টিউটোরিয়াল / গাইডলাইন অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ ডাউনলোড
Google Play
GET IT ON Google Play
StudyClub - স্মার্ট স্টাডি প্ল্যাটফর্ম
মেনু
Self Tracker
Messenger
Question Bank
Study User Report
Session Report
To do list Report
Study Leaderboard
Screen Time Leaderboard
Public Dashboard
Quiz Creator
Quiz Leaderboard
হোম
Profile
About
Tutorials
থিম নির্বাচন

আপনার পছন্দের থিম বেছে নিন।

কোনটি পুকুর ও জলাশয়ে ব্লুম সৃষ্টি করে?

A. Nostoc
B. Anabena
C. Spirogyra 
D. Mycrocystis
সঠিক উত্তরঃ D. Mycrocystis
Explanation:

Another Explanation (5):

পুকুর ও জলাশয়ে ব্লুম: মাইক্রোসিস্টিস🦠

ভূমিকা

পুকুর ও জলাশয়ে ব্লুম একটি পরিচিত ঘটনা, যা জলজ বাস্তুতন্ত্রের উপর বিরূপ প্রভাব ফেলে। এই ব্লুম সৃষ্টির জন্য দায়ী বিভিন্ন কারণের মধ্যে অন্যতম হল মাইক্রোসিস্টিস (Microcystis)।

মাইক্রোসিস্টিস কী?🤔

মাইক্রোসিস্টিস হলো সায়ানোব্যাকটেরিয়ার (নীল-সবুজ শৈবাল) একটি প্রজাতি। এরা সাধারণত ছোট কলোনি তৈরি করে জলে ভেসে থাকে। অনুকূল পরিবেশে এরা খুব দ্রুত বংশবৃদ্ধি করে এবং ব্লুম তৈরি করে।

ব্লুম তৈরির কারণসমূহ

মাইক্রোসিস্টিস ব্লুম তৈরির পেছনে বেশ কিছু কারণ বিদ্যমান:
  • ☀️ সূর্যালোক: পর্যাপ্ত সূর্যালোক মাইক্রোসিস্টিসের দ্রুত সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়ায় সাহায্য করে।
  • 🌡️ উচ্চ তাপমাত্রা: উষ্ণ জল মাইক্রোসিস্টিসের বংশবৃদ্ধির জন্য অনুকূল।
  • 🌱 পুষ্টি উপাদান: নাইট্রোজেন ও ফসফরাসের মতো পুষ্টি উপাদানের প্রাচুর্য মাইক্রোসিস্টিসের বৃদ্ধিকে ত্বরান্বিত করে। সার ব্যবহার ও পয়ঃনিষ্কাশন থেকে আসা দূষিত পদার্থ এর প্রধান উৎস।
  • 🌊 জলের স্থিতিশীলতা: স্থির জল মাইক্রোসিস্টিসকে কলোনি তৈরি করতে সাহায্য করে।

মাইক্রোসিস্টিস ব্লুমের ক্ষতিকর প্রভাব⚠️

প্রভাব বিবরণ
🐟 জলজ প্রাণীর ক্ষতি ব্লুমের কারণে দ্রবীভূত অক্সিজেনের মাত্রা কমে যাওয়ায় মাছ ও অন্যান্য জলজ প্রাণী মারা যেতে পারে। শ্বাসরুদ্ধ হয়ে মাছ মারা যায়।
💧 পানীয় জলের দূষণ মাইক্রোসিস্টিস মাইক্রোসিস্টিন নামক বিষাক্ত পদার্থ নিঃসরণ করে, যা পানীয় জলের গুণাগুণ নষ্ট করে এবং স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর।
📉 অর্থনৈতিক ক্ষতি মাছ চাষ ও পর্যটন শিল্পে মারাত্মক প্রভাব ফেলে।
🌱 বাস্তুতন্ত্রের পরিবর্তন জলে থাকা অন্যান্য উদ্ভিদ ও প্রাণীর স্বাভাবিক জীবনচক্রে ব্যাঘাত ঘটায়।

মাইক্রোসিস্টিনের বিষাক্ততা🧪

মাইক্রোসিস্টিন একটি শক্তিশালী হেপাটোটক্সিন (Hepatotoxin), যা লিভারের ক্ষতি করে। এটি স্নায়ুর উপরও খারাপ প্রভাব ফেলে। দূষিত জল পান করলে বা এর সংস্পর্শে এলে মানুষ ও অন্যান্য প্রাণীর স্বাস্থ্যঝুঁকি বাড়ে।

ব্লুম নিয়ন্ত্রণ পদ্ধতি🛠️

  1. পুষ্টি উপাদান নিয়ন্ত্রণ: জমিতে অতিরিক্ত সার ব্যবহার কমানো এবং পয়ঃনিষ্কাশন ব্যবস্থার উন্নয়ন করা।
  2. রাসায়নিক নিয়ন্ত্রণ: কপার সালফেট-এর মতো রাসায়নিক ব্যবহার করে ব্লুম নিয়ন্ত্রণ করা যায়, যদিও এর পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া আছে।
  3. জৈবিক নিয়ন্ত্রণ: কিছু ভাইরাস ও ব্যাকটেরিয়া মাইক্রোসিস্টিসকে আক্রমণ করে, যা ব্লুম নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করতে পারে।
  4. ভৌত ??দ্ধতি: জল পরিবর্তন এবং আলো প্রবেশে বাধা দেওয়া ইত্যাদি।

