টিউটোরিয়াল / গাইডলাইন অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ ডাউনলোড
Google Play
GET IT ON Google Play
StudyClub - স্মার্ট স্টাডি প্ল্যাটফর্ম
মেনু
Self Tracker
Messenger
Question Bank
Study User Report
Session Report
To do list Report
Study Leaderboard
Screen Time Leaderboard
Public Dashboard
Quiz Creator
Quiz Leaderboard
হোম
Profile
About
Tutorials
থিম নির্বাচন

আপনার পছন্দের থিম বেছে নিন।

যে কৃমিটি ফ্যাসমিডা শ্রেণির মধ্যে পড়বে না-

A. গোল কৃমি
B. হুক কৃমি
C. চাবুক কৃমি
D. ফাইলেরিয়া কৃমি
সঠিক উত্তরঃ C. চাবুক কৃমি
Explanation:

Another Explanation (5):

ফ্যাসমিডা (Phasmida) শ্রেণি: নয় যে কৃমি 🐛

ফ্যাসমিডা (Phasmida) শ্রেণিভুক্ত নয় এমন একটি কৃমি হলো চাবুক কৃমি। কেন এটি ফ্যাসমিডা নয়, তা জানতে হলে এই শ্রেণির বৈশিষ্ট্যগুলো আলোচনা করা দরকার।

ফ্যাসমিডা শ্রেণির বৈশিষ্ট্য 📝

  • সাধারণ বৈশিষ্ট্য: এরা নেমাটোডা (Nematoda) পর্বের অন্তর্ভুক্ত।
  • ফ্যাসমিড: এদের পশ্চাৎ প্রান্তে বিশেষ সংবেদী অঙ্গ ফ্যাসমিড (phasmid) থাকে।
  • আকার: সাধারণত ছোট আকারের হয়ে থাকে।
  • বাসস্থান: মাটি, জল সহ বিভিন্ন স্থানে বসবাস করে।
  • জীবনযাত্রা: এরা মুক্তজীবী অথবা পরজীবী উভয়ই হতে পারে।

চাবুক কৃমি (Whipworm) 😫

চাবুক কৃমি বা হুইপওয়ার্ম হলো ট্রিকিউরিস ট্রিকিউরা (Trichuris trichiura)। এটি নেমাটোডা পর্বের অন্তর্ভুক্ত হলেও ফ্যাসমিডা শ্রেণির নয়। এর কারণ:

  • ফ্যাসমিডের অনুপস্থিতি: চাবুক কৃমির দেহে ফ্যাসমিড নামক সংবেদী অঙ্গটি নেই।
  • শারীরিক গঠন: এদের শরীর চাবুকের মতো সরু এবং এদের গঠন ফ্যাসমিডা থেকে ভিন্ন।
  • পরজীবী: এরা মানুষের বৃহদান্ত্রে পরজীবী হিসেবে বাস করে এবং ট্রিকুরিয়াসিস (Trichuriasis) নামক রোগ সৃষ্টি করে।

তুলনামূলক তালিকা 📊

বৈশিষ্ট্য ফ্যাসমিডা কৃমি চাবুক কৃমি
ফ্যাসমিড অঙ্গ 👁️ উপস্থিত অনুপস্থিত
শারীরিক গঠন 💪 সরল নেমাটোডার মতো চাবুকের মতো
জীবনযাত্রা 🛤️ মুক্তজীবী বা পরজীবী পরজীবী
শ্রেণি 📚 ফ্যাসমিডা অ্যাডেনোফোরিয়া (Adenophorea)

ফ্যাসমিডা বনাম অন্যান্য কৃমি ⚔️

ফ্যাসমিডা Nematoda পর্বের একটি বৃহৎ গোষ্ঠী। এই পর্বে আরও অনেক শ্রেণি রয়েছে, যাদের বৈশিষ্ট্য ফ্যাসমিডা থেকে আলাদা। চাবুক কৃমি তাদের মধ্যে অন্যতম।

গুরুত্বপূর্ণ তথ্য 🤔

  • ফ্যাসমিডা কৃমি পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
  • চাবুক কৃমি মানুষের স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর।
  • কৃমি সনাক্তকরণের জন্য এদের বাহ্যিক ও অভ্যন্তরীণ গঠন জানা প্রয়োজন।

