টিউটোরিয়াল / গাইডলাইন অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ ডাউনলোড
Google Play
GET IT ON Google Play
StudyClub - স্মার্ট স্টাডি প্ল্যাটফর্ম - Study Tracker - App Blocker - Reading Room
মেনু
Self Tracker
Messenger
Question Bank
Study User Report
Session Report
To do list Report
Study Leaderboard
Screen Time Leaderboard
Public Dashboard
Quiz Creator
Quiz Leaderboard
হোম
Profile
About
Tutorials
থিম নির্বাচন

আপনার পছন্দের থিম বেছে নিন।

মানব দেহের ফুসফুস থেকে অক্সিজেন রক্ত পরিবাহিত হয় কোন প্রক্রিয়া?

A. অসমোটিক প্রেসার
B. ব্যাপন
C. অভিস্রবণ 
D. দ্রবণ
সঠিক উত্তরঃ B. ব্যাপন
Explanation:

Another Explanation (5):

মানবদেহে ফুসফুস থেকে রক্তে অক্সিজেন পরিবহন: ব্যাপন প্রক্রিয়া 🫁➡️🩸

মানবদেহের শ্বাসতন্ত্রের একটি গুরুত্বপূর্ণ কাজ হলো ফুসফুসের মাধ্যমে অক্সিজেন গ্রহণ করে রক্তে পৌঁছে দেওয়া এবং কার্বন ডাই অক্সাইড নির্গমন করা। এই অক্সিজেন ফুসফুস থেকে রক্তে পরিবাহিত হয় ব্যাপন (Diffusion) প্রক্রিয়ার মাধ্যমে। নিচে এই প্রক্রিয়াটির একটি বিস্তারিত আলোচনা করা হলো:

ব্যাপন কী? 🤔

ব্যাপন হলো একটি ভৌত প্রক্রিয়া, যেখানে কোনো পদার্থ উচ্চ ঘনত্বের স্থান থেকে নিম্ন ঘনত্বের স্থানে স্বতঃস্ফূর্তভাবে ছড়িয়ে পড়ে যতক্ষণ না ঘনত্ব সর্বত্র সমান হয়। এটি মূলত পদার্থের অণুগুলোর এলোমেলো গতির কারণে ঘটে।

ফুসফুসে ব্যাপন প্রক্রিয়া 🌬️

ফুসফুসের অ্যালভিওলাই (Alveoli) এবং রক্তনালীর মধ্যে অক্সিজেন ও কার্বন ডাই অক্সাইডের আদান-প্রদান ঘটে ব্যাপন প্রক্রিয়ায়।

কার্যকারিতা:

  1. অ্যালভিওলাইতে অক্সিজেনের উচ্চ ঘনত্ব: শ্বাস-প্রশ্বাসের মাধ্যমে যখন বাতাস ফুসফুসে প্রবেশ করে, তখন অ্যালভিওলাইতে অক্সিজেনের ঘনত্ব বেশি থাকে। ⬆️
  2. রক্তে অক্সিজেনের নিম্ন ঘনত্ব: একই সময়ে, রক্তে অক্সিজেনের ঘনত্ব কম থাকে, কারণ কোষগুলো ক্রমাগত অক্সিজেন ব্যবহার করছে। ⬇️
  3. ঘনত্বের gradient তৈরি: এই ঘনত্বের পার্থক্য (concentration gradient) ব্যাপনের মূল চালিকা শক্তি।
  4. অক্সিজেনের ব্যাপন: অক্সিজেনের ঘনত্ব বেশি থাকায়, এটি অ্যালভিওলাই থেকে রক্তনালীর প্রাচীর ভেদ করে রক্তে প্রবেশ করে। ➡️
  5. কার্বন ডাই অক্সাইডের ব্যাপন: রক্তের কার্বন ডাই অক্সাইডের ঘনত্ব অ্যালভিওলাই-এর চেয়ে বেশি হওয়ায়, কার্বন ডাই অক্সাইড রক্ত থেকে অ্যালভিওলাই-তে যায়। ⬅️

ব্যাপনের সুবিধাসমূহ 👍

  • কোনো শক্তি খরচ হয় না।
  • দ্রুত গ্যাসীয় আদান প্রদানে সাহায্য করে।
  • শারীরিক প্রক্রিয়াকে সহজ করে তোলে।

ব্যাপনকে প্রভাবিত করার বিষয়সমূহ ⚙️

  • ঘনত্বের পার্থক্য: ঘনত্বের পার্থক্য যত বেশি, ব্যাপন তত দ্রুত হবে।
  • দূরত্ব: ব্যাপনের দূরত্ব যত কম, প্রক্রিয়াটি তত দ্রুত হবে। অ্যালভিওলাই ও রক্তনালীর প্রাচীর খুব পাতলা হওয়ায় ব্যাপন দ্রুত হয়।
  • ক্ষেত্রফল: ক্ষেত্রফল বেশি হলে ব্যাপনের হার বাড়ে। ফুসফুসে অ্যালভিওলাই-এর সংখ্যা অনেক বেশি হওয়ায় ব্যাপনের জন্য বিশাল ক্ষেত্রফল পাওয়া যায়।
  • তাপমাত্রা: তাপমাত্রা বাড়লে ব্যাপনের হার সাধারণত বাড়ে।

