টিউটোরিয়াল / গাইডলাইন অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ ডাউনলোড
Google Play
GET IT ON Google Play
StudyClub - স্মার্ট স্টাডি প্ল্যাটফর্ম
মেনু
Self Tracker
Messenger
Question Bank
Study User Report
Session Report
To do list Report
Study Leaderboard
Screen Time Leaderboard
Public Dashboard
Quiz Creator
Quiz Leaderboard
হোম
Profile
About
Tutorials
থিম নির্বাচন

আপনার পছন্দের থিম বেছে নিন।

বীজের অঙ্কুরোদগমের সময় লিপিডকে ভেঙ্গে চিনিতে পরিণত করে কোনটি?

A. গ্লাই অক্সিজোম
B. পার অক্সিজোম
C. রাইবোজোম
D. লাইসোজোম
সঠিক উত্তরঃ A. গ্লাই অক্সিজোম
Explanation:

Another Explanation (5): ```html বীজের অঙ্কুরোদগমে গ্লাইঅক্সিজোমের ভূমিকা

বীজের অঙ্কুরোদগমে গ্লাইঅক্সিজোমের ভূমিকা

বীজের অঙ্কুরোদগম একটি জটিল জৈব রাসায়নিক প্রক্রিয়া। এই প্রক্রিয়ায় সুপ্ত বীজ থেকে চারা গাছ উৎপন্ন হয়। অঙ্কুরোদগমের সময় বীজ তার সঞ্চিত খাদ্য ব্যবহার করে। তৈলবীজে (যেমনঃ সরিষা, বাদাম) লিপিড বা ফ্যাট সঞ্চিত থাকে। এই লিপিডকে ভেঙ্গে চিনিতে রূপান্তরিত করার গুরুত্বপূর্ণ কাজটি করে গ্লাইঅক্সিজোম (Glyoxysome)।

গ্লাইঅক্সিজোম কী?

গ্লাইঅক্সিজোম হলো এক প্রকার পেরোক্সিসোম (Peroxisome), যা প্রধানত উদ্ভিদের বীজে (বিশেষত তৈলবীজে) এবং ছত্রাকে পাওয়া যায়। এটি লিপিড বিপাকের সাথে জড়িত।

গ্লাইঅক্সিজোমের কাজ:

  1. লিপিডকে ফ্যাটি অ্যাসিডে রূপান্তর: গ্লাইঅক্সিজোমে লাইপেজ নামক উৎসেচক (Enzyme) থাকে যা লিপিডকে ফ্যাটি অ্যাসিড ও গ্লিসারলে ভাঙে।
  2. ফ্যাটি ???্যাসিডের বিটা-অক্সিডেশন: ফ্যাটি অ্যাসিড বিটা-অক্সিডেশন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে অ্যাসিটাইল-কোএ (Acetyl-CoA) তে পরিণত হয়।
  3. গ্লাইঅক্সিলেট চক্র (Glyoxylate Cycle): গ্লাইঅক্সিলেট চক্রের মাধ্যমে অ্যাসিটাইল-কোএ থেকে সাক্সিনেট তৈরি হয়। এই চক্রটি গ্লাইঅক্সিজোমের অভ্যন্তরে ঘটে।
  4. শর্করা তৈরি: সাক্সিনেট সাইটোসলে (Cytosol) স্থানান্তরিত হয় এবং গ্লুকোনিওজেনেসিস (Gluconeogenesis) প্রক্রিয়ার মাধ্যমে গ্লুকোজ বা চিনিতে রূপান্তরিত হয়। 🌱

গ্লাইঅক্সিলেট চক্রের গুরুত্ব:

  • অঙ্কুরোদগমের সময় শর্করা সরবরাহ করে শক্তি যোগায়। 💪
  • কোষ প্রাচীর এবং অন্যান্য প্রয়োজনীয় উপাদান তৈরি করতে সাহায্য করে।
  • এটি শুধুমাত্র উদ্ভিদের ক্ষেত্রে ঘটে, প্রাণীদের ক্ষেত্রে নয়। 🐒❌

সংক্ষেপে গ্লাইঅক্সিজোম:

বৈশিষ্ট্য বর্ণনা
প্রকার পেরোক্সিসোম (Peroxisome)
অবস্থান তৈলবীজ ও ছত্রাক
কাজ লিপিডকে চিনিতে রূপান্তর
গুরুত্বপূর্ণ চক্র গ্লাইঅক্সিলেট চক্র