আশা করি, এই আলোচনা থেকে চাবুক কৃমি কেন ফ্যাসমিডা শ্রেণির অন্তর্ভুক্ত নয়, তা স্পষ্ট হয়েছে। 😊

Option A Explanation:
  • প্রকার: গোল কৃমি (Ascaris)
  • বৈশিষ্ট্য: এটি একটি পরজীবী নোংরা কৃমি যা মানুষের অন্ত্রে বাস করে।
  • আকার: সাধারণত ১৫-৩০ সেমি লম্বা, স্লিপার মত গঠন।
  • বিজ্ঞানিক নাম: Ascaris lumbricoides
  • অবস্থান: প্রধানত মানুষের পেট ও অন্ত্রের মধ্যে থাকতে দেখা যায়।
  • উৎপত্তি: মাটির মাধ্যমে সংক্রমিত হয়, যখন মানুষ মাটিতে থাকা পেটের কৃমির ডিম গিলেন।
  • লক্ষণ: পেট ব্যথা, অনিয়মিত পেটের সমস্যা, ক্ষুধা কমে যাওয়া, ওজন কমে যাওয়া।
Option B Explanation:

হুক কৃমি (Ancylostoma / Necator)

  • বর্ণনা: হুক কৃমি হলো একটি পরজীবী কৃমি যা মানুষের অন্ত্রে বাস করে। এটি সাধারণত পেটের ভিতরে আক্রমণ করে এবং ক্ষত সৃষ্টি করে।
  • অবস্থান: প্রধানত ছোট অন্ত্রের উপরের অংশে থাকে।
  • উৎপত্তি ও জীবনচক্র: পরজীবীটি ডিম থেকে ছানাগুলিতে রূপান্তরিত হয়, যা পরে মানুষের শরীরে প্রবেশ করে।
  • প্রভাব: রক্ত শোষণ করে শরীরের আয়রন কমাতে পারে, ফলে অ্যানিমিয়া হতে পারে।
  • সংক্রমণের উপায়: মৃত্তিকা বা মাটি থেকে সংস্পর্শে আসা, যেখানে ডিম বা ছানাগুলি থাকে।
  • উপসর্গ: অজানা দুর্বলতা, অ্যানিমিয়া, পেট ব্যথা, ক্ষুধা কমে যাওয়া।
Option C Explanation:

চাবুক কৃমি (Trichuris trichiura)

  • প্রকার: এটি ফ্যাসমিডা (Fasciomorpha) শ্রেণির অন্তর্ভুক্ত নয়।
  • বিশেষ বৈশিষ্ট্য: এটি একটি পরজীবী কৃমি যা মানবদেহে পায়ুপথে বাস করে।
  • আকার: প্রায় ৩-৫ সেমি চওড়া ও দীর্ঘ হতে পারে।
  • আক্রান্তি মাধ্যম: মূলত দূষিত খাবার ও পানির মাধ্যমে সংক্রমিত হয়।
  • অন্য নাম: ট্রাইকুরিস বা ট্রিকুরিস কৃমি।
  • আক্রান্তি লক্ষণ: পেট ব্যথা, ডায়রিয়া, অ্যানিমিয়া, ও কিছু ক্ষেত্রে গুরুতর সংক্রমণে পিলপিলি বা ফুসফুসের সংক্রমণ হতে পারে।
  • নিদান: মলের নমুনা পরীক্ষার মাধ্যমে কৃমির ডিমের উপস্থিতি দেখা যায়।
Option D Explanation:
  • ফাইলেরিয়া কৃমি (Filaria) হলো এক ধরনের পরজীবী ছোট কীট, যা মূলত মানবদেহে বাস করে।
  • এটি সাধারণত দেহের লিম্ফ্যাটিক সিস্টেমে বাস করে এবং লিম্ফ নালীগুলিকে প্রভাবিত করে।
  • ফাইলেরিয়া সংক্রমণের কারণে লিম্ফেডেমা রোগ হয়, যার ফলে অঙ্গপ্রত্যঙ্গ ফুলে যায়।
  • প্রধানত এডিস মশার মাধ্যমে এই পরজীবী মানবদেহে প্রবেশ করে।
  • এটি দীর্ঘস্থায়ী সংক্রমণ সৃষ্টি করতে পারে এবং এর জন্য চিকিৎসা প্রয়োজন হয়।