টিউটোরিয়াল / গাইডলাইন অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ ডাউনলোড
Google Play
GET IT ON Google Play
StudyClub - স্মার্ট স্টাডি প্ল্যাটফর্ম - Study Tracker - App Blocker - Reading Room
মেনু
Self Tracker
Messenger
Question Bank
Study User Report
Session Report
To do list Report
Study Leaderboard
Screen Time Leaderboard
Public Dashboard
Quiz Creator
Quiz Leaderboard
হোম
Profile
About
Tutorials
থিম নির্বাচন

আপনার পছন্দের থিম বেছে নিন।

দ্বিপদ নামকরণের জনক কে?

A. Carolus Linnaeus
B. George Fenthum
C. Theophrastus
D. de Candolle
সঠিক উত্তরঃ A. Carolus Linnaeus
Explanation:

Another Explanation (5): ```html

দ্বিপদ নামকরণ: একটি একাডেমিক আলোচনা 🌿

দ্বিপদ নামকরণের জনক

দ্বিপদ নামকরণ (Binomial Nomenclature) পদ্ধতির জনক সুইডিশ প্রকৃতিবিদ Carolus Linnaeus ( ক্যারোলাস লিনিয়াস)।

দ্বিপদ নামকরণ কী? 🤔

দ্বিপদ নামকরণ হলো জীব classification এর একটি পদ্ধতি। এই পদ্ধতিতে প্রতিটি জীবের জন্য দুটি পদ ব্যবহার করা হয়:

  1. গণ (Genus) - প্রথম অংশ, বড় হাতের অক্ষর দিয়ে শুরু হয়।
  2. প্রজাতি (Species) - দ্বিতীয় অংশ, ছোট হাতের অক্ষর দিয়ে শুরু হয়।

উদাহরণস্বরূপ, মানুষের বৈজ্ঞানিক নাম Homo sapiens। এখানে Homo হলো গণ এবং sapiens হলো প্রজাতি। 🧑‍🏫

ক্যারোলাস লিনিয়াস: সংক্ষিপ্ত পরিচিতি 👨‍🎓

  • জন্ম: ২৩ মে, ১৭০৭
  • মৃত্যু: ১০ জানুয়ারি, ১৭৭৮
  • পেশা: চিকিৎসক, উদ্ভিদবিদ, প্রাণিবিদ
  • অবদান: দ্বিপদ নামকরণ পদ্ধতি, শ্রেণীবিন্যাসবিদ্যার জনক

দ্বিপদ নামকরণের গুরুত্ব 🌟

  • সার্বজনীন স্বীকৃতি: একটি প্রজাতিকে সারা বিশ্বে একই নামে জানা যায়। 🌍
  • সুনির্দিষ্টতা: প্রতিটি জীবের একটি অনন্য এবং সুনির্দিষ্ট পরিচয় তৈরি হয়। 🔑
  • শ্রেণীবিন্যাস: জীবজগতের শ্রেণীবিন্যাসে সাহায্য করে। 🧬

দ্বিপদ নামকরণের নিয়মাবলী 📜

  1. নাম ল্যাটিন ভাষায় হতে হবে।
  2. গণ নামের প্রথম অক্ষর বড় হবে এবং প্রজাতি নামের প্রথম অক্ষর ছোট হবে।
  3. বৈজ্ঞানিক নাম সর্বদা ইটালিক (Italic) হরফে লিখতে হয়। যদি হাতে লেখা হয় তবে নামের নিচে দাগ দিতে হয়।

কিছু সাধারণ জীবের দ্বিপদ নাম 🐾

সাধারণ নাম বৈজ্ঞানিক নাম
মানুষ Homo sapiens
বাঘ Panthera tigris
ধান Oryza sativa
আম Mangifera indica

