টিউটোরিয়াল / গাইডলাইন অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ ডাউনলোড
Google Play
GET IT ON Google Play
StudyClub - স্মার্ট স্টাডি প্ল্যাটফর্ম
মেনু
Self Tracker
Messenger
Question Bank
Study User Report
Session Report
To do list Report
Study Leaderboard
Screen Time Leaderboard
Public Dashboard
Quiz Creator
Quiz Leaderboard
হোম
Profile
About
Tutorials
থিম নির্বাচন

আপনার পছন্দের থিম বেছে নিন।

থমাস হান্ট মর্গান 1909 সালে প্রথম কোন উদ্ভিদের ক্ষেত্রে ক্রসিং ওভার সম্পর্কে ধারণা দেন?

A. গম
B. ধান
C. ভুট্টা
D. যব
সঠিক উত্তরঃ C. ভুট্টা
Explanation:

Another Explanation (5):

থমাস হান্ট মর্গানের ক্রসিং ওভার তত্ত্ব: ভুট্টা উদ্ভিদের ভূমিকা 🌽

থমাস হান্ট মর্গান এবং তার সহকর্মীরা বংশগতিবিদ্যার জগতে এক বৈপ্লবিক পরিবর্তন এনেছিলেন। ১৯০৯ সালে মর্গান প্রথম ক্রসিং ওভারের ধারণা দেন। এক্ষেত্রে তিনি ভুট্টা (Maize) উদ্ভিদ ব্যবহার করেছিলেন। নিচে এই বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হলো:

ক্রসিং ওভার কী? 🧬

ক্রসিং ওভার হলো একটি প্রক্রিয়া যেখানে দুটি হোমোলোগাস ক্রোমোসোমের মধ্যে অংশের বিনিময় ঘটে। এটি মায়োসিস কোষ বিভাজনের সময় ঘটে এবং এর ফলে নতুন জিনগত সমন্বয় তৈরি হয়।

ভুট্টা কেন ব্যবহার করা হয়েছিল? 🌾

  • সহজলভ্যতা: ভুট্টা সহজেই চাষ করা যায়। 🌱
  • বৈচিত্র্য: ভুট্টার মধ্যে অনেক প্রকার ভেদ দেখা যায়, যা গবেষণা করার জন্য প্রয়োজনীয়। 🌈
  • দ্রুত জীবনচক্র: ভুট্টার জীবনচক্র দ্রুত হওয়ার কারণে অল্প সময়ে অনেক তথ্য পাওয়া যায়। ⏱️
  • ক্রোমোজোম সংখ্যা: তুলনামূলকভাবে ক্রোমোজোম সংখ্যা কম থাকায় সহজে পর্যবেক্ষণ করা যায়। 🧐

মর্গানের পরীক্ষা এবং পর্যবেক্ষণ 🔬

মর্গান ভুট্টা উদ্ভিদের বিভিন্ন বৈশিষ্ট্য (যেমন - বীজের রঙ, আকার) নিয়ে কাজ করার সময় দেখেন যে মেন্ডেলের সূত্র অনুযায়ী সবসময় বৈশিষ্ট্যগুলো আলাদা হচ্ছে না। কিছু ক্ষেত্রে বৈশিষ্ট্যগুলো একত্রে বংশ পরম্পরায় যাচ্ছে।

ফলাফল 📊

এই গবেষণা থেকে মর্গান ক্রসিং ওভারের ধারণা দেন। তিনি বলেন, ক্রোমোসোমের মধ্যে জিনের অবস্থান লিনিয়ার বা সরলরৈখিক এবং ক্রসিং ওভারের মাধ্যমে জিনের পুনর্বিন্যাস ঘটে। এর ফলে নতুন বৈশিষ্ট্য সৃষ্টি হয়। 🎉

ক্রসিং ওভারের গুরুত্ব 🌟

  1. জিনগত বৈচিত্র্য: ক্রসিং ওভারের মাধ্যমে জীবজগতে নতুন জিনগত বৈচিত্র্য সৃষ্টি হয়। 🥳
  2. অভিযোজন: এটি জীবকে পরিবেশের সাথে খাপ খাইয়ে নিতে সাহায্য করে। 🌍
  3. বংশগতি গবেষণা: ক্রসিং ওভার বংশগতি এবং বিবর্তনের গবেষণায় একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। 📚
  4. রোগ প্রতিরোধ: উদ্ভিদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে। 💪

সংক্ষেপে 📝

থমাস হান্ট মর্গানের ভুট্টা নিয়ে করা ক্রসিং ওভারের গবেষণা বংশগতিবিদ্যার ইতিহাসে একটি মাইলফলক। এই আবিষ্কারের মাধ্যমে আমরা জিনের গঠন এবং কার্যকারিতা সম্পর্কে আরও ভালোভাবে জানতে পেরেছি। 👍

তথ্যসূত্র 📚

  • Sturtevant, A. H. (1913). The linear arrangement of six sex-linked factors in Drosophila, as shown by their mode of association. Journal of Experimental Zoology, 14(1), 43-59.
  • Morgan, T. H. (1910). Sex limited inheritance in Drosophila. Science, 32(812), 120-122.

