টিউটোরিয়াল / গাইডলাইন অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ ডাউনলোড
Google Play
GET IT ON Google Play
StudyClub - স্মার্ট স্টাডি প্ল্যাটফর্ম
মেনু
Self Tracker
Messenger
Question Bank
Study User Report
Session Report
To do list Report
Study Leaderboard
Screen Time Leaderboard
Public Dashboard
Quiz Creator
Quiz Leaderboard
হোম
Profile
About
Tutorials
থিম নির্বাচন

আপনার পছন্দের থিম বেছে নিন।

প্রাণী কোষে থাকে না--

A. নিউক্লিয়াস 
B. মাইটোকন্ড্রিয়া
C. লাইসোসোম
D. কোষপ্রাচীর
সঠিক উত্তরঃ D. কোষপ্রাচীর
Explanation:

Another Explanation (5):

প্রাণী কোষে কোষপ্রাচীর অনুপস্থিতির ব্যাখ্যা 🧬

কোষপ্রাচীর 🧱 উদ্ভিদ কোষ, ব্যাকটেরিয়া 🦠, ছত্রাক 🍄 এবং কিছু protist-এর প্রধান বৈশিষ্ট্য। কিন্তু প্রাণী কোষে 🐾 এটি অনুপস্থিত। এর কারণগুলো নিচে আলোচনা করা হলো:

কোষপ্রাচীরের কাজ এবং প্রাণী কোষে এর প্রয়োজনীয়তা 🤔

কোষপ্রাচীর প্রধানত কোষকে সুরক্ষা 🛡️ প্রদান করে, আকৃতি 📐 দেয় এবং অভ্যন্তরীণ অঙ্গাণুগুলোকে ধরে রাখে। এটি কোষের ভেতরের পরিবেশকে বাইরের প্রতিকূল অবস্থা থেকে রক্ষা করে। উদ্ভিদ কোষের কোষপ্রাচীর সেলুলোজ 🌿 দিয়ে তৈরি, যা তাদের কাঠামোকে দৃঢ়তা দেয়।

অন্যদিকে, প্রাণী কোষের গঠন এবং কাজের ধরন ভিন্ন হওয়ায় কোষপ্রাচীরের প্রয়োজন হয় না। নিচে একটি তুলনামূলক তালিকা দেওয়া হলো:

বৈশিষ্ট্য উদ্ভিদ কোষ 🌱 প্রাণী কোষ 🐾
কোষপ্রাচীর উপস্থিত (সেলুলোজ নির্মিত) ✅ অনুপস্থিত ❌
আকৃতি নির্দিষ্ট এবং সাধারণত অপরিবর্তনশীল 📐 নমনীয় এবং পরিবর্তনশীল 🤸
কাজের ধরন স্বভোজী (সালোকসংশ্লেষণ করে) ☀️ পরভোজী (খাদ্য গ্রহণ করে) 🍔

প্রাণী কোষে কোষপ্রাচীর না থাকার কারণ 🤷

  1. নমনীয়তা: প্রাণী কোষের নমনীয়তা 🤸 প্রয়োজন, যা তাদের বিভিন্ন অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ গঠনে সাহায্য করে। কোষপ্রাচীর থাকলে কোষের নমনীয়তা কমে যেত।
  2. বিশেষায়িত কাজ: প্রাণী কোষ বিভিন্ন বিশেষায়িত কাজ করে, যেমন - পেশী সংকোচন 💪, স্নায়ুimpulses পরিবহন ⚡ ইত্যাদি। এই কাজগুলোর জন্য কোষের আকার পরিবর্তন এবং চলন ক্ষমতা দরকার, যা কোষপ্রাচীর থাকলে সম্ভব নয়।
  3. আন্তঃকোষীয় যোগাযোগ: প্রাণী কোষগুলোর মধ্যে সরাসরি যোগাযোগের 🤝 প্রয়োজন হয়, যা কোষপ্রাচীর থাকলে বাধাগ্রস্ত হতো।
  4. কঙ্কালতন্ত্রের উপস্থিতি: প্রাণীদের কঙ্কালতন্ত্র 🦴 থাকার কারণে কোষগুলোকে দৃঢ় রাখার জন্য আলাদা করে কোষপ্রাচীরের প্রয়োজন হয় না। কঙ্কালতন্ত্রই দেহের গঠন এবং সুরক্ষার দায়িত্ব পালন করে।

কোষঝিল্লি (Cell Membrane) 🎈

প্রাণী কোষে কোষপ্রাচীর না থাকলেও কোষঝিল্লি (Cell Membrane) থাকে। এটি একটি পাতলা স্তর 🤏, যা কোষের সাইটোপ্লাজমকে ঘিরে রাখে এবং কোষের ভেতরে ও বাইরের মধ্যে বিভিন্ন পদার্থের চলাচল নিয়ন্ত্রণ করে। কোষঝিল্লি ফসফোলিপিড এবং প্রোটিন দিয়ে গঠিত।

