Another Explanation (5): ```html
ব্যাখ্যা: প্রদত্ত উক্তিটির অসত্যতা নির্ণয় 🧐
প্রদত্ত উক্তিটি দুটি অংশে বিভক্ত। উভয় অংশের সত্যতা যাচাই করা যাক:
প্রথম অংশ: ডায়াচৌম্বক পদার্থের চৌম্বক গ্রাহীতা (Xm) ক্ষুদ্র কিন্তু ধনাত্মক
- ডায়াচৌম্বক পদার্থ হলো সেই সকল পদার্থ যা চৌম্বক ক্ষেত্রের বিপরীত দিকে সামান্য আকৃষ্ট হয়। 🧲❌
- এদের চৌম্বক গ্রাহীতা (Xm) ক্ষুদ্র এবং ঋণাত্মক হয়। 📉
- ধনাত্মক চৌম্বক গ্রাহীতা শুধুমাত্র প্যারামাгнеটিক এবং ফেরোম্যাগনেটিক পদার্থের ক্ষেত্রে দেখা যায়। ✅
সুতরাং, প্রথম অংশটি সঠিক নয়। ❌
দ্বিতীয় অংশ: কোন চৌম্বক পদার্থের চুম্বকায়ন তীব্রতা ও চৌম্বক প্রবণতার অনুপাতকে চৌম্বক গ্রাহীতা বলে
আমরা জানি, চুম্বক গ্রাহীতা (Magnetic Susceptibility) হলো:
Xm = M / H
যেখানে,
- M = চুম্বকায়ন তীব্রতা (Magnetization)
- H = চৌম্বক ক্ষেত্র তীব্রতা (Magnetic Field Intensity)
সুতরাং, কোনো চৌম্বক পদার্থের চুম্বকায়ন তীব্রতা ও চৌম্বক ক্ষেত্র তীব্রতার অনুপাতকে চৌম্বক গ্রাহীতা বলে। চুম্বক প্রবণতা (Magnetic Permeability) ভিন্ন জিনিস।
সুতরাং, দ্বিতীয় অংশটিও সঠিক নয়। ❌
সারসংক্ষেপ 📝
| বৈশিষ্ট্য |
ডায়াচৌম্বক পদার্থ |
প্যারামাгнеটিক পদার্থ |
ফেরোম্যাগনেটিক পদার্থ |
| চৌম্বক গ্রাহীতা (Xm) |
ক্ষুদ্র ও ঋণাত্মক 🥶 |
ক্ষুদ্র ও ধনাত্মক 😊 |
বৃহৎ ও ধনাত্মক 😍 |
| চুম্বকায়ন |
দুর্বল 🥺 |
মাঝারি 😐 |
সবল 💪 |
অতএব, প্রদত্ত উক্তিটির উভয় অংশই ভুল। 👎
অতিরিক্ত তথ্য 💡
- চৌম্বক প্রবণতা (μ) = 1 + Xm
- ডায়াচৌম্বক পদার্থের উদাহরণ: তামা (Copper), স্বর্ণ (Gold), পানি (Water) 💧
- প্যারামাгнеটিক পদার্থের উদাহরণ: অ্যালুমিনিয়াম (Aluminum), অক্সিজেন (Oxygen) 💨
- ফেরোম্যাগনেটিক পদার্থের উদাহরণ: লোহা (Iron), নিকেল (Nickel), কোবাল্ট (Cobalt) 🔩
আশা করি, ব্যাখ্যাটি বোধগম্য হয়েছে। 👍
```