লগইন করুন
আমাদের ওয়েবসাইটের সকল সুবিধা পেতে লগইন করুন
আপনার পছন্দের থিম বেছে নিন।

থমাস হান্ট মর্গান এবং তার সহকর্মীরা বংশগতিবিদ্যার জগতে এক বৈপ্লবিক পরিবর্তন এনেছিলেন। ১৯০৯ সালে মর্গান প্রথম ক্রসিং ওভারের ধারণা দেন। এক্ষেত্রে তিনি ভুট্টা (Maize) উদ্ভিদ ব্যবহার করেছিলেন। নিচে এই বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হলো:
ক্রসিং ওভার হলো একটি প্রক্রিয়া যেখানে দুটি হোমোলোগাস ক্রোমোসোমের মধ্যে অংশের বিনিময় ঘটে। এটি মায়োসিস কোষ বিভাজনের সময় ঘটে এবং এর ফলে নতুন জিনগত সমন্বয় তৈরি হয়।
মর্গান ভুট্টা উদ্ভিদের বিভিন্ন বৈশিষ্ট্য (যেমন - বীজের রঙ, আকার) নিয়ে কাজ করার সময় দেখেন যে মেন্ডেলের সূত্র অনুযায়ী সবসময় বৈশিষ্ট্যগুলো আলাদা হচ্ছে না। কিছু ক্ষেত্রে বৈশিষ্ট্যগুলো একত্রে বংশ পরম্পরায় যাচ্ছে।
এই গবেষণা থেকে মর্গান ক্রসিং ওভারের ধারণা দেন। তিনি বলেন, ক্রোমোসোমের মধ্যে জিনের অবস্থান লিনিয়ার বা সরলরৈখিক এবং ক্রসিং ওভারের মাধ্যমে জিনের পুনর্বিন্যাস ঘটে। এর ফলে নতুন বৈশিষ্ট্য সৃষ্টি হয়। 🎉
থমাস হান্ট মর্গানের ভুট্টা নিয়ে করা ক্রসিং ওভারের গবেষণা বংশগতিবিদ্যার ইতিহাসে একটি মাইলফলক। এই আবিষ্কারের মাধ্যমে আমরা জিনের গঠন এবং কার্যকারিতা সম্পর্কে আরও ভালোভাবে জানতে পেরেছি। 👍
আশা করি এই ব্যাখ্যাটি আপনার কাজে লাগবে! 😊