লগইন করুন
আমাদের ওয়েবসাইটের সকল সুবিধা পেতে লগইন করুন
আপনার পছন্দের থিম বেছে নিন।

অষ্টাদশ ন্যাম (NAM - Non-Aligned Movement) সম্মেলন ২০১৯ সালে আজারবাইজানে অনুষ্ঠিত হয়েছিল। এই সম্মেলনটি আন্তর্জাতিক রাজনীতি এবং উন্নয়নশীল দেশগুলোর জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ছিল। নিচে এর বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা করা হলো:
ন্যাম হলো জোট-নিরপেক্ষ আন্দোলন। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর যখন বিশ্ব দুটি শিবিরে (মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও সোভিয়েত ইউনিয়ন) বিভক্ত ছিল, তখন অনেক দেশ কোনো শিবিরে যোগ না দিয়ে নিজেদের নিরপেক্ষ অবস্থান বজায় রাখার সিদ্ধান্ত নেয়। এই দেশগুলো সম্মিলিতভাবে ন্যাম গঠন করে। এর মূল উদ্দেশ্য হলো:
আজারবাইজান একটি গুরুত্বপূর্ণ কৌশলগত অবস্থানে অবস্থিত। এটি পূর্ব ইউরোপ ও পশ্চিম এশিয়ার সংযোগস্থলে অবস্থিত। দেশটির প্রাকৃতিক সম্পদ (যেমন তেল ও গ্যাস) abbundance. এছাড়া, আজারবাইজান ন্যামের সদস্য হিসেবে সবসময় সক্রিয় ভূমিকা পালন করে। তাই এই সম্মেলন আয়োজনের জন্য আজারবাইজানকে নির্বাচন করা হয়েছিল।
অষ্টাদশ ন্যাম সম্মেলনের মূল বিষয়বস্তু ছিল "বান্দুং নীতিসমূহের সমসাময়িক চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা" (Upholding the Bandung Principles to ensure concerted and adequate response to the challenges of contemporary world)। এই সম্মেলনে যে বিষয়গুলোর উপর জোর দেওয়া হয়েছিল:
সম্মেলনে বিভিন্ন দেশের প্রতিনিধিরা তাদের নিজ নিজ দেশের সমস্যা ও সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা করেন। কিছু গুরুত্বপূর্ণ আলোচনার বিষয় ছিল:
| বিষয় | আলোচনা |
|---|---|
| অর্থনৈতিক সহযোগিতা 💸 | উন্নয়নশীল দেশগুলোর মধ্যে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বৃদ্ধি নিয়ে আলোচনা। |
| রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা 🗳️ | বিভিন্ন দেশে রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা রক্ষা এবং গণতন্ত্রের বিকাশ নিয়ে আলোচনা। |
| সাংস্কৃতিক বিনিময় 🎭 | বিভিন্ন দেশের মধ্যে সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য বিনিময় করে সম্পর্ক উন্নয়ন। |
এই সম্মেলনের মাধ্যমে ন্যাম সদস্য দেশগুলোর মধ্যে সহযোগিতা আরও বৃদ্ধি পায়। এছাড়াও, উন্নয়নশীল দেশগুলো তাদের দাবি আন্তর্জাতিক মহলে তুলে ধরতে আরও শক্তিশালী হয়। ন্যামের ভবিষ্যৎ কর্মপন্থা নির্ধারণের ক্ষেত্রেও এই সম্মেলন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। সম্মেলন শেষে একটি যৌথ ঘোষণা প্রকাশিত হয়, যেখানে সদস্য দেশগুলো তাদের প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করে। 🥰
আশা করি এই ব্যাখ্যাটি অষ্টাদশ ন্যাম সম্মেলন ২০১৯ সম্পর্কে একটি স্পষ্ট ধারণা দিতে পেরেছে। 🙏
```