টিউটোরিয়াল / গাইডলাইন অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ ডাউনলোড
Google Play
GET IT ON Google Play
StudyClub - স্মার্ট স্টাডি প্ল্যাটফর্ম - Study Tracker - App Blocker - Reading Room
মেনু
Self Tracker
Messenger
Question Bank
Study User Report
Session Report
To do list Report
Study Leaderboard
Screen Time Leaderboard
Public Dashboard
Quiz Creator
Quiz Leaderboard
হোম
Profile
About
Tutorials
থিম নির্বাচন

আপনার পছন্দের থিম বেছে নিন।

স্নায়ু্রজ্জুর মায়োলিন আবরণ গঠন করে কোনটি?

A. অ্যাস্ট্রোসাইট
B. মাইক্রোগ্লিয়া
C. অলিগোডেন্ড্রোসাইট
D. নিউরন
সঠিক উত্তরঃ C. অলিগোডেন্ড্রোসাইট
Explanation:

Another Explanation (5): ```html

স্নায়ুরজ্জুর মায়োলিন আবরণ: অলিগোডেন্ড্রোসাইটের ভূমিকা 🧠

স্নায়ুরজ্জু আমাদের কেন্দ্রীয় স্নায়ুতন্ত্রের একটি অত্যাবশ্যকীয় অংশ। এর সঠিক কার্যকারিতা বজায় রাখার জন্য মায়োলিন নামক একটি বিশেষ আবরণের গুরুত্ব অপরিহার্য। এই মায়োলিন আবরণ মূলত অলিগোডেন্ড্রোসাইট নামক কোষ দ্বারা গঠিত।

মায়োলিন আবরণ কী? 🤔

মায়োলিন হলো একটি চর্বিযুক্ত পদার্থ যা স্নায়ু কোষের অ্যাক্সনগুলোর চারপাশে একটি অন্তরক স্তর তৈরি করে। এটি অনেকটা বৈদ্যুতিক তারের ওপরের প্লাস্টিকের আবরণের মতো।

মায়োলিন আবরণের কাজ 🎯

  • স্নায়ুimpulse এর দ্রুত পরিবহন: মায়োলিন আবরণ অ্যাক্সনের মাধ্যমে স্নায়ু সংকেত দ্রুত এবং দক্ষতার সাথে প্রেরণ করতে সাহায্য করে। 🚀
  • স্নায়ু কোষের সুরক্ষা: এটি অ্যাক্সনকে ক্ষতির হাত থেকে রক্ষা করে।🛡️
  • শক্তি সাশ্রয়: মায়োলিনযুক্ত স্নায়ু কোষ সংকেত প্রেরণে কম শক্তি ব্যবহার করে। ⚡

অলিগোডেন্ড্রোসাইট: মায়োলিন আবরণের কারিগর 👷‍♀️

অলিগোডেন্ড্রোসাইট হলো কেন্দ্রীয় স্নায়ুতন্ত্রের গ্লিয়াল কোষ। এদের প্রধান কাজ হলো স্নায়ুরজ্জুর অ্যাক্সনগুলোর চারপাশে মায়োলিন আবরণ তৈরি করা। একটি অলিগোডেন্ড্রোসাইট একাধিক অ্যাক্সনের অংশকে মায়োলিন দ্বারা আবৃত করতে পারে।

অলিগোডেন্ড্রোসাইটের গঠন 🧬

বৈশিষ্ট্য বর্ণনা
কোষের প্রকার গ্লিয়াল কোষ (কেন্দ্রীয় স্নায়ুতন্ত্র)
অবস্থান মস্তিষ্কের শ্বেত পদার্থ (white matter) এবং ধূসর পদার্থে (gray matter)
কাজ মায়োলিন শীথ তৈরি এবং রক্ষণাবেক্ষণ করা
গঠন শাখা-প্রশাখা যুক্ত, যা অ্যাক্সনের চারপাশে মোড়ানো থাকে

মায়োলিন আবরণ ক্ষতিগ্রস্ত হলে কী হয়? 🥺

যদি কোনো কারণে মায়োলিন আবরণ ক্ষতিগ্রস্ত হয়, তাহলে স্নায়ু সংকেত পরিবহনে বাধা সৃষ্টি হয়। এর ফলে মাল্টিপল স্ক্লেরোসিস (Multiple Sclerosis) এর মতো স্নায়বিক রোগ হতে পারে।

