লগইন করুন
আমাদের ওয়েবসাইটের সকল সুবিধা পেতে লগইন করুন
আপনার পছন্দের থিম বেছে নিন।
স্থায়ী টিস্যুর বৈশিষ্ট্য:
১) এই টিস্যুর কোষ গুলো বিভাজিত হতে পারে না।
২) কোষ গুলো বেশীর ভাগ সময় মৃত হয়। তবে, যে সব কোষ জীবিত থাকে, তাদের সাইটোপ্লাজম কম হয়।
৩) নিউক্লিয়াস ছোট ও কোষের কিনারার দিকে থাকে।
৪) কোষ গহ্বর থাকে।
৫) কোষ প্রাচীর বেশ পুরু থাকে ও এতে নানান ধরণের নকশা দেখা যায়।
স্থায়ী টিস্যু হলো সেইসব উদ্ভিদ টিস্যু 🌱, যেগুলো বিভাজন ক্ষমতা হারিয়ে ফেলে এবং একটি নির্দিষ্ট আকার ও আকৃতি লাভ করে। এই টিস্যুগুলো উদ্ভিদের গঠন, দৃঢ়তা এবং বিভিন্ন শারীরবৃত্তীয় কাজে সহায়তা করে। নিচে স্থায়ী টিস্যু সম্পর্কে কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য আলোচনা করা হলো:
গঠন ও কাজের ভিত্তিতে স্থায়ী টিস্যুকে প্রধানত দুই ভাগে ভাগ করা যায়:
এগুলো একই প্রকার কোষ দিয়ে গঠিত। যেমন:
এগুলো একাধিক প্রকার কোষ দিয়ে গঠিত এবং সম্মিলিতভাবে একটি কাজ করে। যেমন:
স্থায়ী টিস্যুর কোষগুলোতে সাইটোপ্লাজম ঘন হওয়া বাধ্যতামূলক নয়। বরং, কিছু ক্ষেত্রে সাইটোপ্লাজম পাতলা হতে দেখা য???য়, বিশেষ করে মৃত কোষে। যেহেতু স্থায়ী টিস্যুর কোষে সাইটোপ্লাজমের ঘনত্ব বিভিন্ন হতে পারে, তাই "সাইটোপ্লাজম ঘন" বক্তব্যটি সবসময় সত্য নয়।
| টিস্যুর প্রকার | সাইটোপ্লাজমের অবস্থা |
|---|---|
| প্যারেনকাইমা | পাতলা সাইটোপ্লাজমযুক্ত জীবিত কোষ 😇 |
| কোলেনকাইমা | কিছুটা সাইটোপ্লাজমযুক্ত জীবিত কোষ 💪 |
| স্ক্লেরেনকাইমা | মৃত কোষ (সাইটোপ্লাজম অনুপস্থিত) 💀 |
| জাইলেম | মৃত কোষ (ট্রাকিড ও ভেসেল উপাদান) 💧 |
| ফ্লোয়েম | জীবিত কোষ (সঙ্গী কোষ ও সিভনল) 🍎 |
আশা করি, এই ব্যাখ্যাটি স্থায়ী টিস্যু সম্পর্কে আপনার ধারণা স্পষ্ট করতে সাহায্য করবে। 🙏