টিউটোরিয়াল / গাইডলাইন অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ ডাউনলোড
Google Play
GET IT ON Google Play
StudyClub - স্মার্ট স্টাডি প্ল্যাটফর্ম - Study Tracker - App Blocker - Reading Room
মেনু
Self Tracker
Messenger
Question Bank
Study User Report
Session Report
To do list Report
Study Leaderboard
Screen Time Leaderboard
Public Dashboard
Quiz Creator
Quiz Leaderboard
হোম
Profile
About
Tutorials
থিম নির্বাচন

আপনার পছন্দের থিম বেছে নিন।

নিউট্রন তারকা সংকুচিত হয়ে কী অবস্থা লাভ করে?

A. রক্তিম দৈত্য
B. সুপার নোভা
C. সাদা বামন
D. কৃষ্ণ গহ্বর
সঠিক উত্তরঃ D. কৃষ্ণ গহ্বর
Explanation: নিউট্রন তারকা সংকুচিত হয়ে কৃষ্ণ গহ্বর সৃষ্টি করে। সঠিক উত্তর D। A. রক্তিম দৈত্য ভুল, কারণ এটি একটি তারকার বিকাশকালীন অবস্থা; B. সুপার নোভা ভুল, কারণ এটি বিস্ফোরণকালীন দশা; C. সাদা বামন ভুল, কারণ এটি অপেক্ষাকৃত ছোট ভরের তারকার শেষ অবস্থা। নোট: কৃষ্ণ গহ্বর হলো একটি চরম ঘনত্বযুক্ত অবস্থা।
Another Explanation (5):

নিউট্রন তারকার অন্তিম পরিণতি: কৃষ্ণগহ্বর 🌌

নিউট্রন তারা মহাবিশ্বের সবচেয়ে ঘন বস্তুগুলোর মধ্যে অন্যতম। কিন্তু এর ভরের একটা সীমা আছে। যখন একটি নিউট্রন তারা সেই ভরসীমা অতিক্রম করে, তখন মহাকর্ষীয় পতন ঘটে এবং এটি কৃষ্ণগহ্বরে পরিণত হয়।

ভরসীমা 📏

  • চন্দ্রশেখর সীমা: এটি হলো ১.৪৪ সৌর ভর। এই ভরের চেয়ে কম ভরের কোনো শ্বেত বামন তারা নিজের অভিকর্ষের বিরুদ্ধে স্থায়ী হতে পারে।
  • টলম্যান-ওপেনহেইমার-ভলকফ সীমা (TOV): এটি ২.১৬ সৌর ভর থেকে ৩ সৌর ভর পর্যন্ত হতে পারে। যদি কোনো নিউট্রন তারার ভর এই সীমা অতিক্রম করে, তবে তা কৃষ্ণগহ্বরে পরিণত হবে।

কৃষ্ণগহ্বর बनने की प्रक्रिया:

  1. মহাকর্ষীয় পতন: নিউট্রন তারার ভর যখন TOV সীমা অতিক্রম করে, তখন ভেতরের চাপ মহাকর্ষকে আর ঠেকাতে পারে না।
  2. সংকোচন: তারাটি দ্রুত সংকুচিত হতে শুরু করে।
  3. একক বিন্দু (Singularity): সংকোচন একটি অসীম ঘনত্বের বিন্দুতে পৌঁছায়, যাকে সিঙ্গুলারিটি বলা হয়।
  4. ঘটনা দিগন্ত (Event Horizon): সিঙ্গুলারিটির চারপাশে একটি ঘটনা দিগন্ত তৈরি হয়। এই দিগন্তের ভেতর থেকে আলো সহ কিছুই পালাতে পারে না।

কৃষ্ণগহ্বরের বৈশিষ্ট্য 🕳️

বৈশিষ্ট্য বর্ণনা
ভর (Mass) কৃষ্ণগহ্বরের ভেতরের সমস্ত ভর একটি বিন্দুতে কেন্দ্রীভূত থাকে।
চার্জ (Charge) কৃষ্ণগহ্বর সাধারণত বৈদ্যুতিকভাবে নিরপেক্ষ থাকে।
কৌণিক ভরবেগ (Angular Momentum) কিছু কৃষ্ণগহ্বর ঘূর্ণায়মান হতে পারে, যার ফলে তাদের কৌণিক ভরবেগ থাকে।

সংক্ষেপে 📝

নিউট্রন তারা সংকুচিত হয়ে কৃষ্ণগহ্বরে পরিণত হওয়ার কারণ হলো ভরের সীমা অতিক্রম করা এবং মহাকর্ষীয় পতন। কৃষ্ণগহ্বর মহাবিশ্বের সবচেয়ে রহস্যময় বস্তুগুলোর মধ্যে একটি।🤔🌌

আরো কিছু তথ্য

কৃষ্ণগহ্বর নিয়ে গবেষণা এখনো চলছে। বিজ্ঞানীরা এর গঠন, বৈশিষ্ট্য এবং মহাবিশ্বের উপর এর প্রভাব সম্পর্কে জানার চেষ্টা করছেন। 🔭

আশা করি এই ব্যাখ্যাটি আপনার কাজে লাগবে! 😊👍