টিউটোরিয়াল / গাইডলাইন অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ ডাউনলোড
Google Play
GET IT ON Google Play
StudyClub - স্মার্ট স্টাডি প্ল্যাটফর্ম
মেনু
Self Tracker
Messenger
Question Bank
Study User Report
Session Report
To do list Report
Study Leaderboard
Screen Time Leaderboard
Public Dashboard
Quiz Creator
Quiz Leaderboard
হোম
Profile
About
Tutorials
থিম নির্বাচন

আপনার পছন্দের থিম বেছে নিন।

বাংলাদেশে Annelida পর্বভুক্ত প্রজাতির সংখ্যা কয়টি?

A. 49
B. ৮৯
C. ৯৮
D. ১০২
সঠিক উত্তরঃ C. ৯৮
Explanation: Option A: 49 - ভুল, বাংলাদেশে এর থেকে বেশি প্রজাতি আছে। Option B: 89 - ভুল, এটি সঠিক সংখ্যা নয়। Option C: 98 - সঠিক, বাংলাদেশে Annelida পর্বভুক্ত মোট 98টি প্রজাতি পাওয়া যায়। Option D: 102 - ভুল, এটি একেবারে বেশি। নোট: Annelida পর্বের প্রজাতির সংখ্যা প্রতিনিয়ত বাড়ছে, বিশেষ করে বাংলাদেশে।
Another Explanation (5):

বাংলাদেশে অ্যানিলিডা (Annelida) পর্বের প্রজাতি: একটি একাডেমিক আলোচনা 🐛

অ্যানিলিডা পর্বটি মূলত অঙ্গুরী বা Metamerically খন্ডায়িত কৃমি নামে পরিচিত। এদের শরীর আংটির মতো ছোট ছোট খণ্ড দিয়ে গঠিত। বাংলাদেশে এই পর্বের প্রাণীদের নিয়ে তেমন বেশি গবেষণা হয়নি, তবুও কিছু প্রজাতি শনাক্ত করা গেছে। নিচে এই বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হলো:

বাংলাদেশে অ্যানিলিডার প্রজাতি সংখ্যা: ৯৮ 🎯

বিভিন্ন গবেষণা ও জরিপ অনুযায়ী, বাংলাদেশে অ্যানিলিডা পর্বের অন্তর্ভুক্ত প্রায় ৯৮টি প্রজাতি সনাক্ত করা হয়েছে। এই সংখ্যা পরিবর্তনশীল, কারণ নতুন প্রজাতি আবিষ্কারের সাথে সাথে এটি বাড়তে পারে। 🤔

অ্যানিলিডা পর্বের উল্লেখযোগ্য বৈশিষ্ট্য 📝

  • দেহ Metamerically খন্ডায়িত।
  • প্রতিটি খণ্ডে সিটা (Setae) নামক চলন অঙ্গ বিদ্যমান।
  • শ্বাসতন্ত্র ত্বক, ফুলকা বা প্যারাপোডিয়া দ্বারা গঠিত।
  • সাধারণত Hermaphrodite হয়ে থাকে।
  • উদাহরণ: কেঁচো, জোঁক ইত্যাদি।

শ্রেণীবিভাগ 📚

অ্যানিলিডা পর্বকে প্রধানত কয়েকটি শ্রেণীতে ভাগ করা যায়। বাংলাদেশে এদের প্রতিনিধিত্ব নিচে দেওয়া হলো:

  1. Polychaeta: এদের বহুসংখ্যক সিটা (Setae) থাকে। এরা সামুদ্রিক পরিবেশে বাস করে।🌊
  2. Oligochaeta: এদের সিটা (Setae) সংখ্যায় কম থাকে। কেঁচো এই শ্রেণীর অন্তর্ভুক্ত। 🪱
  3. Hirudinea: এরা সাধারণত জোঁক নামে পরিচিত এবং এরা পরজীবী হিসেবে জীবনযাপন করে।🩸

সারণীতে অ্যানিলিডা: তথ্য ও উপাত্ত 📊

শ্রেণী সাধারণ নাম বৈশিষ্ট্য বাংলাদেশে উপস্থিতি
Polychaeta বহু Keyটা যুক্ত কৃমি সামুদ্রিক, বহু Keyটা বিদ্যমান উপকূলীয় অঞ্চলে দেখা যায়
Oligochaeta কেঁচো কম সংখ্যক Keyটা, সাধারণত স্থলজ প্রায় সর্বত্র বিদ্যমান
Hirudinea জোঁক পরজীবী, চোষক অঙ্গ বিদ্যমান জলাশয়ে পাওয়া যায়

গুরুত্বপূর্ণ কিছু প্রজাতির তালিকা 📜

  • Pheretima posthuma (সাধারণ কেঁচো)
  • Hirudinaria manillensis (জোঁক)
  • বিভিন্ন সামুদ্রিক পলিকীট প্রজাতি

অ্যানিলিডার অর্থনৈতিক ও পরিবেশগত গুরুত্ব 💰🌱

  • মাটির উর্বরতা বৃদ্ধি করে (কেঁচো)।
  • কিছু প্রজাতি মাছের খাদ্য হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
  • জোঁক ঔষধ তৈরিতে ব্যবহৃত হয়।
  • পরজীবী জোঁক রোগ সৃষ্টিকারী জীবাণু ছড়াতে পারে।

পরিশেষে, বাংলাদেশে অ্যানিলিডা পর্বের প্রজাতি বৈচিত্র্য যথেষ্ট গুরুত্বপূর্ণ। এদের সংরক্ষণ এবং আরও প্রজাতি আবিষ্কারের জন্য গবেষণা করা প্রয়োজন। 🔬🔭

আশা করি এই আলোচনাটি তথ্যপূর্ণ ছিল। 😊