টিউটোরিয়াল / গাইডলাইন অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ ডাউনলোড
Google Play
GET IT ON Google Play
StudyClub - স্মার্ট স্টাডি প্ল্যাটফর্ম
মেনু
Self Tracker
Messenger
Question Bank
Study User Report
Session Report
To do list Report
Study Leaderboard
Screen Time Leaderboard
Public Dashboard
Quiz Creator
Quiz Leaderboard
হোম
Profile
About
Tutorials
থিম নির্বাচন

আপনার পছন্দের থিম বেছে নিন।

স্তন্যপায়ী প্রাণী নয় কোনটি?

A. ডলফিন
B. প্লাটিপাস
C. কুমির
D. বাদুর
সঠিক উত্তরঃ C. কুমির
Explanation:

Another Explanation (5):

স্তন্যপায়ী প্রাণী এবং কুমির: একটি একাডেমিক আলোচনা

প্রশ্নটি ছিল, "স্তন্যপায়ী প্রাণী নয় কোনটি?" এবং উত্তর দেওয়া হয়েছে "কুমির"। এই উত্তরের সমর্থনে নিচে একটি বিস্তারিত আলোচনা করা হলো:

স্তন্যপায়ী প্রাণীর বৈশিষ্ট্য 📝

স্তন্যপায়ী প্রাণীদের কিছু বৈশিষ্ট্য রয়েছে যা তাদেরকে অন্য প্রাণী থেকে আলাদা করে। নিচে কয়েকটি প্রধান বৈশিষ্ট্য উল্লেখ করা হলো:

  • ত্বকে লোম বা চুল: স্তন্যপায়ী প্রাণীদের শরীরে লোম বা চুল থাকে। 🐻
  • স্তন্য গ্রন্থি: এদের স্তন্য গ্রন্থি থাকে যা দিয়ে শিশুরা মায়ের দুধ পান করে। 🤱
  • উষ্ণ রক্ত: স্তন্যপায়ী প্রাণীরা উষ্ণ রক্তের অধিকারী, অর্থাৎ তারা নিজেদের শরীরের তাপমাত্রা স্থিতিশীল রাখতে পারে। 🔥
  • তিনটি মধ্যকর্ণের হাড়: এদের কানের ভেতরে তিনটি ছোট হাড় থাকে। 👂
  • ডায়াফ্রাম: শ্বাস-প্রশ্বাসের জন্য ডায়াফ্রাম নামক একটি বিশেষ পেশী থাকে। 💨
  • চার প্রকোষ্ঠ বিশিষ্ট হৃদপিণ্ড: এদের হৃদপিণ্ড চারটি প্রকোষ্ঠে বিভক্ত। ❤️
  • জীবন্ত বাচ্চা প্রসব:অধিকাংশ স্তন্যপায়ী প্রাণী জীবন্ত বাচ্চা প্রসব করে ( exception is there)। 🤰

কুমির: স্তন্যপায়ী কেন নয়? 🐊

কুমির স্তন্যপায়ী প্রাণী নয়। এর কারণগুলো হলো:

  1. কুমিরের শরীরে লোম বা চুল নেই। ❌🐻
  2. এদের স্তন্য গ্রন্থি নেই। ❌🤱
  3. কুমির শীতল রক্তের প্রাণী, অর্থাৎ পরিবেশের তাপমাত্রার সাথে এদের শরীরের তাপমাত্রা পরিবর্তিত হয়। 🥶
  4. কুমির ডিম পাড়ে, বাচ্চা প্রসব করে না। 🥚

বৈশিষ্ট্যের তুলনামূলক তালিকা 📊

বৈশিষ্ট্য স্তন্যপায়ী প্রাণী কুমির
লোম/চুল আছে ✅ নেই ❌
স্তন্য গ্রন্থি আছে ✅ নেই ❌
রক্তের তাপমাত্রা উষ্ণ ✅ শীতল ❌
প্রজনন বাচ্চা প্রসব (অধিকাংশ) ✅ ডিম পাড়া ❌

শ্রেণীবিভাগ 📂

কুমির সরীসৃপ (Reptilia) শ্রেণীর অন্তর্ভুক্ত। টিকটিকি🦎, সাপ🐍, এবং কচ্ছপ🐢 ও এই শ্রেণীর অন্তর্ভুক্ত।