আরও কিছু তথ্য 💡

লিনিয়াসের শ্রেণীবিন্যাস পদ্ধতি এবং দ্বিপদ নামকরণ জীববিদ্যা গবেষণায় এক বৈপ্লবিক পরিবর্তন এনেছে। 🧪 তিনি Systema Naturae নামক একটি বই লিখেছিলেন যাতে তার শ্রেণীবিন্যাস পদ্ধতির বিস্তারিত আলোচনা করেন। বইটি জীববিজ্ঞানের ছাত্রদের জন্য খুব গুরুত্বপূর্ণ। 📚

আশা করি এই আলোচনা থেকে দ্বিপদ নামকরণ এবং ক্যারোলাস লিনিয়াস সম্পর্কে আপনার ধারণা স্পষ্ট হয়েছে। 👍

```
Option A Explanation:
  • নাম: Carolus Linnaeus
  • জন্ম: 1707 সালে সুইডেন
  • প্রসিদ্ধ: জীববিজ্ঞান ও শ্রেণীবিভাগের পিতৃপুরুষ
  • অবদান: জীবজন্তু ও উদ্ভিদকে শ্রেণীবদ্ধ করার জন্য লিনিয়াসের নামের উপর ভিত্তি করে "লিনিয়ান সিস্টেম" তৈরি করেন
  • বৈশিষ্ট্য: প্রাক-আধুনিক ট্যাক্সনমি পদ্ধতি প্রবর্তন করেন, যার মাধ্যমে জীবজন্তু ও উদ্ভিদ শ্রেণীবদ্ধ করা হয়
  • প্রসিদ্ধ কাজ: "Systema Naturae" নামক গ্রন্থে জীবের শ্রেণীবিভাগ ও নামকরণ প্রণালী তুলে ধরেন
Option B Explanation:
  • নাম: George Fenthum
  • পেশা: জীববিজ্ঞানী ও প্রাকৃতিক ইতিহাসের গবেষক
  • অবদান: প্রাকৃতিক ইতিহাস ও উদ্ভিদবিদ্যায় কাজ করেছেন
  • উল্লেখ্য: দ্বিপদ নামকরণের জনক হিসেবে সাধারণত লিনnaeus কেই বিবেচনা করা হয়, তবে Fenthum এর নামের উল্লেখ ঐতিহাসিক বা বৈজ্ঞানিক ক্ষেত্রে কম পরিচিত।
Option C Explanation:
  • নাম: থিওফ্রাস্টাস (Theophrastus)
  • জন্ম: প্রায় ৩৭০ খ্রিষ্টপূর্ব
  • মৃত্যু: প্রায় ২৮০ খ্রিষ্টপূর্ব
  • পেশা: প্রাচীন গ্রীক দার্শনিক ও botany এর পিতা
  • প্রসিদ্ধ কাজ: উদ্ভিদবিজ্ঞান ও দর্শন সম্পর্কিত প্রথম মৌলিক গ্রন্থ রচনা করেন
  • প্রভাব: উদ্ভিদবিজ্ঞান ও বৈজ্ঞানিক শ্রেণীবিন্যাসের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন
Option D Explanation:
  • de Candolle: ডি ক্যান্ডোল, পিয়ের অ্যান্টুইন ডি ক্যান্ডোল, একজন সুইস উদ্ভিদবিজ্ঞানী ছিলেন। তিনি ১৮২৭ সালে "প্রাকৃতিক শ্রেণীবিভাগ" বা "Natural System of Classification" এর ধারণা প্রবর্তন করেন। তার কাজের মাধ্যমে উদ্ভিদের নামকরণ ও শ্রেণীবিভাগের ক্ষেত্রে প্রাকৃতিক পদ্ধতির ভিত্তিতে কাজ শুরু হয়। এই পদ্ধতি উদ্ভিদের বৈজ্ঞানিক নামকরণে গুরুত্বপূর্ণ দিক নির্দেশ করে এবং আধুনিক দ্বিপদ নামকরণের ভিত্তি স্থাপন করে। এজন্য তিনি উদ্ভিদবিজ্ঞানের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি হিসেবে গণ্য হন।