টিউটোরিয়াল / গাইডলাইন অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ ডাউনলোড
Google Play
GET IT ON Google Play
StudyClub - স্মার্ট স্টাডি প্ল্যাটফর্ম
মেনু
Self Tracker
Messenger
Question Bank
Study User Report
Session Report
To do list Report
Study Leaderboard
Screen Time Leaderboard
Public Dashboard
Quiz Creator
Quiz Leaderboard
হোম
Profile
About
Tutorials
থিম নির্বাচন

আপনার পছন্দের থিম বেছে নিন।

আয়নিক যৌগ গঠিত হয় কীভাবে? 

A. দুটি অধাতুর মধ্যে 
B. ধাতু ও অধাতুর মধ্যে 
C. দুটি ধাতুর মধ্যে 
D. ধাতু ও অর্ধ ধাতুর মধ্যে 
সঠিক উত্তরঃ B. ধাতু ও অধাতুর মধ্যে 
Explanation:

Another Explanation (5):

আয়নিক যৌগ গঠন: একটি বিস্তারিত আলোচনা ⚛️

আয়নিক যৌগ মূলত ধাতু এবং অধাতুর মধ্যে ইলেকট্রন স্থানান্তরের মাধ্যমে গঠিত হয়। এই প্রক্রিয়ায় ধাতু ইলেকট্রন ত্যাগ করে ধনাত্মক আয়নে (cation) এবং অধাতু ইলেকট্রন গ্রহণ করে ঋণাত্মক আয়নে (anion) পরিণত হয়। এরপর বিপরীতধর্মী চার্জের আকর্ষণে তারা একত্রিত হয়ে একটি স্থিতিশীল যৌগ গঠন করে। 🤝

আয়নিক যৌগ গঠনের ধাপসমূহ:

  1. ধাতুর ইলেকট্রন ত্যাগ: ধাতুসমূহ সাধারণত তাদের সর্ববহিঃস্থ কক্ষপথ থেকে ইলেকট্রন ত্যাগ করে নিকটতম নিষ্ক্রিয় গ্যাসের ইলেকট্রন কাঠামো লাভ করতে চায়। 🥇
  2. অধাতুর ইলেকট্রন গ্রহণ: অধাতুসমূহ ইলেকট্রন গ্রহণের মাধ্যমে তাদের সর্ববহিঃস্থ কক্ষপথ পূরণ করে স্থিতিশীলতা অর্জন করতে চায়। 🥈
  3. আয়ন গঠন: ইলেকট্রন আদান-প্রদানের ফলে ক্যাটায়ন (ধনাত্মক আয়ন) ও অ্যানায়ন (ঋণাত্মক আয়ন) সৃষ্টি হয়। ➕➖
  4. আয়নিক বন্ধন: বিপরীত চার্জযুক্ত আয়নগুলোর মধ্যে স্থিরবৈদ্যুতিক আকর্ষণ বলের মাধ্যমে শক্তিশালী বন্ধন গঠিত হয়, যা আয়নিক বন্ধন নামে পরিচিত। ⚡
  5. আয়নিক যৌগের সৃষ্টি: অসংখ্য ক্যাটায়ন ও অ্যানায়ন ত্রিমাত্রিকভাবে সজ্জিত হয়ে একটি বৃহৎ জালিকা গঠন করে, যা আয়নিক যৌগ হিসেবে পরিচিত। 🧱

উদাহরণ: সোডিয়াম ক্লোরাইড (NaCl) গঠন

সোডিয়াম (Na) একটি ধাতু এবং ক্লোরিন (Cl) একটি অধাতু।

  • সোডিয়াম একটি ইলেকট্রন ত্যাগ করে Na+ আয়নে পরিণত হয়। 😊
  • ক্লোরিন সেই ইলেকট্রন গ্রহণ করে Cl- আয়নে পরিণত হয়। 🤩
  • Na+ এবং Cl- আয়নগুলো তীব্র আকর্ষণ বলের মাধ্যমে একত্রিত হয়ে সোডিয়াম ক্লোরাইড (NaCl) গঠন করে। 🧂

আয়নিক যৌগের বৈশিষ্ট্যসমূহ:

  • উচ্চ গলনাঙ্ক ও স্ফুটনাঙ্ক বিশিষ্ট। 🔥
  • কঠিন অবস্থায় বিদ্যুৎ অপরিবাহী, কিন্তু দ্রবীভূত বা গলিত অবস্থায় বিদ্যুৎ পরিবাহী। 💡
  • পানিতে দ্রবণীয় (কিছু ব্যতিক্রম আছে)। 💧
  • শক্ত এবং ভঙ্গুর প্রকৃতির। 🔨

আয়নিক যৌগ এবং সমযোজী যৌগের মধ্যে পার্থক্য:

বৈশিষ্ট্য আয়নিক যৌগ সমযোজী যৌগ
বন্ধন গঠন ইলেকট্রন স্থানান্তর (ধাতু থেকে অধাতু) ➡️ ইলেকট্রন শেয়ারিং (অধাতু-অধাতু) 🤝
গলনাঙ্ক ও স্ফুটনাঙ্ক উচ্চ ⬆️ নিম্ন ⬇️
বিদ্যুৎ পরিবাহিতা গলিত বা দ্রবীভূত অবস্থায় পরিবাহী ⚡ সাধারণত অপরিবাহী 🚫
দ্রবণীয়তা পানিতে দ্রবণীয় (সাধারণত) 💧 জৈব দ্রাবকে দ্রবণীয় (সাধারণত) 🧪

আয়নিক যৌগ আমাদের দৈনন্দিন জীবনে এবং রসায়নে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। 🧪🔬

আরও জানতে বিভিন্ন রসায়ন বিষয়ক ওয়েবসাইট ও বইয়ের সাহায্য নিতে পারো। 📚💻