গুরুত্বপূর্ণ তথ্য ℹ️

  • অলিগোডেন্ড্রোসাইট শুধুমাত্র কেন্দ্রীয় স্নায়ুতন্ত্রে (মস্তিষ্ক এবং মেরুরজ্জু) পাওয়া যায়।
  • পরিPeripheral স্নায়ুতন্ত্রে মায়োলিন তৈরি করে Schwann cells ।

সুতরাং, স্নায়ুরজ্জুর সঠিক কার্যকারিতার জন্য অলিগোডেন্ড্রোসাইটের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ❤️

```
Option A Explanation:
  • অ্যাস্ট্রোসাইট: এটি কেন্দ্রীয় স্নায়ুতন্ত্রে (মস্তিষ্ক ও মেরুদণ্ডে) পাওয়া গ্লিয়াল কোষের এক ধরনের।
  • অ্যাস্ট্রোসাইটের মূল কাজগুলো হলো:
    • নিয়মিত নিউরনের চারপাশের পরিবেশ বজায় রাখা।
    • নিউরনের জন্য পুষ্টি সরবরাহ করা।
    • নিউরনের মধ্যে রসায়নিক সংকেত প্রেরণে সহায়তা করা।
    • আসন্ন ক্ষতি বা ইনফেকশন থেকে সুরক্ষা প্রদান।
    • নিউরনের মধ্যে স্নায়ুকোষের সংযোগ বা সংযোগস্থল গড়ে তোলা।
Option B Explanation:
  • মাইক্রোগ্লিয়া: মাইক্রোগ্লিয়া হলো কেন্দ্রীয় স্নায়ুতন্ত্রের একটি বিশেষ ধরনের গ্লিয়াল কোষ।
  • এটি মূলত ফেজ ও ক্ষতিগ্রস্ত কোষগুলোকে পরিষ্কার করে, অর্থাৎ ক্লিনআপ বা পরিষ্কারকরণে সহায়তা করে।
  • মাইক্রোগ্লিয়া সাধারণত ক্ষুদ্রাকৃতির হয় এবং তাদের বিশেষ কাজ হলো প্রদাহ বা সংক্রমণের সময় ক্ষতিগ্রস্ত টিস্যু পরিষ্কার করা।
  • এগুলি স্নায়ুতন্ত্রের প্রতিরক্ষামূলক সিস্টেমে অঙ্গপ্রত্যঙ্গের মতো কাজ করে।
  • অন্য গ্লিয়াল কোষের তুলনায়, মাইক্রোগ্লিয়া অস্থির বা সক্রিয় থাকলে ক্ষত সারানোর প্রক্রিয়ায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
Option C Explanation:
অলিগোডেন্ড্রোসাইট (Oligodendrocyte)
  • অলিগোডেন্ড্রোসাইট হলো একটি স্নায়ুতন্ত্রের গ্লিয়া কোষ।
  • এটি কেন্দ্রীয় স্নায়ুতন্ত্রে (মস্তিষ্ক ও মেরুদণ্ড) মায়োলিন আবরণ গঠন করে।
  • এটি একাধিক একক নিউরনের অ্যাক্সোনের উপর মায়োলিন স্তর তৈরি করে, যা স্নায়ু সংকেতের দ্রুত পরিবহণে সাহায্য করে।
  • অলিগোডেন্ড্রোসাইটের সাহায্যে নিউরনের কার্যকারিতা বৃদ্ধি পায় এবং স্নায়ুতন্ত্রের কার্যক্ষমতা উন্নত হয়।
Option D Explanation:
  • নিউরন: নিউরন হলো একটি দীর্ঘতর কোষ যা স্নায়ুব্যবস্থার মৌলিক উপাদান।
  • এটি শরীরের বিভিন্ন অংশে সংকেত প্রেরণ করে এবং যোগাযোগের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
  • নিউরনের ডেনড্রাইট, সেন্ট্রাল স্নাইপ, এবং অ্যাকসন নামে বিভিন্ন অংশ থাকেঃ
    • ডেনড্রাইট: সংকেত গ্রহণ করে
    • অ্যাকসন: সংকেত প্রেরণ করে
  • নিউরনের দৈর্ঘ্য প্রায় কয়েক মিলিমিটারের থেকে কয়েক ফুট পর্যন্ত হতে পারে, বিশেষ করে আমাদের শরীরের দীর্ঘতম নিউরন হল সেকাল অঙ্গের অংশে অবস্থিত।