সংক্ষেপে 📝

ব্যাপন একটি অত্যাবশ্যকীয় প্রক্রিয়া, যা ফুসফুস থেকে রক্তে অক্সিজেন পরিবহন করে এবং শরীরের প্রতিটি কোষে অক্সিজেনের সরবরাহ নিশ্চিত করে। এই সহজ কিন্তু গুরুত্বপূর্ণ প্রক্রিয়াটি আমাদের জীবন ধারণের জন্য অপরিহার্য। ???️

সারণী: ব্যাপন প্রক্রিয়া 📊

বিষয় বর্ণনা
প্রক্রিয়া ব্যাপন (Diffusion)
স্থান ফুসফুসের অ্যালভিওলাই এবং রক্তনালী
পরিবাহিত গ্যাস অক্সিজেন (O₂) এবং কার্বন ডাই অক্সাইড (CO₂)
নিয়ন্ত্রক ঘনত্বের পার্থক্য (Concentration Gradient)

আশা করি, এই ব্যাখ্যাটি মানবদেহে ফুসফুস থেকে রক্তে অক্সিজেন পরিবহনের ব্যাপন প্রক্রিয়াটি বুঝতে সাহায্য করবে। 📚😊

Option A Explanation:
অসমোটিক প্রেসার (Osmotic Pressure)
  • অসামান্য পার্থক্যস্বরূপ চাপ যা তরলের মধ্যে দ্রবীভূত যৌগের অনুপাতের উপর নির্ভর করে।
  • প্রধানত জল বা তরলের চলাচলের জন্য দায়ী, যখন দুটি তরল সমাধান বা জল পরস্পরের সাথে সংযুক্ত থাকে।
  • উদাহরণস্বরূপ, রক্তের মধ্যে বিভিন্ন দ্রবীভূত উপাদানের উপস্থিতির কারণে জল চলাচল করে, যা অসমোটিক প্রেসার দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয়।
  • এই চাপের মাধ্যমে জল বা তরল পদার্থের চলাচল বা সমতা বজায় থাকে, যা শরীরের বিভিন্ন প্রক্রিয়ার জন্য গুরুত্বপূর্ণ।
Option B Explanation:
  1. ব্যাপন (Diffusion): এটি হলো একটি প্রক্রিয়া যেখানে কণা বা আণুবীক্ষণিক উপাদান একটি স্থান থেকে অন্য স্থানে স্বাভাবিকভাবে ছড়িয়ে পড়ে।
  2. প্রক্রিয়াটির মাধ্যমে উপাদানগুলো তাদের স্বাভাবিক গতি ও নমনীয়তার ওপর নির্ভর করে স্থানান্তরিত হয়।
  3. ব্যাপন প্রক্রিয়াটি সাধারণত অণু বা আণবিক মাত্রার পারদর্শিতা সম্পন্ন হয়, যেখানে কোন শক্তি ব্যয় হয় না।
  4. উদাহরণস্বরূপ, গন্ধের ছড়িয়ে পড়া বা গ্যাসের মিশ্রণ এই প্রক্রিয়ার দ্বারা ঘটে।
  5. অর্থাৎ, ব্যাপন হলো একটি প্রাকৃতিক প্রক্রিয়া যা পরিবেশে উপাদানের স্বাভাবিক বিতরণ নিশ্চিত করে।
Option C Explanation:
  • অভিস্রবণ হলো একটি প্রক্রিয়া যেখানে গাছের পাতার মাধ্যমে অতিরিক্ত জল বা পানি দেহের অভ্যন্তর থেকে বাষ্পে রূপান্তর হয়ে বাতাসে ছেড়ে যায়।
  • এটি মূলত উদ্ভিদের বায়বীয় অঙ্গের মাধ্যমে ঘটে, যেমন পাতার শিরা বা পাতার ছিদ্রের (স্টোমাটা) মাধ্যমে।
  • অভিস্রবণের ফলে উদ্ভিদ পানি শোষণ ও ক্ষয় কমায় এবং তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করে।
  • প্রক্রিয়াটি উদ্ভিদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ কারণ এটি পানি ও তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
Option D Explanation:
  • দ্রবণ: এটি একটি প্রক্রিয়া যেখানে একটি দ্রব্য (প্রায়শই গ্যাস বা তরল) অন্য দ্রব্যের মধ্যে দ্রবীভূত হয়।
  • উদাহরণস্বরূপ, অক্সিজেন গাত্রের ফুসফুস থেকে রক্তের মধ্যে দ্রবীভূত হয়ে যায়।
  • এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রক্রিয়া যা রক্তে অক্সিজেনের পরিবহণে সহায়ক।
  • দ্রবণের মাধ্যমে গ্যাস বা তরল উপাদান সহজে এবং দ্রুত স্থানান্তরিত হয়।