টিউটোরিয়াল / গাইডলাইন অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ ডাউনলোড
Google Play
GET IT ON Google Play
StudyClub - স্মার্ট স্টাডি প্ল্যাটফর্ম
মেনু
Self Tracker
Messenger
Question Bank
Study User Report
Session Report
To do list Report
Study Leaderboard
Screen Time Leaderboard
Public Dashboard
Quiz Creator
Quiz Leaderboard
হোম
Profile
About
Tutorials
থিম নির্বাচন

আপনার পছন্দের থিম বেছে নিন।

ভাইরাস বিদ্যার জনক কে?

A.

W.M. Stanley

B.

Robert Koch

C.

Loui Pasteur

D.

A.V. Leuwenhook

সঠিক উত্তরঃ A.

W.M. Stanley

Explanation:

Another Explanation (5):

ভাইরাস বিদ্যার জনক: ডব্লিউ.এম. স্ট্যানলি 🔬

ভাইরাস বিদ্যা (Virology) একটি জটিল এবং গুরুত্বপূর্ণ বিজ্ঞান যা ভাইরাস এবং তাদের বৈশিষ্ট্য নিয়ে আলোচনা করে। এই ভাইরাস বিদ্যার অগ্রগতিতে অনেক বিজ্ঞানীর অবদান রয়েছে। তাঁদের মধ্যে অন্যতম হলেন ডব্লিউ.এম. স্ট্যানলি (W.M. Stanley)।

ডব্লিউ.এম. স্ট্যানলি'র অবদান 🌟

  • ভাইরাসকে পৃথকীকরণ: ১৯৩৫ সালে তিনি প্রথম টোব্যাকো মোজাইক ভাইরাস (Tobacco Mosaic Virus) কে кристализовать (Crystallize) করতে সক্ষম হন। এটি ভাইরাস গবেষণায় একটি যুগান্তকারী ঘটনা ছিল।
  • ভাইরাসের রাসায়নিক গঠন: তিনি প্রমাণ করেন ভাইরাস শুধুমাত্র প্রোটিন দিয়ে গঠিত। পরবর্তীতে জানা যায় ভাইরাসে নিউক্লিক অ্যাসিডও থাকে।
  • নোবেল পুরস্কার: ভাইরাস নিয়ে কাজের জন্য তিনি ১৯৪৬ সালে রসায়নে নোবেল পুরস্কার পান। 🏆

ভাইরাস বিদ্যার অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ বিজ্ঞানীরা 👨‍🔬👩‍🔬

বিজ্ঞানীর নাম অবদান
এডওয়ার্ড জেনার Smallpox এর টিকা আবিষ্কার করেন। 💉
Jonas Salk পোলিও (Polio) রোগের টিকা আবিষ্কার করেন।
Luc Montagnier & Françoise Barré-Sinoussi এইচআইভি (HIV) ভাইরাস আবিষ্কার করেন।

ভাইরাস সম্পর্কে কিছু তথ্য 🦠

  1. ভাইরাস খুবই ছোট এবং এদেরকে শুধুমাত্র ইলেকট্রন মাইক্রোস্কোপের মাধ্যমে দেখা যায়।
  2. ভাইরাস জীবন্ত কোষের বাইরে निष्क्रिय (Inactive) থাকে।
  3. ভাইরাস বিভিন্ন রোগ সৃষ্টি করতে পারে, যেমন - জ্বর, সর্দি, ফ্লু, পোলিও, এইডস ইত্যাদি। 🤒🤧
  4. ভাইরাস সংক্রমণ থেকে বাঁচতে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলা উচিত। 🧼

ভাইরাস বিদ্যা মানবজাতির জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই শাখার গবেষণা আমাদের ভাইরাসজনিত রোগ মোকাবেলা করতে সাহায্য করে। 👍

আরও জানতে চান?

ভাইরাস নিয়ে আরও জানতে বিভিন্ন বিজ্ঞান বিষয়ক ওয়েবসাইট ও জার্নাল দেখতে পারেন। 📚

আশা করি এই তথ্যগুলো আপনার কাজে লাগবে। 😊

Option A Explanation:
  • W.M. Stanley (William Thomas Stanley):
  • অম্লজীবী ভাইরাসের প্রথম সফল উদাহরণ প্রদানকারী।
  • তিনি 1935 সালে টমাটো ভাইরাসের প্রোটিন দ্বারা গঠিত ভাইরাসের কণিকা আবিষ্কার করেন।
  • তার গবেষণায় তিনি দেখান যে, ভাইরাস জীবজন্তু নয়, বরং একটি প্রোটিন অংশবিশেষ।
  • এটি ভাইরাসের প্রকৃতি ও গঠন বোঝার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
Option B Explanation:
  • নাম: Robert Koch
  • জন্ম: 1843 সালে জার্মানিতে
  • প্রসিদ্ধতা: ব্যাকটেরিয়া বিজ্ঞান ও জৈব চিকিৎসা ক্ষেত্রে তার অবদান জন্য বিশ্বব্যাপী স্বীকৃতি পেয়েছেন।
  • অর্জন: তিনি ব্যাকটেরিয়া সংক্রান্ত প্রথম প্রমাণিত সংক্রমণের পরিচিতি ও শনাক্তকরণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন।
  • প্রসিদ্ধ কাজ: "Koch's postulates" নামে পরিচিত ব্যাকটেরিয়া রোগের কারণ নির্ণয়ের পদ্ধতি উন্নয়ন করেন।
  • অন্য উল্লেখ্য: তিনি কলেরা ও টিবি সংক্রান্ত গবেষণায় গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন।
Option C Explanation:
  • Louis Pasteur: তিনি একজন প্রখ্যাত ফরাসি microbiologist ও রসায়নবিদ ছিলেন।
  • তিনি পোলিও, হেপাটাইটিস, পানির জীবাণুর মতো রোগের জন্য ব্যাকটেরিয়া ও ভাইরাসের ভূমিকা খুঁজে পেয়েছেন।
  • প্যাস্টারাইজেশন প্রযুক্তি উদ্ভাবন করে খাদ্যশস্যের সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন।
  • উনি ভাইরাসের প্রকৃতি ও তার প্রভাব বোঝার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ গবেষণা করেন।
Option D Explanation:
  • অভিযান: অ্যালেক্সান্ডার ভান লেউওয়েনহুক (Anton van Leeuwenhoek) ১৭শ শতাব্দীতে প্রথমবারের মতো জীবাণু দেখা ছিলেন।
  • প্রযুক্তি: তিনি নিজ হাতে তৈরি উন্নত মানের লেন্স ব্যবহার করে ক্ষুদ্র জীবাণু ও অণুজীবের ছবি তোলেন।
  • অবদান: জীবাণু দর্শনের জন্য তিনি "মাইক্রোস্কোপ" এর উন্নয়ন করেন এবং প্রথমবারের মতো জীবাণু দেখার অভিজ্ঞতা লাভ করেন।
  • প্রভাব: তার গবেষণার মাধ্যমে জীবাণুর অস্তিত্বের প্রমাণ পাওয়া যায়, যা জীবাণু বিদ্যার (জীবাণু বিজ্ঞান) ভিত্তি স্থাপন করে।