টিউটোরিয়াল / গাইডলাইন অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ ডাউনলোড
Google Play
GET IT ON Google Play
StudyClub - স্মার্ট স্টাডি প্ল্যাটফর্ম
মেনু
Self Tracker
Messenger
Question Bank
Study User Report
Session Report
To do list Report
Study Leaderboard
Screen Time Leaderboard
Public Dashboard
Quiz Creator
Quiz Leaderboard
হোম
Profile
About
Tutorials
থিম নির্বাচন

আপনার পছন্দের থিম বেছে নিন।

একবীজপত্রী উদ্ভিদের জোড় কলম সম্ভব নয় কারণ-

A. ভাস্কুলার বান্ডল ছড়ানো
B. ভাস্কুলার বান্ডল সমপার্শ্বীয়
C. সুষুম্না কান্ড
D. ভাস্কুলার বান্ডল অরিয়
সঠিক উত্তরঃ B. ভাস্কুলার বান্ডল সমপার্শ্বীয়
Explanation:

একবীজপত্রী উদ্ভিদের ভাস্কুলার বান্ডল সমপার্শ্বীয় তাই জোড় কলম সম্ভব নয়।

সাধারণ ভাবে একটি গাছ থেকে আরেকটি গাছের জন্ম হওয়ার পদ্ধতিকে গাছের বংশ বিস্তার বলে। অন্য কথায়, যে প্রক্রিয়ার মাধ্যমে গাছ যৌন কোষ বা তার অংগজ কোষ থেকে নুতন স্বতন্ত্র গাছ সৃষ্টি করে তাকে বংশ বিস্তার বলে। বংশ বিস্তার দুই প্রকার যথাঃ ১। যৌন বংশ বিস্তার ও ২। অযৌন বংশ বিস্তার। ফল গাছ রোপনের মূল উদ্দেশ্য হলো ভাল, উন্নতমান ও মাতৃগুন সম্পন্ন ফল পাওয়া। এ কারণে, ফল গাছ রোপনের ক্ষেত্রে যৌন পদ্ধতির তুলনায় অযৌন পদ্ধতির চারা/ কলম গুরুত্বপূর্ন। কারন এ পদ্ধতিতে উৎপাদিত চারা/কলম রোপন করলে মাতৃগুনাগুন সম্পন্ন ফল পাওয়া যায়, গাছে তাড়াতাড়ি ফল ধরে এবং গাছ ছোট হয় বিধায় অল্প পরিসরে অনেক গাছ রোপন করা যায়। অযৌন বংশ বিস্তার পদ্ধতি গুলোর মধ্যে ক্লেফ্ট গ্রাফটিং বা ফাটল জোড় কলম একটি অন্যতম পদ্ধতি।এ পদ্ধতিতে একাধিক ফল গাছে কলম করা যায়। অন্যান্য জোড় কলম গুলোর তুলনায় ফাটল জোড় কলম একটি অন্যতম পদ্ধতি কারন এ পদ্ধতিতে কর্তিত স্থানের দুই পাশ দিয়ে জোড়া লাগে বিধায় জোড়াটি সবল হয় এবং সহজে জোড়া স্থানটি ভাংগার সম্বাবনা থাকে না। তুলনামুলক ভাবে এ পদ্ধতি অন্যান্য জোড় কলম পদ্ধতি গুলোর তুলনায় সহজ, ???ফলতার হার বেশী এবং খরচও কম পড়ে।

Another Explanation (5):

একবীজপত্রী উদ্ভিদে জোড় কলম সম্ভব নয়: ব্যাখ্যা 🌱

জোড় কলম একটি গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গজ প্রজনন পদ্ধতি। 🪴 তবে, একবীজপত্রী উদ্ভিদ?? (Monocotyledon) এটি সম্ভব নয়। এর কারণগুলো নিচে আলোচনা করা হলো:

কারণসমূহ 📝

  1. ভাস্কুলার বান্ডলের প্রকৃতি: একবীজপত্রী উদ্ভিদের ভাস্কুলার বান্ডলগুলো বিক্ষিপ্তভাবে ছড়ানো থাকে। 🧬 এগুলো কোনো নির্দিষ্ট স্তরে সজ্জিত থাকে না। ফলে জোড় কলমের জন্য ক্যাম্বিয়াম স্তরের সংযোগ স্থাপন করা কঠিন।
  2. ক্যাম্বিয়ামের অনুপস্থিতি: দ্বিবীজপত্রী উদ্ভিদে ক্যাম্বিয়াম নামক একটি সক্রিয় কোষস্তর থাকে যা নতুন কোষ তৈরি করে জোড়া লাগতে সাহায্য করে। 🌳 অন্যদিকে, একবীজপত্রী উদ্ভিদে ক্যাম্বিয়াম সাধারণত অনুপস্থিত। 🚫
  3. পরিবহনতন্ত্রের জটিলতা: একবীজপত্রী উদ্ভিদের পরিবহনতন্ত্র (ভাস্কুলার বান্ডল) জটিলভাবে বিন্যস্ত থাকায় জোড় কলম করার সময় স্টক ও সায়নের মধ্যে সংযোগ স্থাপন করা প্রায় অসম্ভব। 🚧
  4. মূলতন্ত্রের বৈশিষ্ট্য: এদের প্রধান মূল থাকে না, গুচ্ছ মূল থাকে। 💪 ফলে জোড় কলমের জন্য উপযুক্ত স্টক পাওয়া যায় না।

তুলনামূলক আলোচনা: একবীজপত্রী বনাম দ্বিবীজপত্রী 📊

বৈশিষ্ট্য একবীজপত্রী উদ্ভিদ দ্বিবীজপত্রী উদ্ভিদ
ভাস্কুলার বান্ডল বিক্ষিপ্তভাবে ছড়ানো 흩어진 বৃত্তাকারে সাজানো ⭕
ক্যাম্বিয়াম অনুপস্থিত ❌ উপস্থিত ✅
মূল গুচ্ছ মূল 🧶 প্রধান মূল 🌲
জোড় কলম অসম্ভব ⛔ সম্ভব 💚

ভাস্কুলার বান্ডল সমপার্শ্বীয় হওয়ার প্রভাব 🌊

একবীজপত্রী উদ্ভিদের ভাস্কুলার বান্ডল "সমপার্শ্বীয়" (Collateral) হওয়ার কারণে জাইলেম ও ফ্লোয়েম একই ব্যাসার্ধের উপর অবস্থান করে এবং এর মাঝে কোনো ক্যাম্বিয়াম থাকে না। 🌱 ফলে নতুন কোষ তৈরি হয়ে জোড়া লাগার সুযোগ থাকে না।

উপসংহার 🏁

উপরের আলোচনা থেকে এটা স্পষ্ট যে, ভাস্কুলার বান্ডলের গঠন, ক্যাম্বিয়ামের অনুপস্থিতি এবং অন্যান্য শারীরবৃত্তীয় বৈশিষ্ট্যের কারণে একবীজপত্রী উদ্ভিদে জোড় কলম করা সম্ভব নয়। 😥 তবে টিস্যু কালচারের মাধ্যমে এদের বংশবৃদ্ধি করা যায়। 🧪

আশা করি, বিষয়টি বোধগম্য হয়েছে। 😊