টিউটোরিয়াল / গাইডলাইন অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ ডাউনলোড
Google Play
GET IT ON Google Play
StudyClub - স্মার্ট স্টাডি প্ল্যাটফর্ম
মেনু
Self Tracker
Messenger
Question Bank
Study User Report
Session Report
To do list Report
Study Leaderboard
Screen Time Leaderboard
Public Dashboard
Quiz Creator
Quiz Leaderboard
হোম
Profile
About
Tutorials
থিম নির্বাচন

আপনার পছন্দের থিম বেছে নিন।

প্রস্বেদনের সময় পানির সঙ্গে কোন পদার্থটি নির্গত হয়ে রোগ প্রতিরোধে সাহায্য করে?

A. জৈব এসিড
B. লবণ
C. হরমোন
D. এনজাইম
সঠিক উত্তরঃ B. লবণ
Explanation: প্রস্বেদনের সময় পানির সঙ্গে লবণ নির্গত হয়, যা দেহের ইলেকট্রোলাইট ভারসাম্য বজায় রেখে রোগ প্রতিরোধে সাহায্য করে।
Another Explanation (5):

প্রশ্নের উত্তর: প্রস্বেদনের সময় পানির সঙ্গে কোন পদার্থটি নির্গত হয়ে রোগ প্রতিরোধে সাহায্য করে?

প্রশ্নের উত্তর হলো: লবণ। এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান যা প্রস্বেদনের সময় শরীর থেকে নির্গত হয় এবং রোগ প্রতিরোধে সহায়ক ভূমিকা পালন করে। নিচে এর ব্যাখ্যা ও বিস্তারিত আলোচনা দেওয়া হলো।

লবণের গুরুত্ব ও কার্যকারিতা

  • প্রধান উপাদান: সোডিয়াম ক্লোরাইড (NaCl)।
  • শরীরের পানির সহিত লবণের সমন্বয় শরীরের জলস্তর বজায় রাখতে সাহায্য করে।
  • প্রস্বেদনের সময় লবণ বের হয়ে যায়, যা শরীরের ইলেকট্রোলাইট ব্যালেন্স রক্ষা করে।
  • এটি শরীরের অ্যান্টিবডি ও রোগপ্রতিরোধ ব্যবস্থা শক্তিশালী করে।

প্রস্বেদনের সময় লবণের ভূমিকা

প্রস্বেদনের সময় শরীরের জল ও লবণ নির্গত হয়। এই লবণ শরীরের ইলেকট্রোলাইট ব্যালেন্স বজায় রাখতে সাহায্য করে, যা রোগের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে।

তালিকা: প্রস্বেদনের মাধ্যমে নির্গত পদার্থসমূহ

পদার্থ অর্থ রোগ প্রতিরোধে ভূমিকা
পানি শরীরের জলস্তর বজায় রাখে অঙ্গপ্রতঙ্গের কার্যক্ষমতা উন্নত করে
লবণ ইলেকট্রোলাইট ব্যালেন্স রক্ষা করে রোগের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে
অম্ল ও ক্ষারজাত উপাদান দেহের রসায়নিক প্রক্রিয়া নিয়ন্ত্রণ করে শরীরের স্বাভাবিক কার্যক্রম বজায় রাখে

উপসংহার

অতএব, প্রস্বেদনের সময় পানির সঙ্গে নির্গত লবণ শরীরের ইলেকট্রোলাইট ব্যালেন্স বজায় রাখতে সাহায্য করে এবং রোগ প্রতিরোধে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এটি শরীরের স্বাভাবিক কার্যক্রম ও রোগের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধিতে সহায়ক।

Option A Explanation:

