টিউটোরিয়াল / গাইডলাইন অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ ডাউনলোড
Google Play
GET IT ON Google Play
StudyClub - স্মার্ট স্টাডি প্ল্যাটফর্ম
মেনু
Self Tracker
Messenger
Question Bank
Study User Report
Session Report
To do list Report
Study Leaderboard
Screen Time Leaderboard
Public Dashboard
Quiz Creator
Quiz Leaderboard
হোম
Profile
About
Tutorials
থিম নির্বাচন

আপনার পছন্দের থিম বেছে নিন।

রহিম বেগুনগাছের শীর্ষমুকুল এনে কৃত্রিম আবাদ মাধ্যমে আবাদ করলেন। কিছুদিন পর সেখানে অসংখ্য চারা সৃষ্টি হলো।

কৃত্রিম প্রজনন অপেক্ষা উদ্দীপক পদ্ধতি ভালো,কারন এটি-


A.

নতুন প্রজাতি সৃষ্টি করে

B.

নতুন প্রকরণ তৈরি করে

C.

রোগমুক্ত চারা উৎপ্নন করে 

D.

জিনের পরিবর্তন ঘটায়

সঠিক উত্তরঃ C.

রোগমুক্ত চারা উৎপ্নন করে 

Explanation:

Another Explanation (5):

রহিম বেগুনগাছের শীর্ষমুকুল এনে কৃত্রিম প্রজননের সুবিধা

কৃত্রিম প্রজনন বা প্রজনন পদ্ধতিতে বিভিন্ন সুবিধা থাকে। নিচে এর কিছু গুরুত্বপূর্ণ সুবিধা আলোচনা করা হলোঃ

  • 🌱 রোগমুক্ত চারা উৎপাদন: প্রাকৃতিক পরিবেশের পরিবর্তে নিয়ন্ত্রিত পরিবেশে চারা তৈরি হওয়ায় রোগের সংক্রমণ কমে যায়।
  • 🌟 উচ্চ ফলনশীলতা: উন্নত মানের চারা দ্রুত বৃদ্ধি পায় এবং ফলন বৃদ্ধি পায়।
  • 🧬 উন্নত জাতের সংরক্ষণ ও সম্প্রসারণ: নির্দিষ্ট গুণাগুণসম্পন্ন জাতের চারা দ্রুত ও সহজে উৎপাদন সম্ভব।
  • 💧 নিয়ন্ত্রিত পরিবেশ: জল, আলো, পুষ্টি ইত্যাদি নিয়ন্ত্রণ করে সর্বোত্তম বৃদ্ধির পরিবেশ সৃষ্টি করা যায়।
  • 🛡️ রোগমুক্ত চারা উৎপ্নন: কৃত্রিম প্রজননের মাধ্যমে রোগের বাহক বা সংক্রমণের সম্ভাবনা কমিয়ে দেওয়া যায়। এটি ফলের গুণগতমান উন্নত করে।

উপসংহার:

অতএব, কৃত্রিম প্রজনন পদ্ধতি ব্যবহারে রোগমুক্ত চারা উৎপন্ন করা সম্ভব, যা ফলন ও গুণগত মানের উন্নতিতে সহায়ক। এটি কৃষকের জন্য একদিকে লাভজনক, অন্যদিকে ফলন ও মানের দিক থেকে অগ্রগামী।