উপসংহার 🏁

উপরের আলোচনা থেকে স্পষ্ট যে কুমির স্তন্যপায়ী প্রাণী নয়। এটি সরীসৃপ শ্রেণীর অন্তর্ভুক্ত এবং স্তন্যপায়ী প্রাণীদের বৈশিষ্ট্যগুলো এর মধ্যে অনুপস্থিত। তাই, প্রশ্নটির উত্তর "কুমির" সঠিক। 👍

আশা করি এই আলোচনাটি তথ্যপূর্ণ ছিল। 😊

Option A Explanation:
  • প্রজাতি: ডলফিন
  • প্রকার: সামুদ্রিক স্তন্যপায়ী প্রাণী (Marine Mammal)
  • বাসস্থান: মূলত সমুদ্রে বাস করে, তবে কিছু প্রজাতি নদী বা মিঠা পানির খাল-বিলেও থাকতে দেখা যায়।
  • বিশেষতা: মিঠা পানির ডলফিনগুলি বিশেষ করে নদী বা খালবিলের মতো অল্প পানির এলাকায় বাস করে, যা তাদের জন্য একটি এন্ডেমিক পরিবেশ সৃষ্টি করে।
  • উপস্থিতি: বিভিন্ন নদী যেমন গঙ্গা, ব্রহ্মপুত্র, আমাজন ইত্যাদিতে দেখা যায়।
Option B Explanation:

প্লাটিপাস

  • অর্থ: প্লাটিপাস হল একটি সংযোগকারী জীব যা মূলত সামুদ্রিক অর্গানিজমের মধ্যে পড়ে।
  • বৈশিষ্ট্য: এটি সাধারণত নিচে ভাসমান বা পৃষ্ঠে বসবাস করে এবং অন্যান্য জীবের সঙ্গে সংযোগ বা সহযোগিতার জন্য পরিচিত।
  • প্রকার: এটি বিভিন্ন ধরণের হতে পারে, যেমন অ্যালগি বা সামুদ্রিক অঙ্গপ্রত্যঙ্গ।
  • উপকারিতা: প্লাটিপাস প্রাকৃতিক পরিবেশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে, যেমন পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা, খাদ্যচক্রে অংশগ্রহণ, এবং সামুদ্রিক জীববৈচিত্র্য রক্ষায় সহায়ক।
Option C Explanation:
  • প্রাণী: কুমির
  • শ্রেণী: উভচর
  • কর্ডেট: হ্যাঁ, কুমিরের কর্ডেট (প্রান্তিক অস্থি) থাকে।
  • মেরুদণ্ডী: হ্যাঁ, কুমিরের মেরুদণ্ড আছে, যা তার শরীরের মূল স্পাইনাল কলাম।
  • বিশেষ বৈশিষ্ট্য: কুমিরের দেহে শক্তিশালী দন্ত, লম্বা লেজ ও শক্তিশালী দেহ গঠন রয়েছে। এটি জল ও স্থল উভয়ে চলাফেরা করতে সক্ষম।
Option D Explanation:

বাদুরের লিঙ্গ নির্ধারণের জন্য XX-XO পদ্ধতি

  • প্রাণীর ধরণ: বাদুর এক ধরনের স্তন্যপায়ী প্রাণী, যা সাধারণত স্তন্যপায়ী শ্রেণীর অন্তর্ভুক্ত।
  • জেনেটিক ভিত্তি: এই পদ্ধতিতে প্রাণীর জেনেটিক উপাদান বা ক্রোমোজোমের ভিত্তিতে লিঙ্গ নির্ধারণ করা হয়।
  • XX-XO পদ্ধতি: এই পদ্ধতিতে, স্ত্রী প্রাণীর জেনেটিক কনফিগারেশন হয় XX, যা নারী লিঙ্গ নির্দেশ করে, আর পুরুষের জন্য হয় XO, যেখানে X ক্রোমোজোমের পাশাপাশি একটি অনুপস্থিত ক্রোমোজোম।
  • প্রয়োগ: এই পদ্ধতিতে বাদুরের লিঙ্গ নির্ধারণ করা হয় যখন তার জেনেটিক উপাদান বিশ্লেষণ করা হয়।
  • উপকারিতা: জেনেটিক পর্যবেক্ষণে এটি ব্যবহৃত হয় লিঙ্গ নির্ধারণের জন্য, বিশেষ করে গবেষণায় বা প্রজননের ক্ষেত্রে।