টিউটোরিয়াল / গাইডলাইন অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ ডাউনলোড
Google Play
GET IT ON Google Play
StudyClub - স্মার্ট স্টাডি প্ল্যাটফর্ম
মেনু
Self Tracker
Messenger
Question Bank
Study User Report
Session Report
To do list Report
Study Leaderboard
Screen Time Leaderboard
Public Dashboard
Quiz Creator
Quiz Leaderboard
হোম
Profile
About
Tutorials
থিম নির্বাচন

আপনার পছন্দের থিম বেছে নিন।

 ট্রাইকাসপিড ও বাইকাসপিড কপাটিকা বন্ধের কারণে নিলয় হতে রক্ত যথাক্রমে পালমোনারি ও সিস্টেমিক ধমনিতে যায়।

উদ্দীপকে উল্লেখিত ঘটনার জন্য নিচের কোনটি সঠিক? 

A.

অলিন্দের ডায়াস্টোল

B.

অলিন্দের সিস্টোল

C.

নিলয়ের সিস্টোল 

D.

নিলয়ের ডায়স্টোল

সঠিক উত্তরঃ C.

নিলয়ের সিস্টোল 

Explanation:

Another Explanation (5): ```html

ট্রাইকাসপিড ও বাইকাসপিড কপাটিকা এবং নিলয়ের ভূমিকা 🫀

ট্রাইকাসপিড ও বাইকাসপিড কপাটিকা বন্ধ হওয়ার কারণে নিলয় হতে রক্ত পালমোনারি ও সিস্টেমিক ধমনীতে যায়। এই ঘটনাটি নিলয়ের সিস্টোল-এর ফলস্বরূপ ঘটে। নিচে এর বিস্তারিত ব্যাখ্যা দেওয়া হলো:

নিলয়ের সিস্টোল কি?

নিলয়ের সিস্টোল হলো হৃদপিণ্ডের নিলয় প্রকোষ্ঠের সংকোচন। এই সময়ে নিলয়ের ভেতরের চাপ বৃদ্ধি পায়।

ঘটনাপ্রবাহ 🔄

  1. কপাটিকা বন্ধ: ট্রাইকাসপিড (ডান নিলয় এবং অলিন্দের মধ্যে) ও বাইকাসপিড/mitral (বাম নিলয় এবং অলিন্দের মধ্যে) কপাটিকা বন্ধ হয়ে যায়। এর ফলে অলিন্দ থেকে নিলয়ে রক্ত আসা বন্ধ হয়। 🚫
  2. চাপ বৃদ্ধি: নিলয় সংকুচিত হতে শুরু করলে ভেতরের চাপ দ্রুত বাড়তে থাকে। 📈
  3. ধমনীতে রক্ত প্রবাহ: নিলয়ের চাপ যখন পালমোনারি ধমনী (ডান নিলয় থেকে) ও অ্যাওর্টা/সিস্টেমিক ধমনী (বাম নিলয় থেকে)-র চাপের চেয়ে বেশি হয়, তখন পালমোনারি ও অ্যাওর্টিক কপাটিকা খোলে এবং রক্ত এই ধমনীগুলোতে প্রবেশ করে। 🩸➡️
  4. রক্ত সরবরাহ:
    • পালমোনারি ধমনী: ডান নিলয় থেকে রক্ত ফুস???ুসে যায় অক্সিজেন গ্রহণের জন্য। 🌬️
    • সিস্টেমিক ধমনী (অ্যাওর্টা): বাম নিলয় থেকে রক্ত সারা শরীরে অক্সিজেন ও পুষ্টি সরবরাহ করে। 💪

ছকের মাধ্যমে ব্যাখ্যা

ঘটনা ফলাফল
ট্রাইকাসপিড ও বাইকাসপিড কপাটিকা বন্ধ 🔒 অলিন্দ থেকে নিলয়ে রক্ত আসা বন্ধ।
নিলয়ের সিস্টোল (সংকোচন) 💪 নিলয়ের ভিতরে চাপ বৃদ্ধি।
পালমোনারি ও অ্যাওর্টিক কপাটিকা খোলা 🔓 রক্ত পালমোনারি ও সিস্টেমিক ধমনীতে প্রবেশ করে।
রক্ত সরবরাহ 🚚
  • পালমোনারি ধমনী: ফুসফুসে রক্ত পরিবহন।
  • সিস্টেমিক ধমনী: সারা শরীরে রক্ত পরিবহন।