সুবিধা বর্ণনা
রোগমুক্ত চারা নিয়ন্ত্রিত পরিবেশে রোগের সংক্রমণ কম হয়।
উচ্চ ফলন উন্নত মানের চারা দ্রুত বৃদ্ধি পায় ও ফলন বৃদ্ধি পায়।
জাতের সংরক্ষণ উন্নত জাতের দ্রুত ও সহজ প্রজনন সম্ভব।
নিয়ন্ত্রিত পরিবেশ পুষ্টি, জল, আলো নিয়ন্ত্রণে থাকে।
Option A Explanation:
  • কৃত্রিম প্রজননের মাধ্যমে নতুন বৈশিষ্ট্যসমৃদ্ধ প্রজাতি সৃষ্টি করা সম্ভব হয়।
  • প্রাকৃতিক প্রজননের থেকে এটি দ্রুত ও লক্ষ্যভেদে নতুন প্রজাতি তৈরি করতে সাহায্য করে।
  • এটি বিশেষ করে বিভিন্ন গুণাবলী সংমিশ্রণের জন্য ব্যবহৃত হয়, যেমন রোগপ্রতিরোধক বা অধিক ফলনশীল প্রজাতি।
  • নতুন প্রজাতি সৃষ্টি হলে কৃষি ও উদ্যানপালনে বৈচিত্র্য বৃদ্ধি পায় এবং নির্দিষ্ট চাহিদা পূরণে সুবিধা হয়।
Option B Explanation:
  • কৃত্রিম প্রজনন পদ্ধতিতে বিভিন্ন প্রজনন প্রযুক্তি ব্যবহৃত হয়, যেমন নিওক্লিয়ার ট্রান্সফার, ইনভিট্রো ফার্টিলাইজেশন ইত্যাদি।
  • এই পদ্ধতিতে নতুন ধরণের উদ্ভিদ বা প্রকরণ তৈরি করা সম্ভব হয়, যা প্রাকৃতিক প্রক্রিয়ায় সম্ভব নয়।
  • নতুন প্রকরণ তৈরির মাধ্যমে উদ্ভিদের বৈচিত্র্য বৃদ্ধি পায় এবং কৃষি উৎপাদন আরও উন্নত হয়।
  • এটি সাধারণত জেনেটিক পরিবর্তন বা উন্নত প্রজনন প্রযুক্তি দ্বারা সম্পন্ন হয়, যাতে উদ্ভিদের গুণগত মান বা বৈচিত্র্য বৃদ্ধি পায়।
Option C Explanation:
  • রোগমুক্ত চারা উৎপন্ন করে: কৃত্রিম প্রজননের মাধ্যমে নির্দিষ্ট রোগের সংক্রমণ থেকে মুক্ত ও সুস্থ চারা তৈরি করা সম্ভব।
  • প্রজননে নিয়ন্ত্রণ: প্রজননের প্রক্রিয়া নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে রোগের বাহক বা সংক্রমণের সম্ভাবনাকে কমানো যায়।
  • উৎপাদনের মান বৃদ্ধি: রোগমুক্ত ও সুস্থ চারা দ্রুত বৃদ্ধি পায় এবং ফলনের মান উন্নত হয়।
  • প্রাকৃতিক পরিবেশের প্রভাব কমানো: প্রাকৃতিক পরিবেশের পরিবর্তনের কারণে রোগের আক্রমণ কম হয়, ফলে চারা রোগমুক্ত থাকে।
Option D Explanation:
  • জেনের পরিবর্তন ঘটায় মানে হলো, কৃত্রিম প্রজননের মাধ্যমে জীবের জেনেটিক বৈশিষ্ট্য পরিবর্তিত হয়।
  • এটি সাধারণত জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং বা জেনেটিক পরিবর্তনের মাধ্যমে হয়, যেখানে নির্দিষ্ট গুণ বা বৈশিষ্ট্য উন্নত করার জন্য জেনেটিক উপাদানে পরিবর্তন আনা হয়।
  • উদাহরণস্বরূপ, রোগ প্রতিরোধী বা উচ্চ ফলনশীল বৈশিষ্ট্য যুক্ত করা যেতে পারে।
  • এটি প্রাকৃতিক জেনেটিক পরিবর্তনের তুলনায় দ্রুত এবং নির্দিষ্ট লক্ষ্যবস্তুতে হয়।
  • অর্থাৎ, জিনের পরিবর্তন ঘটানোর মাধ্যমে জীবের বৈশিষ্ট্য বা গুণাবলী পরিবর্তিত হয়।