লগইন করুন
আমাদের ওয়েবসাইটের সকল সুবিধা পেতে লগইন করুন
আপনার পছন্দের থিম বেছে নিন।

আর্নেস্ট রাদারফোর্ড এবং তার সহকর্মীরা (হ্যান্স গাইগার ও আর্নেস্ট মার্সডেন) ১৯১১ সালে এই বিখ্যাত পরীক্ষাটি করেন। এই পরীক্ষা থেকে পরমাণুর গঠন সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া যায়।
পরমাণুর অভ্যন্তরে ধনাত্মক চার্জ কীভাবে বণ্টিত আছে, তা জানা।
রাদারফোর্ড এই পর্যবেক্ষণগুলো থেকে কিছু গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তে উপনীত হন:
রাদারফোর্ডের আলফা কণা বিচ্ছুরণ পরীক্ষা থেকে নিউক্লিয়াসের অস্তিত্ব প্রমাণিত হয়। এই আবিষ্কার পরমাণু বিজ্ঞান এবং আধুনিক পদার্থবিজ্ঞানের ভিত্তি স্থাপন করে।
| পর্যবেক্ষণ | সিদ্ধান্ত |
|---|---|
| বেশিরভাগ কণা সোজা চলে যায় | পরমাণুর বেশিরভাগ স্থান ফাঁকা |
| কিছু কণা বেঁকে যায় | নিউক্লিয়াসে ধনাত্মক চার্জ আছে |
| অল্প সংখ্যক কণা ফিরে আসে | নিউক্লিয়াস খুব ছোট এবং ভারী |
রাদারফোর্ড তার মডেলকে সৌরজগতের সাথে তুলনা করেছিলেন, যেখানে সূর্য হলো নিউক্লিয়াস এবং গ্রহগুলো হলো ইলেকট্রন। ☀️
এই পরীক্ষাটি পরবর্তীতে নিলস বোরের পরমাণু মডেলের উন্নয়নে সহায়ক ভূমিকা পালন করে। ⚛️