টিউটোরিয়াল / গাইডলাইন অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ ডাউনলোড
Google Play
GET IT ON Google Play
StudyClub - স্মার্ট স্টাডি প্ল্যাটফর্ম
মেনু
Self Tracker
Messenger
Question Bank
Study User Report
Session Report
To do list Report
Study Leaderboard
Screen Time Leaderboard
Public Dashboard
Quiz Creator
Quiz Leaderboard
হোম
Profile
About
Tutorials
থিম নির্বাচন

আপনার পছন্দের থিম বেছে নিন।

উন্নত প্রজাতির পুরুষ ও স্ত্রী জীব হতে আসা উপাদানদ্বয়ের মিলনে সৃষ্ট অপত্য জীবটির বৈশিষ্ট্য প্যারেন্টের মতো হয় ।

উদ্দীপকে উল্লিখিত পুরুষ জীব হতে আসা উপাদানটি হলো –

A. ক্রোমোজোম
B. জাইগোট
C. শুক্রাণু
D. স্পোর
সঠিক উত্তরঃ C. শুক্রাণু
Another Explanation (5): উত্তরটি হলো: **"শুক্রাণু"**। নিচে এর ব্যাখ্যা প্রদান করা হলো: - **উদ্দীপকটি বোঝাচ্ছে:** উন্নত প্রজাতির পুরুষ ও স্ত্রী জীবের উপাদানদ্বয়ের মিলনে জন্ম নেওয়া অপত্য জীবটির বৈশিষ্ট্য প্যারেন্টের মতো হয়। অর্থাৎ, এই জীবটি তার পিতামাতার বৈশিষ্ট্য ধারণ করে। - **প্রজননের প্রক্রিয়ায়:** - পুরুষ জীবের উপাদানটি হলো **"শুক্রাণু"** (sperm)। - স্ত্রী জীবের উপাদানটি হলো **"ডিম"** (egg)। - এই দুই উপাদানের সম্মিলনেই নতুন জীবের সৃষ্টি হয়। - **শুক্রাণুর ভূমিকা:** - এটি পুরুষ জীব থেকে আসে। - শুক্রাণু ডিমের সঙ্গে মিলিত হয়ে নিষিক্তকরণ চালায়। - এই মিলনের ফলস্বরূপ, নতুন জীবটি পিতামাতার কিছু বৈশিষ্ট্য ধারণ করে, যেমন শারীরিক গঠন, জিনগত বৈশিষ্ট্য ইত্যাদি। - **সারসংক্ষেপ:** এই জন্য, প্রশ্নে উল্লেখিত "পুরুষ জীব হতে আসা উপাদানটি" হলো **"শুক্রাণু"**। এটি পুরুষ থেকে আসে এবং নিষিক্তকরণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে, ফলে অপত্য জীবটির বৈশিষ্ট্য প্যারেন্টের মতো হয় বলে উল্লেখ করা হয়েছে।
Option A Explanation: ক্রোমোজোমের ব্যাখ্যা

ক্রোমোজোমের ব্যাখ্যা

  • সংজ্ঞা: ক্রোমোজোম হলো ডিএনএ (DNA) এর গুচ্ছ, যা জীবের জেনেটিক তথ্য ধারণ করে।
  • অবস্থান: এইক্রোমোজোমগুলি জীবের কোষের নিউক্লিয়াসে পাওয়া যায়।
  • সংখ্যা: প্রজাতির উপর নির্ভর করে ক্রোমোজোমের সংখ্যা পরিবর্তিত হয়। উদাহরণস্বরূপ, মানুষের মধ্যে ২৩ জোড়া ক্রোমোজোম থাকে।
  • ভূমিকা: ক্রোমোজোম জেনেটিক বৈচিত্র্য, বৈশিষ্ট্য ও বংশগতির তথ্য বহন করে।
  • প্রকার: মূলত দুই ধরণের ক্রোমোজোম আছে: স্বাভাবিক (অটোসোম) এবং লিঙ্গ নির্ধারক ক্রোমোজোম।
Option B Explanation:
  • জাইগোট: জাইগোট হলো ম্যালেরিয়া পরজীবীর একটি গুরুত্বপূর্ণ পর্ব, যা স্পোরোজয়েটের পরবর্তীতে গঠিত হয়। এটি মূলতঃ পরজীবীর একটি শক্তিশালী এবং স্থিতিশীল রূপ, যা পরবর্তীতে অ্যানফিলিস মশকীর দেহে বৃদ্ধি পায়।
  • গঠন: জাইগোট তৈরির জন্য, স্পোরোজয়েটগুলো অ্যানফিলিস মশকীর অঙ্গপ্রত্যঙ্গের মধ্যে মিলিত হয় এবং একত্রিত হয়ে এই পর্বটি গঠন করে।
  • অবস্থান: এটি মশকীর অগ্ন্যাশয় বা গ্লান্ডে অবস্থান করে, যেখানে এটি পরবর্তী ধাপের জন্য প্রস্তুত হয়।
  • মূল ভূমিকা: জাইগোট পরবর্তীতে বিভাজিত হয়ে ম্যালেরিয়া পরজীবীর অন্য ধাপগুলোতে রূপান্তরিত হয়, যা পরিশেষে মানবদেহে প্রবেশ করে এবং রোগের কারণ হয়।
Option C Explanation:
  • শুক্রাণু: শুক্রাণু হলো পুরুষ জনিত জীবের প্রতিরক্ষামূলক জৈবকোষ।
  • এটি শুক্রাণুপীড়ের মাধ্যমে উৎপন্ন হয় এবং স্ত্রীজীবের ডিম্বাণুর সাথে মিলিত হয়ে সন্তান উৎপাদন প্রক্রিয়ায় অংশ নেয়।
  • শুক্রাণুর গঠন সাধারণত মাথা, দেহ ও লেজ নিয়ে গঠিত, যেখানে লেজটি শুক্রাণুকে চলাচলের জন্য সাহায্য করে।
  • এটি বিভিন্ন জীবের প্রজননে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে, বিশেষ করে জলজ ও স্তন্যপায়ী জীবের প্রজননে।
Option D Explanation:
  • স্পোর হলো এক ধরনের জীবনচক্রের অংশ, যা বিশেষ করে প্যাথোজেনিক বা পুনরুৎপাদনশীল জীবের মধ্যে দেখা যায়।
  • এটি একটি ক্ষুদ্র, শক্তিপূর্ণ কোষ বা পরিপাক্য অংশ, যা পরিবেশের অস্থিতিশীলতা সহ্য করে এবং নতুন জীবের উৎপত্তির জন্য ব্যবহৃত হয়।
  • স্পোর সাধারণত একক বা একাধিক কোষের সমন্বয়ে গঠিত হয় এবং এটি বিকাশের মাধ্যমে নতুন জীবের রূপ নেয়।
  • প্রাকৃতিক পরিবেশে স্পোর দীর্ঘ সময় টিকে থাকতে পারে এবং উত্তাপে বা আর্দ্রতায় সক্রিয় হয়ে নতুন জীবের জন্ম দেয়।