টিউটোরিয়াল / গাইডলাইন অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ ডাউনলোড
Google Play
GET IT ON Google Play
StudyClub - স্মার্ট স্টাডি প্ল্যাটফর্ম - Study Tracker - App Blocker - Reading Room
মেনু
Self Tracker
Messenger
Question Bank
Study User Report
Session Report
To do list Report
Study Leaderboard
Screen Time Leaderboard
Public Dashboard
Quiz Creator
Quiz Leaderboard
হোম
Profile
About
Tutorials
থিম নির্বাচন

আপনার পছন্দের থিম বেছে নিন।

মানুষের প্রধান নাইট্রোজেন ঘটিত রেচন বর্জ্য নয় কোনটি?

A. ক্রিয়েটিনিন
B. অ্যামোনিয়া
C. হিপনোটক্সিন
D. ইউরিয়া
সঠিক উত্তরঃ C. হিপনোটক্সিন
Explanation:

Another Explanation (5): ```html

মানুষের প্রধান নাইট্রোজেন ঘটিত রেচন বর্জ্য: একটি পর্যালোচনা 🤔

মানবদেহে বিপাকীয় প্রক্রিয়ার ফলে বিভিন্ন নাইট্রোজেন ঘটিত বর্জ্য পদার্থ তৈরি হয়। এগুলো শরীর থেকে বের করে দেওয়া প্রয়োজন। নিচে প্রধান রেচন বর্জ্যগুলো আলোচনা করা হলো:

প্রধান নাইট্রোজেন ঘটিত রেচন বর্জ্যসমূহ 💩

  • ইউরিয়া: এটি অ্যামিনো অ্যাসিড বিপাকের প্রধান উপজাত এবং সবচেয়ে বেশি পরিমাণে নির্গত হয়। 🧪
  • ক্রিয়েটিনিন: এটি ক্রিয়েটিন ফসফেটের ভাঙনের ফলে তৈরি হয়, যা মাংসপেশীর শক্তি উৎপাদনে ব্যবহৃত হয়। 💪
  • ইউরিক অ্যাসিড: পিউরিন নামক নিউক্লিক অ্যাসিডের বিপাকের ফলে এটি উৎপন্ন হয়। 🧬
  • অ্যামোনিয়া: এটি প্রোটিন বিপাকের একটি বিষাক্ত উপজাত। যকৃতে (Liver) এটি ইউরিয়াতে রূপান্তরিত হয়। 🤢

হিপনোটক্সিন কি রেচন বর্জ্য? 😴

উত্তর: হিপনোটক্সিন মানুষের প্রধান নাইট্রোজেন ঘটিত রেচন বর্জ্য নয়। 🙅‍♀️

হিপনোটক্সিন হলো এক ধরনের কাল্পনিক রাসায়নিক পদার্থ। এটি ঘুমের সাথে সম্পর্কিত, কিন্তু এর অস্তিত্ব এখনো বিজ্ঞান দ্বারা প্রমাণিত নয়। এটি কোনো স্বাভাবিক বিপাকীয় প্রক্রিয়ার মাধ্যমে উৎপন্ন হয় না এবং রেচনতন্ত্রের মাধ্যমে শরীর থেকে নির্গতও হয় না। 🤷‍♀️

বিভিন্ন রেচন বর্জ্যের উৎস এবং নির্গমন পথ 🚰

রেচন বর্জ্য উৎপত্তি নির্গমন পথ
ইউরিয়া অ্যামিনো অ্যাসিড বিপাক (যকৃৎ) মূত্র (বৃক্ক) ➡️
ক্রিয়েটিনিন ক্রিয়েটিন ফসফেট ভাঙন (পেশী) মূত্র (বৃক্ক) ➡️
ইউরিক অ্যাসিড পিউরিন বিপাক মূত্র (বৃক্ক) ➡️
অ্যামোনিয়া প্রোটিন বিপাক মূত্র (রূপান্তরিত হয়ে ইউরিয়া হিসেবে) ➡️
হিপনোটক্সিন কাল্পনিক প্রযোজ্য নয় 🚫

