টিউটোরিয়াল / গাইডলাইন অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ ডাউনলোড
Google Play
GET IT ON Google Play
StudyClub - স্মার্ট স্টাডি প্ল্যাটফর্ম
মেনু
Self Tracker
Messenger
Question Bank
Study User Report
Session Report
To do list Report
Study Leaderboard
Screen Time Leaderboard
Public Dashboard
Quiz Creator
Quiz Leaderboard
হোম
Profile
About
Tutorials
থিম নির্বাচন

আপনার পছন্দের থিম বেছে নিন।

ডায়নামো কোন সূত্রের ভিত্তিতে তৈরি করা হয় ?

A. বায়োট -স্যাভার্ট সূত্র
B. কুলম্বের সূত্র
C.  আয়ম্পিয়ারের সূত্র
D.  ফ্যারাডের সুত্র
সঠিক উত্তরঃ D.  ফ্যারাডের সুত্র
Explanation:

ডায়নামো কোন ফ্যারাডের ভিত্তিতে তৈরি করা হয়

Another Explanation (5): ডায়নামো কিভাবে ফ্যারাডের সূত্র ব্যবহার করে⚡ ডায়নামো হলো এমন একটি যন্ত্র ⚙️ যা যান্ত্রিক শক্তিকে 🔄 তড়িৎ শক্তিতে রূপান্তরিত করে। এর মূল ভিত্তি হলো ফ্যারাডের তড়িৎ চুম্বকীয় আবেশের সূত্র। নিচে এই বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হলো: ফ্যারাডের সূত্র 👨‍🏫 ফ্যারাডের সূত্র মূলত দুটি বিষয় নিয়ে আলোচনা করে: * প্রথম সূত্র: যখন কোনো পরিবাহী তারের কুণ্ডলীকে 🧵 চুম্বকক্ষেত্রের মধ্যে ঘোরানো হয়, তখন ওই কুণ্ডলীতে একটি তড়িৎচালক বল (Electromotive Force - EMF) আবিষ্ট হয়। 🌀 * দ্বিতীয় সূত্র: আবিষ্ট তড়িৎচালক বলের মান কুণ্ডলীর সাথে জড়িত চুম্বকীয় ফ্লাক্সের পরিবর্তনের হারের সমানুপাতিক। 📊 ডায়নামোর গঠন 🏗️ ডায়নামোর প্রধান অংশগুলো হলো: 1. আর্মেচার (Armature): এটি মূলত তামার তারের কুণ্ডলী 🧵, যা চুম্বকক্ষেত্রের মধ্যে ঘোরে। 2. চুম্বকক্ষেত্র (Magnetic Field): এটি শক্তিশালী চুম্বক 🧲 দ্বারা তৈরি করা হয়, যা আর্মেচারের চারপাশে থাকে। 3. স্লিপ রিং ও ব্রাশ (Slip Ring & Brush): এগুলো আর্মেচারের সাথে যুক্ত থাকে এবং উৎপন্ন বিদ্যুৎকে বর্তনীতে পাঠাতে সাহায্য করে। ⚡ কার্যপ্রণালী ⚙️ ডায়নামো কিভাবে কাজ করে তা নিচে বর্ণনা করা হলো: 1. আর্মেচারকে ঘোরানো 🔄: যখন বাইরের কোনো শক্তি ব্যবহার করে আর্মেচারকে চুম্বকক্ষেত্রের মধ্যে ঘোরানো হয়, তখন আর্মেচারের তারগুলো চুম্বকক্ষেত্রকে অতিক্রম করে। 2. চুম্বকীয় ফ্লাক্সের পরিবর্তন 📉: আর্মেচার ঘোরার ফলে এর সাথে জড়িত চুম্বকীয় ফ্লাক্সের পরিবর্তন ঘটে। 3. তড়িৎচালক বলের সৃষ্টি 💡: ফ্যারাডের সূত্রানুসারে, চুম্বকীয় ফ্লাক্সের পরিবর্তনের কারণে আর্মেচারে একটি তড়িৎচালক বল (EMF) আবিষ্ট হয়। 4. বিদ্যুৎ উৎপাদন ⚡: এই আবিষ্ট তড়িৎচালক বলের কারণে বর্তনীতে বিদ্যুৎ প্রবাহিত হয়। বিষয়টিকে আরো সহজে বোঝার জন্য একটি তালিকা নিচে দেওয়া হলো: * ঘূর্ণন 🔄: আর্মেচারকে ঘোরানো হয়। * ফ্লাক্স পরিবর্তন 📉: চুম্বকীয় ফ্লাক্সের পরিবর্তন হয়। * EMF সৃষ্টি 💡: তড়িৎচালক বল আবিষ্ট হয়। * বিদ্যুৎ উৎপাদন ⚡: বিদ্যুৎ উৎপন্ন হয়। ডায়নামোর প্রকারভেদ ⚙️ ডায়নামো সাধারণত দুই প্রকার: 1. এসি ডায়নামো (AC Dynamo): এটি পরিবর্তী প্রবাহ (Alternating Current) উৎপন্ন করে। 〰️ 2. ডিসি ডায়নামো (DC Dynamo): এটি সরাসরি প্রবাহ (Direct Current) উৎপন্ন করে। ➖ ফ্যারাডের সূত্রের প্রয়োগ 💡 ডায়নামো তৈরিতে ফ্যারাডের সূত্রের প্রয়োগ একটি গুরুত্বপূর্ণ উদাহরণ। এই সূত্রের মাধ্যমেই যান্ত্রিক শক্তিকে বিদ্যুৎ শক্তিতে রূপান্তরিত করা সম্ভব হয়েছে। 🌍💡
বিষয় বর্ণনা
ফ্যারাডের সূত্র তড়িৎ চুম্বকীয় আবেশের সূত্র 🧲⚡
আর্মেচার তারের কুণ্ডলী 🧵
চুম্বকক্ষেত্র চুম্বক দ্বারা সৃষ্ট ক্ষেত্র 🧲
আবিস্ট EMF তড়িৎচালক বল 💡
বিদ্যুৎ উৎপন্ন শক্তি ⚡
আশা করি, এই ব্যাখ্যা ডায়নামো এবং ফ্যারাডের সূত্রের মধ্যে সম্পর্ক বুঝতে সাহায্য করবে। 😊👍