জৈব এসিডের ব্যাখ্যা

  • জৈব এসিড হলো প্রাকৃতিক বা কৃত্রিমভাবে তৈরি হওয়া রাসায়নিক যৌগ, যা সাধারণত জীববৈচিত্র্য ও উদ্ভিদজাত উপাদানে পাওয়া যায়।
  • এগুলো সাধারণত পানিতে দ্রবণীয় হয় এবং পানির সাথে মিশে বিভিন্ন রাসায়নিক বিক্রিয়ায় অংশ নেয়।
  • জৈব এসিডের মধ্যে ল্যাকটিক অ্যাসিড, অ্যাসিটিক অ্যাসিড, সাইট্রিক অ্যাসিড ইত্যাদি উল্লেখযোগ্য।
  • প্রস্রাবের সময় জৈব এসিডের উপস্থিতি শরীরের ক্ষতিকারক ব্যাকটেরিয়া বা অন্যান্য জীবাণু প্রতিরোধে সহায়ক হতে পারে, কারণ এগুলো পরিবেশকে অপ্রিয় করে তোলে এবং রোগের জীবাণুর বৃদ্ধি কমায়।
  • এছাড়া, জৈব এসিডের প্রভাব পুষ্টি ও স্বাস্থ্যের উপরেও সহায়ক ভূমিকা রাখতে পারে।
Option B Explanation:
  • প্রকার: লবণ হলো একটি ক্ষারজ সামগ্রী, যা সাধারণত সোডিয়াম ক্লোরাইড (NaCl) হিসেবে পরিচিত।
  • প্রাকৃতিক উৎস: এটি মূলত সমুদ্রের জল, খনিজ খনির থেকে সংগ্রহ করা হয়।
  • প্রয়োগ: খাদ্যগ্রহণে স্বাদ বাড়ানোর জন্য, সংরক্ষণে, এবং শিল্পে বিভিন্নভাবে ব্যবহৃত হয়।
  • অণু গঠন: এটি একটি আঠারো অণুর যৌগ, যার মধ্যে সোডিয়াম (Na) এবং ক্লোরিন (Cl) আয়ন থাকে।
  • শারীরিক বৈশিষ্ট্য: লবণ সাধারণত সাদা এবং খারাপ স্বাদের হয়। এটি কঠিন কঠিন পদার্থ হিসেবে পাওয়া যায়।
Option C Explanation:
  • হরমোন: এটি রক্তের মাধ্যমে পরিবহন হয় এবং বিভিন্ন অঙ্গ ও টিস্যুকে নিয়ন্ত্রণ ও সমন্বয় করতে সাহায্য করে।
  • শরীরের বিভিন্ন কার্যকলাপ যেমন বৃদ্ধি, বিপাক, প্রজনন, এবং মেজাজ নিয়ন্ত্রণে হরমোন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
  • এটি সাধারণত গ্রন্থি থেকে নিঃসরণ হয়, যেমন থাইরয়েড গ্রন্থি, অ্যাড্রেনাল গ্রন্থি, পিটিউটারি গ্রন্থি ইত্যাদি।
  • হরমোনের কার্যকলাপ ধীরগতি সম্পন্ন হলেও দীর্ঘস্থায়ী প্রভাব ফেলে।
  • উদাহরণস্বরূপ: ইনসুলিন, অ্যাড্রেনালিন, এস্ট্রোজেন, টেষ্টোস্টেরোন ইত্যাদি।
Option D Explanation:
  • এনজাইম: এনজাইম হলো প্রাকৃতিক বা জীবন্ত কোষ দ্বারা উৎপাদিত প্রোটিন ধরনের জৈব রাসায়নিক উপাদান, যা রাসায়নিক প্রতিক্রিয়া দ্রুততর করে।
  • এরা জীববৈচিত্র্যে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে যেমন পুষ্টি প্রক্রিয়া, ডিহাইড্রেশন, ক্ষয়প্রাপ্তির প্রতিরোধ ইত্যাদি।
  • উদাহরণস্বরূপ, অ্যামাইলেস, লিপেজ, ট্রান্সফারেজ ইত্যাদি বিভিন্ন ধরণের এনজাইম পাওয়া যায়।
  • এনজাইম সাধারণত কোষের ভিতরে বা বাইরে কাজ করে এবং নির্দিষ্ট প্রক্রিয়া সম্পাদনে সহায়তা করে।