সুতরাং, হিপনোটক্সিন যেহেতু কোনো প্রমাণিত রেচন পদার্থ নয়, তাই এটি মানুষের প্রধান নাইট্রোজেন ঘটিত রেচন বর্জ্য নয়। 👍

আরও জানতে চাইলে উইকিপিডিয়া দেখতে পারেন। 📚

আশা করি, এই ব্যাখ্যাটি আপনার কাজে লাগবে! 😊

```
Option A Explanation:
  • ক্রিয়েটিনিন:
    • একটি প্রকৃতিতে পাওয়া যৌগিক যৌগ যা মূলত পেশির মধ্যে উৎপন্ন হয়।
    • এটি ক্রিয়েটিন থেকে তৈরি হয়, যা পেশির শক্তি সংরক্ষণে সহায়ক।
    • প্রধানত কিডনি দ্বারা প্রস্রাবের মাধ্যমে শরীর থেকে বের হয়ে যায়।
    • ইউরিয়া বা অন্যান্য নাইট্রোজেন ধারণকারী পদার্থের থেকে আলাদা, কারণ এটি পেশির কার্যকলাপের দ্বারা নির্গত হয়।
    • রক্তে ক্রিয়েটিনিনের মাত্রা কিডনি কার্যকারিতার একটি গুরুত্বপূর্ণ সূচক হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
Option B Explanation:
  • অ্যামোনিয়া: অ্যামোনিয়া হলো এক ধরণের ক্ষারমূলক যৌগ যা সাধারণত মূত্রে পাওয়া যায়।
  • অ্যামোনিয়া বৃদ্ধি পেলে এটি মূত্রের পিএইচ বাড়ায় এবং রঙের পরিবর্তন ঘটাতে পারে।
  • অ্যামোনিয়া অতিরিক্ত হলে মূত্রের রঙ খড়ের রঙের মতো হয়ে যেতে পারে কারণ এটি মূত্রের অম্লতা বা ক্ষারত্বের পরিবর্তন ঘটায়।
Option C Explanation:

হিপনোটক্সিন

  • একটি বায়োঅ্যাক্টিভ প্রোটিন বা পেপটাইড যা মূলত কিছু জীবের মধ্যে উপস্থিত থাকে।
  • প্রধানত কিছু শারীরবৃত্তীয় প্রক্রিয়ায় সহায়ক হিসেবে কাজ করে।
  • এটি সাধারণত প্রাকৃতিক রেচন বা নাইট্রোজেন ঘটিত বর্জ্য হিসেবে বিবেচিত হয় না।
  • প্রাকৃতিক বা মানবদেহের নাইট্রোজেন রেচন প্রক্রিয়ায় এটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে না।
  • অন্যদিকে, ইউরিয়া, অ্যামোনিয়া, ক্রিয়েটিনিন ইত্যাদি নাইট্রোজেনের প্রধান বর্জ্য পদার্থ হিসেবে বিবেচিত হয়।
Option D Explanation:
  • ইউরিয়া: ইউরিয়া হলো মূলত কিডনি দ্বারা নিঃসরণ হওয়া একটি পেপটাইড যৌগ, যা প্রোটিনের বিপাকের ফলাফল।
  • ইউরিয়া সাধারণত স্বাভাবিক মূত্রের রঙের জন্য দায়ী নয়।
  • মূত্রের রঙের পরিবর্তনের জন্য প্রধানত বিলিরুবিন বা অন্যান্য ব্যাকটেরিয়াল বিষাক্ত উপাদান দায়ী।
  • তবে, উচ্চ মাত্রার ইউরিয়া বা প্রস্রাবের অতিরিক্ত উপস্থিতি কিছু ক্ষেত্রে মূত্রের স্বাভাবিক রঙের পরিবর্তন ঘটাতে পারে, তবে এটি সাধারণত খড়ের রঙের মতো হয় না।