পরিশেষে, গ্লাইঅক্সিজোম বীজের অঙ্কুরোদগমের জন্য অত্যাবশ্যকীয় একটি অঙ্গাণু, যা লিপিডকে ভেঙ্গে চিনিতে রূপান্তরিত করে চারাগাছের প্রাথমিক বিকাশে সহায়তা করে। 🚀

```
Option A Explanation:

গ্লাই অক্সিজোমের ব্যাখ্যা

  • অর্থ: গ্লাই অক্সিজোম হলো এক ধরনের অ্যামিনো অ্যাসিড বা প্রোটিন ভেঙে চিনিতে পরিণত করার এঞ্জাইম।
  • কার্য: এটি লিপিড বা চর্বি ভেঙে ফ্যাটি অ্যাসিড ও গ্লিসারল উৎপন্ন করতে সাহায্য করে।
  • প্রয়োগ: বীজের অঙ্কুরোদ???মের সময় লিপিডের পচন ও চিনিতে রূপান্তর প্রক্রিয়ায় এই এঞ্জাইমের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ।
  • পরিবেশ: অ্যাসিডিক পরিবেশে কাজ করে, যেখানে লিপিডের গ্লিসারোলে রূপান্তর ঘটে।
  • উৎপত্তি: গ্লাই অক্সিজোম মূলত রাইবোজোমে উৎপন্ন হয়।
Option B Explanation:
  • পার অক্সিজোম: পার অক্সিজোম হলো এক ধরনের এনারোবিক অ্যাজাইমেটিক এনজাইম যা লিপিডের অঙ্কুরোদগমের সময় লিপিডের ভাঙনকরণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
  • অর্থ: এটি লিপিডের ফ্যাটি অ্যাসিড এবং গ্লিসেরল মুক্ত করতে সহায়তা করে।
  • ক্রিয়া: পার অক্সিজোম লিপিডের অ্যামিনো অ্যাসিড বা গ্লিসেরলের সাথে সম্পর্কিত বাইন্ডিং ভাঙতে সহায়ক।
  • উপকারিতা: এই প্রক্রিয়ায় লিপিডের অম্বল বা অণু ভেঙে চিনিতে রূপান্তর ঘটে, যা অঙ্কুরোদগমের জন্য প্রয়োজনীয় শক্তি ও উপাদান সরবরাহ করে।
Option C Explanation:
  • রাইবোজোম: রাইবোজোম হল কোষে প্রোটিন সংশ্লেষণের জন্য দায়ী অঙ্গানু। এটি সাধারণত কোষের সাইটোপ্লাজমে অবস্থিত এবং দুটি ধরণের হতে পারে: ফ্রি রাইবোজোম এবং রিটিকুলার এন্ডোপ্লাজমিক রেটিকুলাম (ER)-এর সাথে যুক্ত রাইবোজোম।
  • অভ্যন্তরীণ বৈশিষ্ট্য: রাইবোজোমের মধ্যে রাইবোজোমের উপাদানগুলি প্রধানত RNA এবং প্রোটিন। এগুলি ছোট, গোলাকার গঠন, যা প্রোটিন সংশ্লেষের জন্য বিশেষভাবে ডিজাইন করা হয়েছে।
  • অঙ্গানুর গঠন: রাইবোজোম সাধারণত দুটি উপাদানে গঠিত: ছোট এবং বড় উপাদান। এগুলি একসাথে জোড়া হয়ে কাজ করে, এবং এর মধ্যে RNA এর উপস্থিতি প্রোটিন সংশ্লেষণে সহায়ক।
  • অঙ্গানুর কার্যকারিতা: রাইবোজোমের মূল কাজ হল অ্যামিনো অ্যাসিডের যোগান দিয়ে প্রোটিন তৈরি করা, যা কোষের বিভিন্ন কার্যকলাপে ব্যবহৃত হয়।
Option D Explanation:
  • লাইসোজোম: লাইসোজোম হল একটি অণুকোষী বা ইউক্যারিওটিক কোষে থাকা এক ধরনের অঙ্গাণু যা জীবাণু বা মৃত কোষের অঙ্গাণু ও কণিকাগুলি ভেঙে ফেলার জন্য কাজ করে।
  • ভিত্তি: লাইসোজোমের মধ্যে বিভিন্ন এঞ্জাইম থাকে, যেমন হাইড্রোলাইসিস এঞ্জাইম, যা পচনপ্রক্রিয়া চালায়।
  • গঠন: এটি সাধারণত গ্লাইকলিপিড দিয়ে আবৃত, যার ভিতরে এঞ্জাইম ও বিভিন্ন প্রকারের প্রোটিন থাকে।
  • কাজ: এটি জীবাণু বা মৃত কোষের অঙ্গাণু ভেঙে নতুন উপাদানে রূপান্তর করে, যা কোষের স্বাভাবিক কার্যকলাপে সহায়তা করে।
  • উপকারিতা: কোষের পরিপক্বতা ও পুনঃপ্রজননে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।