উপসংহার

মাইক্রোসিস্টিস ব্লুম একটি জটিল সমস্যা, যা পরিবেশ ও জনস্বাস্থ্যের জন্য হুমকি স্বরূপ। সমন্বিত উদ্যোগের মাধ্যমে এই সমস্যার সমাধান করা সম্ভব। নিয়মিত পর্যবেক্ষণ, দূষণ নিয়ন্ত্রণ এবং সঠিক ব্যবস্থাপনা ব্লুমের প্রকোপ কমাতে সহায়ক হতে পারে।🌊🌿
Option A Explanation:
  • Nostoc: এটি একটি জলজ আণুবীক্ষণিক অঙ্গীকার, যা সাধারণত ফ্যাংগাই ও শৈবাল গোষ্ঠীর অন্তর্গত।
  • নস্টোকের মূল গঠনগুলি মূলত সাইসিস (Cycus) এর অংশ হিসেবে কাজ করে, যা একটি বিশেষ ধরণের শৈবাল বা অণুজীব।
  • এটি প্রাকৃতিকভাবে জলজ পরিবেশে পাওয়া যায় এবং জলজ জীবনচক্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
  • নস্টোকের গঠন ও কার্যকলাপের মাধ্যমে নাইট্রোজেন সংশ্লেষণ প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়, যা সমতলের অন্যান্য জীবের জন্য গুরুত্বপূর্ণ।
Option B Explanation:

অ্যানাবেনা (Anabena) সম্পর্কে বিবরণ

  • প্রকার: ফ্ল্যাজেলেটেড সায়নোবাকটেরিয়া (স্যাইনোব্যাক্টেরিয়ার একটি প্রকার)
  • অবস্থান: জলাশয়, পুকুর, জলাধার ইত্যাদিতে সাধারণত পাওয়া যায়
  • গঠন: দীর্ঘ, সরু, রঙিন দড়ির মতো আকারে দেখা যায়, যা অনেক সময় জলজ উদ্ভিদ বা জলজ জীবের উপর দেখা যায়
  • বৈশিষ্ট্য: অক্সিজেন উৎপাদন করে এবং নাইট্রোজেন ফিক্সেশনের মাধ্যমে প্রকৃতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে
  • প্রভাব: অতিরিক্ত বৃদ্ধির কারণে জলজ পরিবেশে ব্লুম সৃষ্টি করতে পারে, যা জলজ জীবের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে
Option C Explanation:

Spirogyra

  • স্পিরোইগ্রা একটি জলজ শৈবাল যা সাধারণত Freshwater পুকুর ও খালবিলের পানিতে দেখা যায়।
  • এটি বিচ্ছিন্ন ও লম্বা কোষের সমন্বয়ে গঠিত, যেখানে প্রতিটি কোষের কেন্দ্রস্থলে একটি গোলাকৃতি বা অর্ধগোলাকৃতি পার্শ্বকোষ থাকে।
  • স্পিরোইগ্রার কোষগুলো সাধারণত লাইন আকারে যুক্ত থাকে যা তার শৈলী বা শৈবালের গঠন তৈরি করে।
  • এটির শৈবাল প্রজননে কনজুগেশন পদ্ধতি ব্যবহৃত হয়।
  • কনজুগেশন প্রক্রিয়ায়, কোষের মধ্য দিয়ে একটি জলীয় সংকোচন বা সংযোগ সৃষ্টি হয়, যা দুই কোষের মধ্যে চালু হয়।
  • এটি একটি স্বতন্ত্র প্রজনন প্রক্রিয়া যেখানে দুটি কোষের মধ্যে একটি জলীয় সংযোগ স্থাপিত হয়, যার মাধ্যমে নিউক্লিয়াস ও অন্যান্য উপাদান স্থানান্তরিত হয়।
Option D Explanation:

Mycrocystis এর ব্যাখ্যা:

  • প্রকার: ব্লুম বা জলাশয়ে ব্লুম সৃষ্টি করে এমন এক ধরনের সস্তা অণুজীব, যা মূলত এক ধরনের সলেনোফাইট (সফট অর্গানিজম)।
  • অঙ্গপ্রত্যঙ্গ: এটি একটি বৃহৎ, একক কোষের মতো দেখায়, কিন্তু আসলে এটি অনেক কোষের সমন্বয়ে গঠিত একত্রিত জীবনচক্র।
  • বৈশিষ্ট্য: এই অণুজীবটি ক্লোরোফিল ধারণ করে, যার জন্য এটি আলো শোষণ করে এবং ফটোসিনথেসিস করে।
  • উৎপত্তি: জলাশয়ে প্রচুর পরিমাণে বৃদ্ধি পেয়ে জলকে সবুজ বা নীল রঙের করে তোলে, যা ব্লুম বা ব্লুমে পরিণত হয়।
  • প্রভাব: জলাশয়ে অতি মাত্রায় বৃদ্ধির কারণে পানির গুণমান খারাপ হয়ে যায় এবং বাস্তুতন্ত্রের উপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।