গুরুত্বপূর্ণ বিষয় 💡

  • নিলয়ের সিস্টোল একটি অত্যাবশ্যকীয় প্রক্রিয়া যা সারা শরীরে রক্ত সরবরাহ নিশ্চিত করে। ❤️
  • কপাটিকাগুলোর সঠিক কার্যকারিতা রক্ত প্রবাহের জন্য জরুরি। ⚙️
  • হৃদপিণ্ডের সুস্থতা বজায় রাখতে নিয়মিত ব্যায়াম ও স্বাস্থ্যকর জীবনযাপন প্রয়োজন। 🏃‍♀️🍎

আশা করি, এই ব্যাখ্যাটি ট্রাইকাসপিড ও বাইকাসপিড কপাটিকা এবং নিলয়ের সিস্টোল সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা দিতে পেরেছে। 😊

```
Option A Explanation:
  • অলিন্দের ডায়াস্টোল: এটি কার্ডিয়াক চক্রের একটি পর্যায় যেখানে হৃদয়ের অলিন্দ (অ্যাট্রিয়াম) শিথিল হয়ে রক্ত গ্রহণ করে।
  • সময়সীমা: সাধারণত এই পর্যায়ের সময়কাল প্রায় ০.৭ সেকেন্ড।
  • ক্রিয়া: অলিন্দের ডায়াস্টোলের সময়, অলিন্দে রক্ত প্রবাহিত হয় এবং তারা শিথিল থাকে, যা পরবর্তী ধাপে রক্তের প্রবাহের জন্য প্রস্তুত করে।
  • গুরুত্ব: এই পর্যায় হৃদপিণ্ডের কার্যকারিতায় গুরুত্বপূর্ণ, কারণ এটি রক্তের প্রবাহের জন্য উপযুক্ত পরিস্থিতি সৃষ্টি করে।
Option B Explanation:

অলিন্দের সিস্টোল

  • অলিন্দের সিস্টোল: এটি হৃৎপিণ্ডের সংকোচনকাল, যেখানে অলিন্দ (এট্রিয়াম) সংকুচিত হয়।
  • এই সময়ে, অলিন্দের ভিতর থেকে রক্ত বের হয়ে যায় এবং ট্রাই-কাসপিড ও বাই-কাসপিড কপাটিকা বন্ধ হয়।
  • এর ফলে, রক্ত পালমোনারি ও সিস্টেমিক মহাধমনিতে প্রবাহিত হয়।
  • অলিন্দের সিস্টোলের ফলে, রক্তের প্রবাহের মাধ্যমে শরীরের বিভিন্ন অঙ্গপ্রতঙ্গে অক্সিজেনপ্রদ রক্ত পৌঁছে যায়।
Option C Explanation:
  • নিলয়ের সিস্টোল: এটি হৃৎপিণ্ডের নিলয় বা অ্যাট্রিয়াম সংকোচনের সময়কাল।
  • সাধারণত, নিলয়ের সিস্টোলের সময়কাল প্রায় ০.১ থেকে ০.৩ সেকেন্ডের মধ্যে হয়।
  • এটি কার্ডিয়াক চক্রের অংশ হিসেবে, যেখানে অ্যাট্রিয়াম সংকোচন করে রক্তকে অর্টারিতে পাঠায়।
  • নিলয়ের সিস্টোলের সময়কাল নির্ভর করে হৃৎপিণ্ডের গতি ও স্বাস্থ্যের উপর।
  • এটি কার্ডিয়াক চক্রের অন্যান্য পর্বের তুলনায় কম সময়ের জন্য ঘটে।
Option D Explanation:
  • নিলয়ের ডায়স্টোল: এটি হল হৃদয়ের নিলয়ের (ক্লোজিং ভ্যালু) শিথিলকরণ পর্ব, যেখানে হৃদয় শিথিল হয়ে রক্তের প্রবাহের জন্য প্রস্তুত হয়।
  • এই অবস্থায় সাধারণত সময়কাল প্রায় ০.৭ সেকেন্ড হতে পারে, যা হৃদয়ের পুরো ডায়স্টোলিক চক্রের এক অংশ।
  • নিলয়ের ডায়স্টোলের সময়কালে হৃদয়ের অন্তঃস্থল চাপ কমে যায়, ফলে রক্তের প্রবাহ বৃদ্ধি পায় এবং অলিন্দে রক্ত জমা হয়।
  • এই পর্যায়টি হৃদয়প্রবাহের স্বাভাবিক কার্যকলাপের জন্য গুরুত্বপূর্ণ, কারণ এটি রক্তের পুনরায় ভরাটের জন্য সময় দেয়।