টিউটোরিয়াল / গাইডলাইন অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ ডাউনলোড
Google Play
GET IT ON Google Play
StudyClub - স্মার্ট স্টাডি প্ল্যাটফর্ম - Study Tracker - App Blocker - Reading Room
মেনু
Self Tracker
Messenger
Question Bank
Study User Report
Session Report
To do list Report
Study Leaderboard
Screen Time Leaderboard
Public Dashboard
Quiz Creator
Quiz Leaderboard
হোম
Profile
About
Tutorials
থিম নির্বাচন

আপনার পছন্দের থিম বেছে নিন।

রক্তের বেশিরভাগ কার্বন ডাইঅক্সাইড নিম্নলিখিত কোন রূপে বর্তমান ?

A.

কার্বন ডাই অক্সাইড

B.

কার্বনিক অ্যাসিড

C.

কার্বন মনোনক্সাইড

D.

বাইকার্বনেট

সঠিক উত্তরঃ D.

বাইকার্বনেট

Another Explanation (5): প্রশ্নের উত্তরের জন্য উপযুক্ত ব্যাখ্যা হলো: রক্তের বেশিরভাগ কার্বন ডাইঅক্সাইড মূলত বাইকার্বনেট আকারে থাকে। এটি শরীরের মধ্যে কার্বন ডাইঅক্সাইডের পরিমাণ নিয়ন্ত্রণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। যখন কার্বন ডাইঅক্সাইড রক্তের মধ্যে থাকে, তখন এটি দ্রুত বাইকার্বনেট আকারে রূপান্তরিত হয়। এই প্রক্রিয়াটি মূলতঃ হেমোগ্লোবিনের সাহায্যে ঘটে এবং এটি রক্তের pH নিয়ন্ত্রণে গুরুত্বপূর্ণ। উপসংহার:
  • রক্তে কার্বন ডাইঅক্সাইডের প্রায় সবটাই বাইকার্বনেট আকারে থাকে।
  • এটি রক্তের pH নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে এবং কার্বন ডাইঅক্সাইডের পরিবহন সহজ করে তোলে।
Option A Explanation:
  • কার্বন ডাই অক্সাইড (CO₂): রক্তে কার্বন ডাই অক্সাইডের পরিমাণ বেশি থাকলে তা সাধারণত টিস্যু থেকে শ্বাস-প্রশ্বাসের মাধ্যমে ফুসফুসে নিয়ে যাওয়া হয়।
  • অক্সিজেনের পরিবর্তে, কার্বন ডাই অক্সাইড রক্তে উপস্থিত থাকে যখন শরীরের কোষগুলি বিপাকের মাধ্যমে কার্বন ডাই অক্সাইড উৎপন্ন করে।
  • অন্তর্বাহী ব্রাঙ্কিয়াল ধমনির মাধ্যমে রক্তে কার্বন ডাই অক্সাইডের পরিমাণ বেশি থাকলে তা শ্বাসনালী ও ফুসফুসে পৌঁছে শ্বাসপ্রশ্বাসের মাধ্যমে মুক্তি পায়।
  • উচ্চ কার্বন ডাই অক্সাইডের মাত্রা শরীরের অস্বাভাবিকতা নির্দেশ করে এবং শ্বাস-প্রশ্বাসের কার্যক্ষমতার উপর প্রভাব ফেলতে পারে।
Option B Explanation:
  • কার্বনিক অ্যাসিড: এটি একটি অসদৃশ্য, অস্থির যৌগ যা সাধারণত কার্বন ডাইঅক্সাইড (CO₂) জলীয় দ্রবণে বিক্রিয়া করে গ্যাসীয় CO₂ কে কার্বনিক অ্যাসিডে রূপান্তরিত করে।
  • প্রক্রিয়া: যখন কার্বন ডাইঅক্সাইড জল with মিশ্রিত হয়, তখন এটি একে কার্বনিক অ্যাসিড (H₂CO₃) এ রূপান্তর করে।
  • অভিঘাত: এই প্রক্রিয়া রক্তে CO₂ এর বহন ও নিয়ন্ত্রণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
  • প্রভাব: কার্বনিক অ্যাসিডের উপস্থিতি রক্তের pH নিয়ন্ত্রণে সহায়ক হয় এবং এটি হেমোডাইনামিক প্রক্রিয়ায় অংশগ্রহণ করে।
Option C Explanation:
  • কার্বন মনোনক্সাইড (Carbon Monoxide): এটি একটি বিষাক্ত গ্যাস যা সাধারণত অগভীর জ্বালানি জ্বালানোর ফলস্বরূপ তৈরি হয়। এটি রক্তে হিমোগ্লোবিনের সাথে দ্রুত যুক্ত হয়ে অক্সিজেনের পরিবহণে বাধা সৃষ্টি করে।
  • প্রধান বৈশিষ্ট্য: গন্ধহীন, অদৃশ্য এবং বিষাক্ত। এটি শরীরের জন্য খুবই বিপজ্জনক কারণ এটি অক্সিজেনের পরিবহণে বাধা দেয় এবং দ্রুত বিষক্রিয়া সৃষ্টি করতে পারে।
  • উৎপত্তি: ইঞ্জিনের ধোঁয়া, গ্যাসজেনারেটর, স্মোকিং ফুয়েল বা অকার্যকর জ্বালানি পদ্ধতির ফলস্বরূপ তৈরি হতে পারে।
  • প্রভাব: উচ্চমাত্রায় শ্বাসকষ্ট, মাথাব্যথা, বমি, অজ্ঞানতা এবং মৃত্যুর কারণ হতে পারে।
Option D Explanation:
  • বাইকার্বনেট (Bicarbonate): এটি রক্তের মধ্যে সবচেয়ে সাধারণ কার্বন ডাইঅক্সাইডের রূপ।
  • বাইকার্বনেট আয়ন (HCO₃⁻) হিসেবে উপস্থিত থাকে যা রক্তের pH নিয়ন্ত্রণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
  • রক্তের মধ্যে কার্বন ডাইঅক্সাইডের প্রায় ৭০% থেকে ৮০% বাইকার্বনেট আয়নের আকারে থাকে।
  • এটি মূলত রক্তের হেমোডাইনামিক সিস্টেমের অংশ, যেখানে এটি কার্বন ডাইঅক্সাইডের ট্রান্সপোর্টে সহায়ক।
  • বাইকার্বনেট সৃষ্টি হয় রক্তে কার্বন ডাইঅক্সাইডের সাথে জল প্রতিক্রিয়ার মাধ্যমে, যা কার্বনিক অ্যাসিড (H₂CO₃) গঠন করে, এবং পরে এটি হাইড্রোজেন আয়ন ও বাইকার্বনেট আয়নে বিভক্ত হয়।