টিউটোরিয়াল / গাইডলাইন অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ ডাউনলোড
Google Play
GET IT ON Google Play
StudyClub - স্মার্ট স্টাডি প্ল্যাটফর্ম
মেনু
Self Tracker
Messenger
Question Bank
Study User Report
Session Report
To do list Report
Study Leaderboard
Screen Time Leaderboard
Public Dashboard
Quiz Creator
Quiz Leaderboard
হোম
Profile
About
Tutorials
থিম নির্বাচন

আপনার পছন্দের থিম বেছে নিন।

সরীসৃপ এর যুগ বলা হয় কোন পিরিয়ডকে?

A. ক্রিটেসিয়েদ
B. জুরাসিক
C. ট্রায়াসিক
D. সবগুলো
সঠিক উত্তরঃ D. সবগুলো
Explanation: ক্রিটেসিয়াস, জুরাসিক এবং ট্রায়াসিক - এই তিনটি যুগকেই সরীসৃপের যুগ বলা হয়। Option A: ক্রিটেসিয়াস - আংশিক সঠিক, কারণ এটি সরীসৃপের যুগের একটি অংশ। Option B: জুরাসিক - আংশিক সঠিক, কারণ এটি ডাইনোসরের আধিপত্যকাল। Option C: ট্রায়াসিক - আংশিক সঠিক, কারণ এটি সরীসৃপের যুগের প্রথম অংশ। Option D: সবগুলো - সঠিক, কারণ তিনটি যুগই সরীসৃপের উন্নতির জন্য পরিচিত। নোট: মেসোজোইক যুগকে সরীসৃপের স্বর্ণযুগ বলা হয়।
Another Explanation (5):

সরীসৃপ যুগ: মেসোзойিক Era 🦖 🦕 🐍

মেসোзойিক এরাকে সরীসৃপের যুগ বলা হয়। এই সময়কালে ডাইনোসর সহ বিভিন্ন প্রকার সরীসৃপের আধিপত্য ছিল। প্রায় ১৮০ মিলিয়ন বছর ধরে এই যুগ স্থায়ী ছিল।

মেসোзойিক এরা এর সময়কাল:

  • ট্রায়াসিক পিরিয়ড: ২৫১.৯ মিলিয়ন বছর আগে থেকে ২০ কোটি বছর আগে পর্যন্ত 🌋
  • জুরাসিক পিরিয়ড: ২০ কোটি বছর আগে থেকে ১৪ কোটি ৫০ লক্ষ বছর আগে পর্যন্ত 🌿
  • ক্রিটেশিয়াস পিরিয়ড: ১৪ কোটি ৫০ লক্ষ বছর আগে থেকে ৬ কোটি ৬০ লক্ষ বছর আগে পর্যন্ত ☄️

মেসোзойিক এরা-র গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্যসমূহ:

  1. স্থলভাগে ডাইনোসরের আধিপত্য 🦖
  2. প্রথম স্তন্যপায়ী প্রাণীর উদ্ভব 🦡
  3. পাখিদের আবির্ভাব 🐦
  4. সরীসৃপদের বিবর্তন ও বিস্তার 🦎
  5. মহাদেশগুলোর গঠন পরিবর্তন 🌍

বিভিন্ন প্রকার সরীসৃপ:

নাম বৈশিষ্ট্য সময়কাল
টাইরানোসরাস রেক্স (Tyrannosaurus Rex) বিশাল মাংসাশী ডাইনোসর, শক্তিশালী চোয়াল ও দাঁত 🦷 ক্রিটেশিয়াস পিরিয়ড
ব্র্যাকিওসরাস (Brachiosaurus) লম্বা গলাযুক্ত তৃণভোজী ডাইনোসর 🌿 জুরাসিক পিরিয়ড
ট্রাইসেরাটপস (Triceratops) শিংযুক্ত মুখ ও বিশাল শরীর 🦏 ক্রিটেশিয়াস পিরিয়ড
ভেলোসির‍্যাপ্টর (Velociraptor) ছোট আকারের শিকারী ডাইনোসর, দ্রুতগতি সম্পন্ন 🏃‍♀️ ক্রিটেশিয়াস পিরিয়ড

মেসোзойিক এরা-র সমাপ্তি:

