাকে।
  3. লক্ষণ:
    • অল্প সময়ের জন্য জ্বর আসে, যা পুনরাবৃত্তি হয়।
    • জ্বরের সময় কাঁপুনি হয়, যা সাধারণত ১-২ ঘণ্টা স্থায়ী হয়।
    • শরীরের অবস্থা দুর্বল হয়ে পড়ে।
    • অন্য লক্ষণগুলোতে মাথাব্যথা, ঠান্ডা লাগা, পেশী ব্যথা থাকতে পারে।
  4. প্রজনন ও সংক্রমণ: প্যাথোজেনটি রক্তে প্রবেশ করে, এবং আক্রান্ত ব্যক্তির রক্তের মাধ্যমে অন্যান্য মানুষের মধ্যে ছড়ায়।
  5. চিকিৎসা: সাধারণত অ্যান্টিম্যালেরিয়াল ওষুধ দিয়ে চিকিৎসা করা হয়।
Option B Explanation:
  • নাম: Plasmodium malariae
  • প্রকার: পরজীবী প্রোটোজোয়া (প্রোটোজোয়া পরজীবী)
  • সংক্রান্ত রোগ: মালেরিয়া (Malaria)
  • প্রভাব: রক্তের লোহিত রক্তকণিকা আক্রান্ত করে, জ্বর, ঠাণ্ডা লাগা, অস্থিরতা ইত্যাদি লক্ষণ দেখা দেয়
  • প্রজনন: মানসিক মধ্যবর্তী পরজীবী (অ্যামাইবোসিস বা অন্য কিছু নয়, বরং মালেরিয়ার জন্য প্রজনন করে)
  • আবাস: মানবদেহের রক্তপ্রবাহে থাকে এবং এদের মাধ্যমে রোগ ছড়ায়
  • সংক্রমণ পদ্ধতি: এঁড়ে বা মাছি দ্বারা সংক্রমিত হয়, যখন তারা আক্রান্ত রক্তের সাথে যোগাযোগ করে
Option C Explanation:
  • Plasmodium ovale একটি প্রোটজোয়া পরজীবী যা সাধারণত মানুষের দেহে ম্যালেরিয়া সৃষ্টি করে না।
  • এটি মূলত অস্ট্রেলিয়া, আফ্রিকা এবং দক্ষিণ-দক্ষিণ আমেরিকার কিছু অঞ্চলে পাওয়া যায়।
  • এটি মানুষের দেহে ইনফেকশন ঘটাতে সক্ষম হলেও, সাধারণত এটি খুব কম ক্ষেত্রে দেখা যায় এবং খুব বেশি গুরুতর রোগ সৃষ্টি করে না।
  • ইনফেকশন হলে এর লক্ষণগুলি সাধারণত হালকা হয় এবং চিকিত্সার মাধ্যমে সহজে নিরাময় হয়।
  • অন্য সাধারণ ম্যালেরিয়া পরজীবীদের মতো, এটি রক্তের লোহিত কণিকা আক্রমণ করে না বা মারাত্মক জটিলতা সৃষ্টি করে না।
Option D Explanation:
  • প্রকার: একপ্রকার পরজীবী (প্রোটোজোয়া)
  • অবস্থান: মানবদেহে ম্যালেরিয়া রোগের জন্য দায়ী
  • বিশেষত্ব: এই পরজীবীটি সবচেয়ে গুরুতর ও মারাত্মক ধরনের ম্যালেরিয়া সৃষ্টি করে।
  • সংক্রমণের মাধ্যম: ইঁদুর বা মাছি (Anopheles mosquito) এর মাধ্যমে মানবদেহে সংক্রমিত হয়।
  • প্রজনন ও জীবনচক্র: মানুষের রক্তে বাস করে এবং লিভার কোষে প্রজনন করে।
  • উপসর্গ: জ্বর, কাঁপুনি, মাথা ব্যথা, শরীরের দুর্বলতা ও অজ্ঞান হয়ে যাওয়া ইত্যাদি।
  • বিশেষ দ্রষ্টব্য: এই পরজীবীটি অন্যান্য প্রজাতির তুলনায় বেশি মারাত্মক এবং দ্রুত সংক্রমণ ঘটায়।