টিউটোরিয়াল / গাইডলাইন অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ ডাউনলোড
Google Play
GET IT ON Google Play
StudyClub - স্মার্ট স্টাডি প্ল্যাটফর্ম - Study Tracker - App Blocker - Reading Room
মেনু
Self Tracker
Messenger
Question Bank
Study User Report
Session Report
To do list Report
Study Leaderboard
Screen Time Leaderboard
Public Dashboard
Quiz Creator
Quiz Leaderboard
হোম
Profile
About
Tutorials
থিম নির্বাচন

আপনার পছন্দের থিম বেছে নিন।

নিচের কোনটি টিয়া পাখির বৈজ্ঞানিক নাম?

A. Copsychus saularis
B. Penaeus monodon
C. Psittacula eupatria
D. Pennatula phosphora
সঠিক উত্তরঃ C. Psittacula eupatria
Explanation:

Another Explanation (5):

টিয়া পাখির বৈজ্ঞানিক নাম: একটি একাডেমিক ব্যাখ্যা 🦜

প্রদত্ত উত্তর Psittacula eupatria একটি বিশেষ প্রজাতির টিয়া পাখির বৈজ্ঞানিক নাম। নিচে এই বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হলো:

বৈজ্ঞানিক নামের তাৎপর্য 🧐

  • Psittacula: এটি গণের নাম (Genus)। এই গণের অন্তর্ভুক্ত টিয়া পাখিদের আকার মাঝারি থেকে বড় হয়ে থাকে। এদের লম্বা লেজ এবং উজ্জ্বল সবুজ পালক বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য।
  • eupatria: এটি প্রজাতির নাম (Species)। eupatria লাতিন শব্দ, যার অর্থ "অভিজাত" বা "উচ্চ বংশীয়"। এই নামটি সম্ভবত এই পাখির সৌন্দর্য এবং রাজকীয় appearance-এর কারণে দেওয়া হয়েছে।

শ্রেণীবিন্যাস 🌳

টিয়া পাখির শ্রেণীবিন্যাস নিচে একটি টেবিলের মাধ্যমে দেখানো হলো:

শ্রেণী (Class) Aves (পাখি) 🐦
বর্গ (Order) Psittaciformes (টিয়াপাখি) 🦜
পরিবার (Family) Psittaculidae (পুরোনো বিশ্বের টিয়া) 🌍
গণ (Genus) Psittacula
প্রজাতি (Species) Psittacula eupatria

Psittacula eupatria এর বৈশিষ্ট্য 👑

  • সাধারণ নাম: এদের সাধারণত আলেকজান্দ্রিন প্যারাকিট (Alexandrine Parakeet) নামে ডাকা হয়।
  • আকার: এই প্রজাতির টিয়া পাখিগুলো লম্বায় প্রায় ৫৮ সেন্টিমিটার পর্যন্ত হতে পারে।
  • রং: এদের পালকের রং সাধারণত সবুজ হয়, তবে পুরুষ পাখির ঘাড়ে একটি কাল??? ও গোলাপী রঙের রিং দেখা যায়। 🩷🖤
  • বাসস্থান: এরা মূলত দক্ষিণ এশিয়া এবং দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার বিভিন্ন অঞ্চলে বসবাস করে। 🏞️
  • খাদ্য: এদের প্রধান খাদ্য ফল, বীজ, বাদাম এবং শস্য। 🍎🥭🌰

সংরক্ষণstatus 😥

আলেকজান্দ্রিন প্যারাকিট বা Psittacula eupatria IUCN রেড লিস্টে Least Concern হিসেবে তালিকাভুক্ত। তবে, এদের আবাসস্থল ধ্বংস এবং অবৈধ শিকারের কারণে এদের সংখ্যা কমে যাচ্ছে। তাই এদের সংরক্ষণে মনোযোগ দেওয়া উচিত। 🙏

অতিরিক্ত তথ্য 💡

টিয়া পাখি সম্পর্কে আরো কিছু মজার তথ্য:

  1. টিয়া পাখি খুব বুদ্ধিমান হয়ে থাকে এবং মানুষের কথা নকল করতে পারে। 🗣️
  2. এরা পোষ মানানোর জন্য খুব জনপ্রিয়। 🏡
  3. কিছু প্রজাতির টিয়া পাখি ১০০ বছরের বেশি সময় ধরে বাঁচতে পারে। 👴👵

আশা করি এই ব্যাখ্যাটি Psittacula eupatria সম্পর্কে আপনার ধারণা স্পষ্ট করতে সাহায্য করবে। 😊

Option A Explanation:
  • নাম: Copsychus saularis
  • পরিবার: সাইরাসিডি (Cisticolidae)
  • বর্ণনা: এটি একটি ছোটো পাখি যা সাধারণত সান্দ্র গাছের ডালে দেখা যায়। এর পাখার রঙ সাধারণত কালো ও সাদা মিশ্রিত, এবং এটি খুবই কণ্ঠস্বল্প।
  • প্রজনন: এই পাখি সাধারণত গাছে তাদের বাসস্থান তৈরি করে এবং একসাথে বসবাস করে।
  • আবাস: মূলত দক্ষিণ এশিয়ার বিভিন্ন অংশে পাওয়া যায়, যেমন ভারত, বাংলাদেশ, শ্রীলঙ্কা ইত্যাদি।
Option B Explanation:
  • নাম: Penaeus monodon
  • প্রকার: গভীর সামুদ্রিক ঝিনুক বা চিংড়ি (শ্রেণী: ক্রাস্টেশিয়া)
  • বৈশিষ্ট্য: বৃহৎ আকারের চিংড়ি, সাধারণত ২৫-৩৫ সেমি লম্বা হয়
  • অবস্থান: মূলত ভারত মহাসাগরীয় এলাকা, দক্ষিণ-প্রাচ্য এশিয়া ও অস্ট্রেলিয়ায় পাওয়া যায়
  • অর্থনৈতিক গুরুত্ব: মাছের চাষে খুবই গুরুত্বপূর্ণ, কারণ এর মাংসের চাহিদা উচ্চ
Option C Explanation:
  • নাম: Psittacula eupatria
  • অর্থ: এটি টিয়া পাখির বৈজ্ঞানিক নাম
  • পরিবার: Psittaculidae
  • বর্ণনা: বড় আকারের টিয়া, যা সাধারণত সবুজ রঙের এবং মাথায় লাল বা পীত রংয়ের পালক থাকে।
  • অবস্থান: এশিয়া মহাদেশের বিভিন্ন অংশে দেখা যায়, বিশেষ করে ভারত, বাংলাদেশ, শ্রীলংকা, এবং দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া অঞ্চলে।
  • অভ্যাস: সাধারণত গাছে বসে থাকায় পাখিরা ফলমূল, জলখাবার এবং বীজ খায়।
Option D Explanation:
  • নাম: Pennatula phosphora
  • প্রকার: সামুদ্রিক প্রাণী (মহাসাগরীয় কচ্ছপ বা পেঙ্গুইন)
  • শ্রেণী: cnidaria (ক্ল্যাড)
  • বর্ণনা: এটি একটি পেননাটুলা প্রজাতি, যা সাধারণত সমুদ্রের নীচে বা সমুদ্রের উপকূলে পাওয়া যায়।
  • বিশেষ বৈশিষ্ট্য: এর দেহের রঙ সাধারণত উজ্জ্বল এবং এটি একটি শৈল্পিক, ঝুলন্ত আকারের প্রাণী।