আশা করি এই ব্যাখ্যাটি আপনার কাজে লাগবে! 😊

Option A Explanation:
  • গম হলো একটি গুরুত্বপূর্ণ শস্য যা প্রধানত শুষ্ক ও ঠাণ্ডা পরিবেশে উন্নত হয়।
  • এটি C4 উদ্ভিদ শ্রেণীতে অন্তর্ভুক্ত, কারণ এটি উচ্চ শোষণ ক্ষমতা ও কম পানি ব্যবহার করে Photosynthesis করে।
  • Gমের Photosynthesis প্রক্রিয়ায় কার্বন ডাইঅক্সাইডের শোষণ ও রঙিন জৈব যৌগের উৎপাদন বেশি হয়, যা বেশি সূর্যালোক শোষণের জন্য উপযুক্ত।
  • এটি দ্রুত বৃদ্ধি পায় এবং উচ্চ ফলন দেয়, বিশেষ করে উষ্ণ ও শুষ্ক অঞ্চলে।
  • Gমের মূল বৈশিষ্ট্য হলো এটি C4 পদ্ধতিতে Photosynthesis করে, যা শাকসবজি ও খাদ্যশস্যের জন্য গুরুত্বপূর্ণ।
Option B Explanation:
  • ধান (Oryza sativa)
  • এটি একটি C4 উদ্ভিদ, যার অর্?? হলো এটি একটি C4 প্রক্রিয়ায় ফটোসিনথেসিস করে।
  • সাধারণত, ধান বাংলাদেশের প্রধান খাদ্যশস্যের মধ্যে একটি, যা উষ্ণ এবং আর্দ্র পরিবেশে ভাল বৃদ্ধি পায়।
  • এটির বিশেষ বৈশিষ্ট্য হলো এর পাতার গড়া এবং রঙের বৈচিত্র্য, যা সূর্যরশ্মির তাপ ও আলোতে কার্যকরভাবে ফটোসিন্থেসিস করতে সক্ষম।
  • প্রধানত, ধান দ্রুত বৃদ্ধি পায় এবং এর ফলন উচ্চ মানের খাদ্যশস্য হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ।
Option C Explanation:
  • ভুট্টা হলো একটি উদ্ভিদ যা প্রোক্যারিওটিক নয়।
  • এটি একটি উদ্ভিদ, যা ইউক্যারিওটিক কোষ দ্বারা গঠিত।
  • অর্থাৎ, এর কোষের মধ্যে নিউক্লিয়াস এবং অন্যান্য অঙ্গাণু (organelles) উপস্থিত থাকে।
  • প্রোক্যারিওটিক কোষের বৈশিষ্ট্য হলো, এদের মধ্যে নিউক্লিয়াস বা অঙ্গাণু সংযুক্ত থাকে না।
  • ভুট্টা একটি উদ্ভিদ হিসেবে, এটি ইউক্যারিওটিক প্রজাতির।
Option D Explanation:
  • প্রধান বৈশিষ্ট্য: যব (Jowar) একটি উষ্ণমণ্ডলীয় ধানজাতীয় ধানশস্য যা উচ্চ তাপমাত্রায় সালোকসংশ্লেষণ করতে সক্ষম।
  • উচ্চ তাপমাত্রায় টিকে থাকার ক্ষমতা: এটি সাধারণত ৩৫°C থেকে ৪০°C পর্যন্ত তাপমাত্রায় ভালভাবে বৃদ্ধি পায় এবং কার্যকরভাবে সালোকসংশ্লেষণ সম্পন্ন করতে পারে।
  • অন্তরঙ্গতা: যবের পাতা ও শেকড় উচ্চ তাপমাত্রা সহ্য করে, ফলে এটি উষ্ণ পরিবেশে বেশি দিন টিকে থাকতে পারে।
  • অন্য সুবিধা: উচ্চ তাপমাত্রায় এটি জল সংকটের মুখেও ভালো ফলন দেয়, কারণ এটি কম জলপ্রয়োজনীয়।