প্রায় ৬ কোটি ৬০ লক্ষ বছর আগে ক্রিটেশিয়াস-প্যালিওজিন বিলুপ্তির (K–Pg extinction event) মাধ্যমে মেসোзойিক এরা-র সমাপ্তি ঘটে। ধারণা করা হয়, এই সময় একটি বিশাল আকারের গ্রহাণু পৃথিবীর সাথে ধাক্কা লেগেছিল, যার ফলে ডাইনোসরসহ অনেক প্রজাতির বিলুপ্তি ঘটে। 🌠

আরও জানতে বিভিন্ন ওয়েবসাইট ও জার্নাল থেকে তথ্য সংগ্রহ করতে পারেন। 📚

আশা করি এই তথ্যগুলো আপনার কাজে লাগবে! 😊

Option A Explanation:
  • ক্রিটেসিয়েদ: এটি একটি ভূগর্ভস্থ যুগ যা প্রায় ৬৬ থেকে ১১৭ মিলিয়ন বছর আগে ঘটেছে।
  • এই যুগটি ডাইনোসরদের শেষ যুগ হিসেবে পরিচিত, যেখানে তারা বৃহৎ আকারে বিস্তার লাভ করেছিল।
  • এছাড়াও, এই সময়ে অনেক প্রাকৃতিক পরিবর্তন ঘটে, যেমন জলবায়ুর পরিবর্তন ও জীববৈচিত্র্যের বিভিন্নতা।
  • পৃথিবীর ভূতাত্ত্বিক ইতিহাসে ক্রিটেসিয়েদ যুগের গুরুত্ব অনেক, কারণ এটি ক্যালসিয়াম ও কার্বনেটের স্তরগুলির জন্য গুরুত্বপূর্ণ।
Option B Explanation:
  • জুরাসিক কাল: এটি ডাইনোসরদের যুগের মধ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ কাল, যা প্রায় ২০১ থেকে ১৪৬ মিলিয়ন বছর আগে স্থির হয়।
  • প্রাকৃতিক ইতিহাসে গুরুত্বপূর্ণ: এই কালখণ্ডে বেশ কিছু আধুনিক পাখির পূর্বপুরুষের উদ্ভব ঘটে, যার মধ্য??? দাঁতযুক্ত পাখির অবদান রয়েছে।
  • দাঁতযুক্ত পাখি: এই সময়ে কিছু প্রাচীন পাখির মধ্যে দাঁত দেখা যায়, যা আধুনিক পাখির থেকে আলাদা।
  • উদ্ভবের প্রক্রিয়া: জুরাসিক কালে পাখির ডানার গঠন ও খাদ্য সংক্রান্ত পরিবর্তনের মাধ্যমে দাঁতযুক্ত পাখির উদ্ভব ঘটে।
Option C Explanation: ট্রায়াসিক কাল

ট্রায়াসিক কাল

  • সময়কাল: প্রায় ২৫০ থেকে ১৯০ মিলিয়ন বছর পূর্বে
  • প্রধান বৈশিষ্ট্য: মাঝারি যুগ, ডাইনোসাউরদের উত্থান ও বিবর্তন শুরু হয়
  • জীববৈচিত্র্য: বিভিন্ন ধরণের জলজ ও স্থলজ প্রাণীর বিকাশ, পাখির পূর্বপুরুষের আবির্ভাব
  • পাখির উদ্ভব: প্রথম দাঁতযুক্ত পাখির উদ্ভব এই সময়ে ঘটে বলে ধারণা করা হয়
  • প্রধান জীববৈচিত্র্য: ডাইনোসাউর, শিম্পাঞ্জি, মাছের প্রজাতি উল্লেখযোগ্য
Option D Explanation:
  • Vitamin B Complex: ই. coli প্রজাতি কিছু ভিটামিন উৎপন্ন করতে সক্ষম, যেমন বিভিন্ন B ভিটামিন (B1, B2, B6, B12), যা শরীরের জন্য গুরুত্বপূর্ণ।
  • Vitamin C: সাধারণত ই. coli দ্বারা ভিটামিন C (অ্যাকটিভিসন) উৎপন্ন হয় না, তবে কিছু স্ট্রেইন কিছুটা উৎপন্ন করতে পারে বলে মত রয়েছে।
  • Vitamin K: অনেক ব্যাকটেরিয়া, বিশেষ করে ই. coli, ভিটামিন K উৎপন্ন করে, যা রক্তের জমাট বাঁধা প্রক্রিয়ায় গুরুত্বপূর্ণ।