উপসংহার 🏁

পরিশেষে বলা যায়, প্রাণী কোষের গঠন, কাজ এবং পরিবেশের সঙ্গে খাপ খাইয়ে নেওয়ার জন্য কোষপ্রাচীরের পরিবর্তে কোষঝিল্লিই যথেষ্ট। কোষপ্রাচীর না থাকার কারণে প্রাণী কোষ তার বৈশিষ্ট্যপূর্ণ কার্যক্রম যেমন - চলন, আকার পরিবর্তন এবং আন্তঃকোষীয় যোগাযোগ সহজে করতে পারে। 🥳

Option A Explanation:
  • নিউক্লিয়াস: সাধারণত 70S রাইবোজোম থাকে না।
  • প্রোটিন সংশ্লেষণের জন্য 80S রাইবোজোম মূলত ইউক্যারিয়োটিক কোষের নিউক্লিয়াসের বাইরে সাইটোপ্লাজমে অবস্থিত হয়।
  • অন্যদিকে, প্রোটিন সংশ্লেষণে প্রাথমিকভাবে 70S রাইবোজোম প্রোটিন সংশ্লেষের জন্য মূলত প্রোক্যারিয়োটিক কোষের (যেমন ব্যাকটেরিয়া ও অর্চিয়া) সাইটোপ্লাজমে পাওয়া যায়।
  • সুতরাং, নিউক্লিয়াসে সাধারণত 70S রাইবোজোম থাকে না; এটি মূলত সাইটোপ্লাজমের একটি বৈশিষ্ট্য।
Option B Explanation:
  • সাধারণ তথ্য: মাইটোকন্ড্রিয়া হলো কোষের একটি অঙ্গপ্রতঙ্গ, যা শক্তি উৎপাদনে বিশেষ ভূমিকা রাখে।
  • মূল কাজ: এটি অ্যাডেনোসিন ট্রাইফসফেট (ATP) তৈরি করে, যা কোষের জন্য প্রয়োজনীয় শক্তি সরবরাহ করে।
  • আকার ও গঠন: ছোট, দেহের আকারে গোলাকার বা দণ্ডাকার হতে পারে এবং নিজস্ব ডিএনএ (DNA) ধারণ করে।
  • অন্য নাম: অনেক সময় এটি "শক্তি উৎপাদনকারী অঙ্গপ্রতঙ্গ" হিসেবে পরিচিত।
  • উপস্থিতি: প্রতিটি ইউক্যারিওটিক কোষে সাধারণত অনেক মাইটোকন্ড্রিয়া থাকে।
Option C Explanation:
  • লাইসোসোম: লাইসোসোম হলো একটি আণবিক গঠন যা জীবদেহের অকেজো বা ক্ষতিগ্রস্ত কোষের অংশবিশেষ বা অপ্রয়োজনীয় উপাদানসমূহ ধ্বংস করে।
  • এটি বিশেষ ধরনের অ্যাজাইম দ্বারা সমৃদ্ধ, যা প্রোটিন, লিপিড, কার্বোহাইড্রেড, এবং নিউক্লিক অ্যাসিডের মতো জৈব পদার্থগুলিকে ভাঙতে সক্ষম।
  • লাইসোসোমের মাধ্যমে কোষের স্বাভাবিক কার্যক্রম বজায় রাখতে সহায়তা করে এবং অপ্রয়োজনীয় বা ক্ষতিগ্রস্ত উপাদানগুলোকে পুনরুত্পাদন বা পুনর্ব্যবহার করে।
  • প্রক্রিয়াটি সাধারণত ফ্যাগোসাইটোসিস বা অটোফ্যাগোসিস নামে পরিচিত।
Option D Explanation:
  • কোষপ্রাচীর: কোষপ্রাচীর হলো একটি কঠিন স্তর যা কিছু অঙ্গপ্রতিষ্ঠানের চারপাশে অবস্থিত।
  • এটি কোষের আকার এবং আকার বজায় রাখতে সাহায্য করে এবং কোষকে আঘাত থেকে রক্ষা করে।
  • প্রধানত উদ্ভিদ, ছত্রাক, ব্যাকটেরিয়া ও প্রোটিস্টের কোষে পাওয়া যায়।
  • উদ্ভিদ কোষের ক্ষেত্রে, কোষপ্রাচীর প্রধানত cellulose (শর্করা) দিয়ে তৈরি হয়।
  • এটি কোষের অভ্যন্তরীণ উপাদানগুলোকে সংরক্ষণ এবং সুরক্ষিত করে, এবং কিছু ক্ষেত্রে আকার নির্ধারণে সাহায্য করে।